ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোরবানির পশুর হাটে জাল নোট প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ নির্দেশনা ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান? বাংলাদেশ থেকে পোশাক ও চামড়াজাত পণ্য আমদানিতে আগ্রহী ইতালি মার্কিন আদালতের রায়েও বহাল ১০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক, নতুন অনিশ্চয়তায় রফতানিকারকরা পুলিশের যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুনে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হিসাবে যোগ দেবেন দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদের পদত্যাগ হামে মৃত্যু: ৩৫২ শিশুর পরিবারকে দুই কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট মোহাম্মদপুরে ৯ হত্যা: সাবেক মন্ত্রী   নানকসহ ২৮ জনের বিচার শুরু দেশে শান্তি ও গণতন্ত্র রক্ষায় মানবিক পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ঈদুল ফিতরে তারেক রহমানকে মোদির শুভেচ্ছা: বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতির বার্তা

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৯:০৩:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬ ৬২ বার পড়া হয়েছে

তারেক রহমান (বামে) এবং ন‌রেন্দ্র মো‌দি: ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঈদুল ফিতরের পবিত্র আনন্দময় এই সময়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

বৃহস্পতিবার পাঠানো এক উষ্ণ সৌহার্দ্যপূর্ণ চিঠিতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান, যা দুই দেশের পারস্পরিক বন্ধুত্ব ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে।

চিঠিতে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ভারতের জনগণ সরকারের পক্ষ থেকে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানএর পাশাপাশি বাংলাদেশের সকল জনগণের প্রতি ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, পবিত্র রমজান মাস জুড়ে শুধু ভারত বা বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বের মুসলমানরা সংযম, আত্মশুদ্ধি ইবাদতের মাধ্যমে এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশে সময় অতিবাহিত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এই দীর্ঘ এক মাসের রোজা প্রার্থনা মানুষের মনে সহমর্মিতা, দয়া, ত্যাগ আত্মসংযমের চেতনাকে জাগ্রত করে। ঈদুল ফিতর সেই সাধনারই এক আনন্দঘন পরিণতি, যা আমাদের পারস্পরিক ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব ঐক্যের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে তোলে।

এই উৎসব শুধু আনন্দের নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধ পুনর্জাগরণেরও এক গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।

চিঠিতে তিনি বিশ্ববাসীর জন্য শান্তি, সম্প্রীতি, সুস্বাস্থ্য সুখ কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও গভীর শক্তিশালী হবে।

পারস্পরিক সহযোগিতা বোঝাপড়ার মাধ্যমে দুই দেশ উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা সমৃদ্ধির পথে একসঙ্গে এগিয়ে যাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এই শুভেচ্ছা বার্তাকে দুই প্রতিবেশী দেশের আন্তরিকতা, সৌহার্দ্য পারস্পরিক সম্মানের এক উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও ইতিবাচক গতিশীল করে তুলতে সহায়ক হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঈদুল ফিতরে তারেক রহমানকে মোদির শুভেচ্ছা: বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতির বার্তা

আপডেট সময় : ০৯:০৩:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

ঈদুল ফিতরের পবিত্র আনন্দময় এই সময়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

বৃহস্পতিবার পাঠানো এক উষ্ণ সৌহার্দ্যপূর্ণ চিঠিতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান, যা দুই দেশের পারস্পরিক বন্ধুত্ব ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে।

চিঠিতে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ভারতের জনগণ সরকারের পক্ষ থেকে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানএর পাশাপাশি বাংলাদেশের সকল জনগণের প্রতি ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, পবিত্র রমজান মাস জুড়ে শুধু ভারত বা বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বের মুসলমানরা সংযম, আত্মশুদ্ধি ইবাদতের মাধ্যমে এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশে সময় অতিবাহিত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এই দীর্ঘ এক মাসের রোজা প্রার্থনা মানুষের মনে সহমর্মিতা, দয়া, ত্যাগ আত্মসংযমের চেতনাকে জাগ্রত করে। ঈদুল ফিতর সেই সাধনারই এক আনন্দঘন পরিণতি, যা আমাদের পারস্পরিক ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব ঐক্যের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে তোলে।

এই উৎসব শুধু আনন্দের নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধ পুনর্জাগরণেরও এক গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।

চিঠিতে তিনি বিশ্ববাসীর জন্য শান্তি, সম্প্রীতি, সুস্বাস্থ্য সুখ কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও গভীর শক্তিশালী হবে।

পারস্পরিক সহযোগিতা বোঝাপড়ার মাধ্যমে দুই দেশ উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা সমৃদ্ধির পথে একসঙ্গে এগিয়ে যাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এই শুভেচ্ছা বার্তাকে দুই প্রতিবেশী দেশের আন্তরিকতা, সৌহার্দ্য পারস্পরিক সম্মানের এক উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও ইতিবাচক গতিশীল করে তুলতে সহায়ক হবে।