ঢাকা ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাতে মদের আসরে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, সকালে ধৃত ৩ ধর্ষক ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার নির্ধারণ ৩ লাখ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালনে বিএনপির ৮ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের  হত্যার ফরমান নিয়ে দিনযাপন করছেন, জুলাই যোদ্ধা আমিরুল সীমান্তে অবৈধ গবাদিপশু প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবিকে কঠোর নজরদারির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ: মধ্যপ্রাচ্যে শক্তির নতুন বার্তা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিতে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হবে: তথ্যমন্ত্রী পেট্রোবাংলার  চেয়ারম্যানের দায়িত্বে অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মান্নান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত ডুয়েটে নতুন উপাচার্য  নিয়োগ ইস্যুতে শিক্ষার্থীদের দুপক্ষের সংঘর্ষ

বাংলাদেশকে ঋণের ফাঁদে ফেলবে না চীন

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:১৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুন ২০২১ ৩৩২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাষ্ট্রদূত লি জিমিং ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশকে কখনো অসামঞ্জস্যপূর্ণ ঋণ বা কথিত ঋণের ফাঁদে পড়ার চিন্তা করতে হবে না উল্লেখ করে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেছেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতায় ঋণ কখনো কূটনৈতিক নিয়ন্ত্রণের চাবিকাঠি হয়ে উঠবে না বলে আশ্বস্ত করেন চীনা রাষ্ট্রদূত।

কসমস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক: ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা’ শীর্ষক অনলাইন আলোচনায় (ওয়েবিনার) এসব কথা বলেন চীনা রাষ্ট্রদূত।

অনুষ্ঠানটি কসমস ফাউন্ডেশনের ফেসবুক পেজে লাইভ বৃহস্পতিবার সম্প্রচার করা হয়। আলোচনার এক পর্যায়ে চীনের অর্থায়নে সরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে শ্রীলংকার ঋণের ফাঁদে পড়ার বিষয়টি উঠে আসে।

ঋণ ফাঁদ বর্তমান বিশ্বে কূটনৈতিক প্রভাব বিস্তারের এক অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে। আর এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশ অঞ্চলে চীনের ব্যাপক ঋণ কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশগুলোকে ঋণ ফাঁদে ফেলার অভিযোগ করে আসছে বিভিন্ন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংস্থা।

এরই প্রেক্ষিতে চীনা রাষ্ট্রদূত জানান, শ্রীলংকা এবং বাংলাদেশসহ পৃথিবীর কোনো দেশেই ঋণের ফাঁদ তৈরির চেষ্টা করেনি চীন। তিনি দাবি করেন, এমন কোনো কার্যক্রমের প্রমাণ নেই।

লি বলেন, আপনাদের দেশে সুপরিকল্পিত নীতিগত কাঠামো এবং দক্ষ কর্মকর্তা ও মন্ত্রী রয়েছেন। তাই আপনাদের এই ব্যাপারে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।

চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, আমি অবশ্যই বলব যে, আপনারা খুবই দক্ষতার সঙ্গে বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনা করেছেন এবং আপনাদের কোনো অসামঞ্জস্যপূর্ণ ঋণ নেই। আন্তর্জাতিক ঋণ পরিশোধ ও ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই বেশ সুনাম অর্জন করেছে। তাই কথিত ঋণের ফাঁদ নিয়ে চিন্তা করবেন না।

আলোচনায় উদ্বোধনী ও সমাপনী বক্তব্য দেন কসমস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এনায়েতুল্লাহ খান এবং সভাপতিত্ব করেন প্রখ্যাত কূটনীতিক ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী।

এ ছাড়া সভায় আলোচক প্যানেলে ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রদূত তারিক এ করিম, সিপিডির বিশিষ্ট ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, সাবেক বিদেশ সচিব শমসের এম চৌধুরী প্রমূখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশকে ঋণের ফাঁদে ফেলবে না চীন

আপডেট সময় : ০৯:১৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুন ২০২১

রাষ্ট্রদূত লি জিমিং ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশকে কখনো অসামঞ্জস্যপূর্ণ ঋণ বা কথিত ঋণের ফাঁদে পড়ার চিন্তা করতে হবে না উল্লেখ করে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেছেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতায় ঋণ কখনো কূটনৈতিক নিয়ন্ত্রণের চাবিকাঠি হয়ে উঠবে না বলে আশ্বস্ত করেন চীনা রাষ্ট্রদূত।

কসমস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক: ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা’ শীর্ষক অনলাইন আলোচনায় (ওয়েবিনার) এসব কথা বলেন চীনা রাষ্ট্রদূত।

অনুষ্ঠানটি কসমস ফাউন্ডেশনের ফেসবুক পেজে লাইভ বৃহস্পতিবার সম্প্রচার করা হয়। আলোচনার এক পর্যায়ে চীনের অর্থায়নে সরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে শ্রীলংকার ঋণের ফাঁদে পড়ার বিষয়টি উঠে আসে।

ঋণ ফাঁদ বর্তমান বিশ্বে কূটনৈতিক প্রভাব বিস্তারের এক অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে। আর এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশ অঞ্চলে চীনের ব্যাপক ঋণ কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশগুলোকে ঋণ ফাঁদে ফেলার অভিযোগ করে আসছে বিভিন্ন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংস্থা।

এরই প্রেক্ষিতে চীনা রাষ্ট্রদূত জানান, শ্রীলংকা এবং বাংলাদেশসহ পৃথিবীর কোনো দেশেই ঋণের ফাঁদ তৈরির চেষ্টা করেনি চীন। তিনি দাবি করেন, এমন কোনো কার্যক্রমের প্রমাণ নেই।

লি বলেন, আপনাদের দেশে সুপরিকল্পিত নীতিগত কাঠামো এবং দক্ষ কর্মকর্তা ও মন্ত্রী রয়েছেন। তাই আপনাদের এই ব্যাপারে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।

চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, আমি অবশ্যই বলব যে, আপনারা খুবই দক্ষতার সঙ্গে বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনা করেছেন এবং আপনাদের কোনো অসামঞ্জস্যপূর্ণ ঋণ নেই। আন্তর্জাতিক ঋণ পরিশোধ ও ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই বেশ সুনাম অর্জন করেছে। তাই কথিত ঋণের ফাঁদ নিয়ে চিন্তা করবেন না।

আলোচনায় উদ্বোধনী ও সমাপনী বক্তব্য দেন কসমস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এনায়েতুল্লাহ খান এবং সভাপতিত্ব করেন প্রখ্যাত কূটনীতিক ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী।

এ ছাড়া সভায় আলোচক প্যানেলে ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রদূত তারিক এ করিম, সিপিডির বিশিষ্ট ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, সাবেক বিদেশ সচিব শমসের এম চৌধুরী প্রমূখ।