ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোটি টাকার ৩৪ হাজার ইয়াবাসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু নতুন আক্রান্ত ১,৩২৭ ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নালিতাবাড়ীতে আটকে রেখে নির্যাতন ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত ভোক্তাদের ক্ষোভের মধ্যে স্বস্তি এলপিজি ব্যবসায়ীদের দু’দিনের ধর্মঘট প্রত্যাহার দেশে চিনির ব্যবহার প্রায় ৩৩ শতাংশ কমেছে সক্ষমতার অর্ধেক উৎপাদনে বেসরকারি মিল টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট বিশ্বজুড়ে প্রবৃদ্ধি কমার পূর্বাভাস, মূল্যস্ফীতি ৪.৭ শতাংশে ওঠার শঙ্কা আইএমএফের সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট বাতিল, প্রবাসীদের  ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা, ভোগান্তিতে ৯২৬৯ যাত্রী

কোটি টাকার ৩৪ হাজার ইয়াবাসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:১৪:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

কোটি টাকার ৩৪ হাজার ইয়াবাসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তরুণ-যুবসমাজের জন্য ভয়াবহ হুমকি মাদক, স্বাস্থ্য ও সামাজিক জীবনে বাড়ছে ঝুঁকি

ইয়াবার ছোঁবলে ধ্বংস হচ্ছে হাজারো তরূণ-যুবকের জীবন। সেই সঙ্গে ভয়ঙ্কর এই মাদকে জড়িয়ে পড়ছে নানা বয়সের মানুষ! আসক্ত অনেকে স্ত্রী-সন্তান ত্যাগ করার মতো ঘটনাও ঘটেছে। বহু তুরুণ-যুবক আগামীর সম্ভবনার পথ হারিয়ে মাদকের অন্ধকার গলির বাসিন্দা হয়েছেন। তাতে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে এক একটি পরিবার। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থারকে ফাঁকি দিয়ে মাদক ব্যবসা অনিয়ন্ত্রিতই থেকে যাচ্ছে। তার প্রমাণ লাখো ইয়াবা আটক হওয়ার ঘটনা।

রাজধানীর ভাটারায় চালের ড্রামে লুকিয়ে রাখা ৩৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় মালা বেগম (৬২) ও তাঁর ছেলে মামুন চোকদারকে (৩৬) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ২ লাখ টাকা। এ ঘটনায় সাহিদা বেগম ইতি (৪৮) নামে আরও এক নারীকে আসামি করা হয়েছে। তিনি পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ভাটারা থানার ছোলমাইদ ঢালিবাড়ী কাঁচাবাজারসংলগ্ন একটি বাসার নিচতলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয় সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে এবং পরিদর্শক মো. ফজলুল হক খানের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। নিরপেক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে পশ্চিম পাশের একটি কক্ষে রাখা চালের ড্রাম থেকে কফি রঙের ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগটির ভেতরে কাগজ ও আঠালো ফিতা দিয়ে মোড়ানো ১৭টি প্যাকেটে ৩৪ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। জব্দ করা ইয়াবার ওজন ৩ দশমিক ৪০ কেজি।

অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার মা-ছেলে দাবি করেছেন, উদ্ধার করা ইয়াবার মালিক সাহিদা বেগম ইতি। তিনি কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে মালা বেগমের বাসায় মজুত রাখতেন। পরে গাজীপুরের কোনাবাড়ী, সাইনবোর্ড ও টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব ইয়াবা সরবরাহ করা হতো বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগ তদন্তসাপেক্ষ।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রোর (দক্ষিণ) উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের শূন্য সহনশীলতার নীতি বাস্তবায়নে নিয়মিত অভিযান চলছে। মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজন ও পলাতক ওই নারীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ভাটারা থানায় মামলা করা হয়েছে।

ইয়াবার ভয়াবহ ছোবলে স্বাস্থ্য ও সামাজিক জীবন বিপর্যস্ত

ইয়াবার বিস্তার শুধু আইনশৃঙ্খলার সমস্যা নয়, এটি জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্যও বড় হুমকি। বিশেষ করে তরুণ ও যুবকদের একটি অংশ এই মাদকের ঝুঁকিতে পড়ায় পরিবার, কর্মজীবন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

ইয়াবায় থাকা মেথামফেটামিন মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের ওপর তীব্র প্রভাব ফেলে। সাময়িকভাবে অতিরিক্ত চাঙা অনুভূতি তৈরি হলেও এর অপব্যবহারে ঘুমের সমস্যা, ক্ষুধামন্দা, দ্রুত হৃদস্পন্দন, উচ্চ রক্তচাপ, উদ্বেগ, সন্দেহপ্রবণতা ও আক্রমণাত্মক আচরণ দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন ব্যবহারে স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগের সমস্যা, মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি, হৃদ্‌যন্ত্রের জটিলতা এবং নির্ভরশীলতা তৈরি হতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ করলে গুরুতর শারীরিক জটিলতা, এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে।

