ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমঝোতা না হলে ইরানে আবারও হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের দেশ গঠনে নাগরিক দায়িত্ব আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঈদের টানা সাতদিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত ঢাকায় পশু কোরবানি ৭লাখ: সাভার ট্যানারী পল্লীতে চামড়া  ঢুকেছে সোয়া ৫ লাখ প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে  ৪১৯ জন হজযাত্রী ঢাকায় পৌঁছেছেন চামড়া: অর্থনীতিতে আয়ের উৎস, সেই মূল্যবান সম্পদের এমন অর্থহীন পরিণতি! সড়ক নয়, যেন মৃত্যুর উপত্যকা! লোবানের গন্ধে ফিকে ঈদের আনন্দ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে  উল্লেখযোগ্য পতন, কেন? ঈদুল আজহায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও জনগণকে নরেন্দ্র মোদীর শুভেচ্ছা দেশজুড়ে উৎসবের আমেজে উদযাপিত পবিত্র ঈদুল আজহা

অর্থনীতির দক্ষিণ দুয়ার পায়রা বন্দর : নৌ প্রতিমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৩:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২০ ৫৫৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস রিপোর্ট
অর্থনীতির দক্ষিণ দুয়ার পায়রা সমুদ্র বন্দর। দ্রুত গতিতে উন্নয়ন কাজ এগিয়ে ছরছে। পায়রা বন্দর ঘিরে গড়ে তোলা হবে বিশাল অর্থনৈতিক অঞ্চল। বন্দরে পণ্যবাহী জাহাজ আসতে শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত ৩১টি কয়লাবাহী জাহাজসহ ৭৩টি জাহাজ বন্দরে এসেছে। এসব জাহাজ হ্যান্ডলিংয়ের মাধ্যমে সরকারের ১শ ৭৮ কোটি টাকা আয় হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শীতায় বাংলাদেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, পায়রা বন্দর অবকাঠামো সুবিধাদি উন্নয়ন প্রকল্প ও প্রথম টার্মিনাল প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এগুলোর কাজ ২০২২ সাল নাগাদ শেষ হবে।
রবিবার পায়রা বন্দরের উন্নয়ন কাজের পরিদর্শন শেষে বন্দর সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠককালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, পায়রা বন্দরের জন্য সড়ক অবকাঠামো তৈরি হয়ে গেছে। মূল টার্মিনালের যাওয়ার পথে রাবনাবাদ নদের উপর যে সেতু নির্মাণ দরকার, শিগগিরই তার টেন্ডার হয়ে যাবে। নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, পায়রা বন্দর সম্পর্কে অনেকেই নেতিবাচক প্রচারণা দিচ্ছে। বর্তমানে ১৪ মিটার পর্যন্ত ড্রাফট রয়েছে। ড্রেজিং এর চুক্তি হয়ে গেছে। তা নিয়ে অল্প কিছুদিনের মধ্যে স্টাডি হয়ে যাবে। তারপর ড্রেজিং শুরু হবে।

তিনি বলেন, এই বন্দর ঘিরে মানুষের কর্মসংস্থান হবে। পায়রা বন্দর হবে এই এলাকার মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম চালিকা শক্তি। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য যা করেছেন। তা আর কোন সরকার করেনি। শেখ হাসিনা হচ্ছেন উন্নয়নের সারথি। শিক্ষা, সংস্কৃতি, যোগাযোগ, অর্থনীতিসহ এমন কোন সেক্টর নেই যেখানে উন্নয়ন হয়নি। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের মণিকোঠায় চলে গেছেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

সংসদ সদস্য কাজী কানিজ সুলতানা, পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান কমোডর হুমায়ুন কল্লোল, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, পায়রা বন্দরের কাজে গতিশীলতা এসেছে। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে শিগগিরই পায়রা বন্দরকে দৃশ্যমান জায়গায় নিয়ে যাবো। এর আগে প্রতিমন্ত্রী বন্দরের অফিস প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ এবং বন্দরের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

