ঢাকা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজনৈতিক ব্যবহারের অবসান চায় সরকার, আসছে নতুন এলিট ফোর্স রাতে মদের আসরে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, সকালে ধৃত ৩ ধর্ষক ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার নির্ধারণ ৩ লাখ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালনে বিএনপির ৮ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের  হত্যার ফরমান নিয়ে দিনযাপন করছেন, জুলাই যোদ্ধা আমিরুল সীমান্তে অবৈধ গবাদিপশু প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবিকে কঠোর নজরদারির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ: মধ্যপ্রাচ্যে শক্তির নতুন বার্তা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিতে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হবে: তথ্যমন্ত্রী পেট্রোবাংলার  চেয়ারম্যানের দায়িত্বে অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মান্নান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত

৭ জানুয়ারি চিকিৎসা নিতে লন্ডন যাচ্ছেন খালেদা জিয়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ৩৪১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আগামী ৭ জানুয়ারি চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাচ্ছেন। ৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া আর্থ্রাইটিস, হৃদ্রোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। অনেক দিন ধরেই দল ও পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করানোর দাবি করা হচ্ছে।

কিন্তু আইনী জটিলতার কথা বলেই বিগত আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিবারই বিএনপির সেই দাবি নাকচ করে দিয়েছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এবার অসুস্থ খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাচ্ছেন। কাতার এয়ারলাইন্সের একটি অ্যাম্বুলেন্সে খালেদা জিয়া লন্ডন যাবেন।

পুত্রবধু শর্মিলা রহমান, সাত জন চিকিৎসক, দুই জন ব্যক্তিগত সচিব, দুইজন গৃহকর্মী, একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও দুইজন বিএনপি নেতাসহ সফরসঙ্গী থাকছেন ১৫জন। খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডক্টর এনামুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, ৭ জানুয়ারি লন্ডন যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আপাতত সেখানেই চলবে তার চিকিৎসা।

সফরের জন্য সবার ভিসাসংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন। লন্ডন থেকে আমেরিকা যাবার কথা থাকলেও আপাতত সেই পরিকল্পনাও বাদ দেয়ার কথা জানা গেছে। দলের অভ্যন্তরে আলোচনা রয়েছে, খালেদা জিয়া তার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সঙ্গে নিয়েই দেশে ফিরবেন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরদিন ৬ আগস্ট খালেদা জিয়াকে নির্বাহী আদেশে মুক্তি দেওয়া হয়।

২০১৭ সালের ১৬ জুলাই তিনি লন্ডন গিয়েছিলেন। এরপর একাধিক মামলার পরোয়ানা মাথায় নিয়ে সে বছরের ১৮ অক্টোবর দেশে ফেরেন খালেদা জিয়া। সে সময় তিনি যুক্তরাজ্যের ডা. হ্যাডলি ব্যারির চিকিৎসা গ্রহণ করেন। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দুই বছরের বেশি সময় তিনি কারাবন্দী ছিলেন।

২০২০ সালের ২৫ মার্চ হাসিনা সরকারের নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দেয়। এরপর ৬ মাস পরপর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর সাজা স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ বাড়াচ্ছিল সরকার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৭ জানুয়ারি চিকিৎসা নিতে লন্ডন যাচ্ছেন খালেদা জিয়া

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪

 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আগামী ৭ জানুয়ারি চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাচ্ছেন। ৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া আর্থ্রাইটিস, হৃদ্রোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। অনেক দিন ধরেই দল ও পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করানোর দাবি করা হচ্ছে।

কিন্তু আইনী জটিলতার কথা বলেই বিগত আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিবারই বিএনপির সেই দাবি নাকচ করে দিয়েছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এবার অসুস্থ খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাচ্ছেন। কাতার এয়ারলাইন্সের একটি অ্যাম্বুলেন্সে খালেদা জিয়া লন্ডন যাবেন।

পুত্রবধু শর্মিলা রহমান, সাত জন চিকিৎসক, দুই জন ব্যক্তিগত সচিব, দুইজন গৃহকর্মী, একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও দুইজন বিএনপি নেতাসহ সফরসঙ্গী থাকছেন ১৫জন। খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডক্টর এনামুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, ৭ জানুয়ারি লন্ডন যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আপাতত সেখানেই চলবে তার চিকিৎসা।

সফরের জন্য সবার ভিসাসংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন। লন্ডন থেকে আমেরিকা যাবার কথা থাকলেও আপাতত সেই পরিকল্পনাও বাদ দেয়ার কথা জানা গেছে। দলের অভ্যন্তরে আলোচনা রয়েছে, খালেদা জিয়া তার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সঙ্গে নিয়েই দেশে ফিরবেন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরদিন ৬ আগস্ট খালেদা জিয়াকে নির্বাহী আদেশে মুক্তি দেওয়া হয়।

২০১৭ সালের ১৬ জুলাই তিনি লন্ডন গিয়েছিলেন। এরপর একাধিক মামলার পরোয়ানা মাথায় নিয়ে সে বছরের ১৮ অক্টোবর দেশে ফেরেন খালেদা জিয়া। সে সময় তিনি যুক্তরাজ্যের ডা. হ্যাডলি ব্যারির চিকিৎসা গ্রহণ করেন। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দুই বছরের বেশি সময় তিনি কারাবন্দী ছিলেন।

২০২০ সালের ২৫ মার্চ হাসিনা সরকারের নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দেয়। এরপর ৬ মাস পরপর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর সাজা স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ বাড়াচ্ছিল সরকার।