মাদকাসক্তির প্রভাব ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। চিকিৎসা ও মাদক সংগ্রহের খরচে পরিবারের আর্থিক চাপ বাড়ে, পারিবারিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং পড়াশোনা ও কর্মজীবন ব্যাহত হতে পারে। মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়। আসক্ত ব্যক্তিকে সামাজিকভাবে হেয় করা বা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার প্রবণতা তাঁর সংকট আরও বাড়াতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক নিয়ন্ত্রণে অভিযান ও আইন প্রয়োগের পাশাপাশি ইয়াবার সরবরাহ বন্ধ, সীমান্তে নজরদারি, তরুণদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা জরুরি। মাদকাসক্তিকে কেবল অপরাধ হিসেবে না দেখে স্বাস্থ্যগত সমস্যার দিকটিও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা গেলে ইয়াবার ক্ষতিকর বিস্তার কমানো সম্ভব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কোটি টাকার ৩৪ হাজার ইয়াবাসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৭:১৪:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

তরুণ-যুবসমাজের জন্য ভয়াবহ হুমকি মাদক, স্বাস্থ্য ও সামাজিক জীবনে বাড়ছে ঝুঁকি

ইয়াবার ছোঁবলে ধ্বংস হচ্ছে হাজারো তরূণ-যুবকের জীবন। সেই সঙ্গে ভয়ঙ্কর এই মাদকে জড়িয়ে পড়ছে নানা বয়সের মানুষ! আসক্ত অনেকে স্ত্রী-সন্তান ত্যাগ করার মতো ঘটনাও ঘটেছে। বহু তুরুণ-যুবক আগামীর সম্ভবনার পথ হারিয়ে মাদকের অন্ধকার গলির বাসিন্দা হয়েছেন। তাতে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে এক একটি পরিবার। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থারকে ফাঁকি দিয়ে মাদক ব্যবসা অনিয়ন্ত্রিতই থেকে যাচ্ছে। তার প্রমাণ লাখো ইয়াবা আটক হওয়ার ঘটনা।

রাজধানীর ভাটারায় চালের ড্রামে লুকিয়ে রাখা ৩৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় মালা বেগম (৬২) ও তাঁর ছেলে মামুন চোকদারকে (৩৬) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ২ লাখ টাকা। এ ঘটনায় সাহিদা বেগম ইতি (৪৮) নামে আরও এক নারীকে আসামি করা হয়েছে। তিনি পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ভাটারা থানার ছোলমাইদ ঢালিবাড়ী কাঁচাবাজারসংলগ্ন একটি বাসার নিচতলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয় সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে এবং পরিদর্শক মো. ফজলুল হক খানের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। নিরপেক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে পশ্চিম পাশের একটি কক্ষে রাখা চালের ড্রাম থেকে কফি রঙের ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগটির ভেতরে কাগজ ও আঠালো ফিতা দিয়ে মোড়ানো ১৭টি প্যাকেটে ৩৪ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। জব্দ করা ইয়াবার ওজন ৩ দশমিক ৪০ কেজি।

অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার মা-ছেলে দাবি করেছেন, উদ্ধার করা ইয়াবার মালিক সাহিদা বেগম ইতি। তিনি কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে মালা বেগমের বাসায় মজুত রাখতেন। পরে গাজীপুরের কোনাবাড়ী, সাইনবোর্ড ও টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব ইয়াবা সরবরাহ করা হতো বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগ তদন্তসাপেক্ষ।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রোর (দক্ষিণ) উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের শূন্য সহনশীলতার নীতি বাস্তবায়নে নিয়মিত অভিযান চলছে। মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজন ও পলাতক ওই নারীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ভাটারা থানায় মামলা করা হয়েছে।

ইয়াবার ভয়াবহ ছোবলে স্বাস্থ্য ও সামাজিক জীবন বিপর্যস্ত

ইয়াবার বিস্তার শুধু আইনশৃঙ্খলার সমস্যা নয়, এটি জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্যও বড় হুমকি। বিশেষ করে তরুণ ও যুবকদের একটি অংশ এই মাদকের ঝুঁকিতে পড়ায় পরিবার, কর্মজীবন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

ইয়াবায় থাকা মেথামফেটামিন মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের ওপর তীব্র প্রভাব ফেলে। সাময়িকভাবে অতিরিক্ত চাঙা অনুভূতি তৈরি হলেও এর অপব্যবহারে ঘুমের সমস্যা, ক্ষুধামন্দা, দ্রুত হৃদস্পন্দন, উচ্চ রক্তচাপ, উদ্বেগ, সন্দেহপ্রবণতা ও আক্রমণাত্মক আচরণ দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন ব্যবহারে স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগের সমস্যা, মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি, হৃদ্‌যন্ত্রের জটিলতা এবং নির্ভরশীলতা তৈরি হতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ করলে গুরুতর শারীরিক জটিলতা, এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে।

মাদকাসক্তির প্রভাব ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। চিকিৎসা ও মাদক সংগ্রহের খরচে পরিবারের আর্থিক চাপ বাড়ে, পারিবারিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং পড়াশোনা ও কর্মজীবন ব্যাহত হতে পারে। মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়। আসক্ত ব্যক্তিকে সামাজিকভাবে হেয় করা বা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার প্রবণতা তাঁর সংকট আরও বাড়াতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক নিয়ন্ত্রণে অভিযান ও আইন প্রয়োগের পাশাপাশি ইয়াবার সরবরাহ বন্ধ, সীমান্তে নজরদারি, তরুণদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা জরুরি। মাদকাসক্তিকে কেবল অপরাধ হিসেবে না দেখে স্বাস্থ্যগত সমস্যার দিকটিও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা গেলে ইয়াবার ক্ষতিকর বিস্তার কমানো সম্ভব।