এসময় নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আমাদেরকে শুধু স্বপ্ন দেখাচ্ছেন না, তিনি স্বপ্ন বাস্তবায়নও করে চলেছেন। করোনা পরিস্থিতিতেও প্রধানমন্ত্রী বলেছেন একজন মানুষ গৃহহীন থাকবেনা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিশাল কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়ন হচ্ছে। স্টেপ বাই স্টেপ কাজ হবে। আগামী প্রজন্মের জন্য প্রধানমন্ত্রী কাজ করছেন। দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে কর্মকর্তাদের আহবান জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কাজের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অর্থনীতির দক্ষিণ দুয়ার পায়রা বন্দর : নৌ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:৫৩:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২০

ভয়েস রিপোর্ট
অর্থনীতির দক্ষিণ দুয়ার পায়রা সমুদ্র বন্দর। দ্রুত গতিতে উন্নয়ন কাজ এগিয়ে ছরছে। পায়রা বন্দর ঘিরে গড়ে তোলা হবে বিশাল অর্থনৈতিক অঞ্চল। বন্দরে পণ্যবাহী জাহাজ আসতে শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত ৩১টি কয়লাবাহী জাহাজসহ ৭৩টি জাহাজ বন্দরে এসেছে। এসব জাহাজ হ্যান্ডলিংয়ের মাধ্যমে সরকারের ১শ ৭৮ কোটি টাকা আয় হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শীতায় বাংলাদেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, পায়রা বন্দর অবকাঠামো সুবিধাদি উন্নয়ন প্রকল্প ও প্রথম টার্মিনাল প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এগুলোর কাজ ২০২২ সাল নাগাদ শেষ হবে।
রবিবার পায়রা বন্দরের উন্নয়ন কাজের পরিদর্শন শেষে বন্দর সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠককালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, পায়রা বন্দরের জন্য সড়ক অবকাঠামো তৈরি হয়ে গেছে। মূল টার্মিনালের যাওয়ার পথে রাবনাবাদ নদের উপর যে সেতু নির্মাণ দরকার, শিগগিরই তার টেন্ডার হয়ে যাবে। নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, পায়রা বন্দর সম্পর্কে অনেকেই নেতিবাচক প্রচারণা দিচ্ছে। বর্তমানে ১৪ মিটার পর্যন্ত ড্রাফট রয়েছে। ড্রেজিং এর চুক্তি হয়ে গেছে। তা নিয়ে অল্প কিছুদিনের মধ্যে স্টাডি হয়ে যাবে। তারপর ড্রেজিং শুরু হবে।

তিনি বলেন, এই বন্দর ঘিরে মানুষের কর্মসংস্থান হবে। পায়রা বন্দর হবে এই এলাকার মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম চালিকা শক্তি। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য যা করেছেন। তা আর কোন সরকার করেনি। শেখ হাসিনা হচ্ছেন উন্নয়নের সারথি। শিক্ষা, সংস্কৃতি, যোগাযোগ, অর্থনীতিসহ এমন কোন সেক্টর নেই যেখানে উন্নয়ন হয়নি। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের মণিকোঠায় চলে গেছেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

সংসদ সদস্য কাজী কানিজ সুলতানা, পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান কমোডর হুমায়ুন কল্লোল, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, পায়রা বন্দরের কাজে গতিশীলতা এসেছে। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে শিগগিরই পায়রা বন্দরকে দৃশ্যমান জায়গায় নিয়ে যাবো। এর আগে প্রতিমন্ত্রী বন্দরের অফিস প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ এবং বন্দরের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

এসময় নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আমাদেরকে শুধু স্বপ্ন দেখাচ্ছেন না, তিনি স্বপ্ন বাস্তবায়নও করে চলেছেন। করোনা পরিস্থিতিতেও প্রধানমন্ত্রী বলেছেন একজন মানুষ গৃহহীন থাকবেনা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিশাল কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়ন হচ্ছে। স্টেপ বাই স্টেপ কাজ হবে। আগামী প্রজন্মের জন্য প্রধানমন্ত্রী কাজ করছেন। দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে কর্মকর্তাদের আহবান জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কাজের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে।