ঢাকা ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

অস্ট্রেলিয়ার বন্ডাই বিচ হামলা: বন্দুকধারী ভারতীয়, জানিয়েছে পুলিশ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৫২:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ৪৫৫ বার পড়া হয়েছে

গুলিতে নিহত ১০ বছর বয়সী মাটিল্ডার বাবার আহাজারি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অস্ট্রেলিয়ার বন্ডাই বিচে ভয়াবহ গুলির ঘটনায় নিহত ও আহতদের সংখ্যা ক্রমশ প্রকাশ পাচ্ছে, এবং হামলাকারীদের পরিচয় ও পটভূমি নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন দুজনের মধ্যে একজন সাজিদ আকরাম (৫০) ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় হায়দ্রাবাদ থেকে এসেছেন। যদিও পরিবারের সাথে তার যোগাযোগ সীমিত ছিল। রবিবার বন্ডাই বিচে ঘটনাস্থলে সাজিদ নিহত হয়েছিলেন। হামলায় তার সঙ্গে তার ২৪ বছর বয়সী ছেলে নাভিদ আকরাম জড়িত ছিলেন। এই হামলায় মোট ১৫ জন নিহত ও ২১ জন আহত হয়েছেন।

সাজিদ আকরাম ১৯৯৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায় এসেছিলেন এবং সেই সময় থেকে মাত্র ছয়বার ভারতে ফিরেছেন। তেলেঙ্গানা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাজিদের পরিবারের ধারণা অনুযায়ী তার উগ্রবাদী কার্যক্রম বা চিন্তাধারার সঙ্গে তারা পরিচিত ছিলেন না। সাজিদ আকরামের কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড ভারতে নেই। তিনি ভারতে ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর চাকরির সন্ধানে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিলেন এবং ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত এক নারীকে বিয়ে করেন।

পুলিশ বলেছে, বন্ডাই বিচে হামলাটি হানুকাহ উৎসব উপলক্ষে চলা অনুষ্ঠানে সংঘটিত হয়েছে এবং তারা এটিকে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে বিবেচনা করছে। তদন্তে দেখা যাচ্ছে, হামলার কয়েক সপ্তাহ আগে পিতা ও পুত্র ফিলিপিন্স সফর করেছিলেন। দেশটির ইমিগ্রেশন ব্যুরো জানিয়েছে, তারা ১ নভেম্বর ফিলিপিন্সে পৌঁছান এবং ২৮ নভেম্বর দেশ ত্যাগ করেন। সাজিদ ভারতীয় পাসপোর্ট ব্যবহার করেছিলেন, আর তার ছেলে নাভিদ অস্ট্রেলিয়ান পরিচয়পত্র ব্যবহার করেছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং করপোরেশন (এবিসি) জানিয়েছে, তারা দ্বীপরাষ্ট্রে সামরিক কায়দায় প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। তবে কর্মকর্তারা রিপোর্টের সত্যতা নিশ্চিত করেননি। নাভিদ আগেও সিডনির একটি টেররিজম সেলের সঙ্গে যোগসূত্র থাকার কারণে ২০১৯ সালে কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছিলেন। তবে সেই সময় পর্যালোচনায় কোনো সহিংসতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

চরমপন্থি ইসলামি গোষ্ঠী আইএস ২০১৫ সালে ইউরোপ ও আমেরিকায় বিভিন্ন হামলার দায় স্বীকার করেছে। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, নাভিদ আকরামের অন্যদের সঙ্গে যোগসূত্রের বিষয়টি পূর্বেও নজরে এসেছে। এই ঘটনায় অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিপিন্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা তথ্য বিনিময়ে একমত হয়েছেন, এবং হামলার পেছনের প্রকৃত উদ্দেশ্য ও প্রশিক্ষণের সূত্র অনুসন্ধান চলছে। বিবিসি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :