ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

গোপালগঞ্জের শ্রমিক নেতা বাসু হত্যা: এক দশক পর পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬ ৪০৪ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জের শ্রমিক নেতা বাসু হত্যা: এক দশক পর পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দীর্ঘ ১০ বছর পর গোপালগঞ্জের আলোচিত শ্রমিক নেতা সাইদুর রহমান বাসু হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১। বুধবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ চাঞ্চল্যকর রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, বুলবুল শেখ, হেদায়েত শেখ, তফসির শেখ, কিবরিয়া আল কাজী ও ঝন্টু শেখ। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আব্দুর রশীদ মোল্লা রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে গোপালগঞ্জ মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান বাসু কুয়াডাঙ্গা এলাকায় অবস্থিত মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় থেকে কাজ শেষ করে মৌলভীপাড়ার নিজ বাসায় ফিরছিলেন। পথিমধ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে একদল দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে। এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রাস্তায় ফেলে রেখে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা গুরুতর আহত বাসুকে উদ্ধার করে প্রথমে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (পঙ্গু হাসপাতাল)-এ ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন তিনি মারা যান।

এই হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। শ্রমিক মহল ও স্থানীয় জনগণ দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়। দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করায় নিহতের পরিবার ও সহকর্মীরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

আইন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক দশক পর হলেও এই রায় শ্রমিক নেতাদের ওপর সহিংস অপরাধের বিরুদ্ধে একটি শক্ত বার্তা হিসেবে বিবেচিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :