ঢাকা ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারেক রহমানের নেতৃত্বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের নতুন অভিযাত্রা বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে আইসিসির সিদ্ধান্ত এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত ইউএপির দুই শিক্ষককে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইস্যুতে আজ কী সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি? ২২ জানুয়ারী মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫৪তম বার্ষিকী বাংলাদেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংক থাকলেই যথেষ্ট: কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর মব সৃষ্টি করে জনমত প্রভাবিত করার দিন আর নেই: জামায়াত আমির বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ বেনাপোলে এক বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী আটক বস্তিবাসীদের উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস তারেক রহমানের চাপ তৈরি করে ভারতে খেলাতে বাধ্য করা যাবে না

দীর্ঘ ভ্রমণ শেষে পৃথিবীতে ফিরেছেন চীনের তিন নভোচারী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৯৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চীন সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য তিনজন নভোচারীকে মহাকাশ মিশনে পাঠানোর পর তারা আবার পৃথিবীতে ফিরে এসেছেন। চীনের এই সফল মহাকাশ অভিযান চীনের মহাকাশ কর্মসূচি

এগিয়ে নেবার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে এবং মহাকাশ গবেষণার দৌড়ে চীন আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ায় তাদের আস্থাও বেড়েছে।

মহাকাশ কেন্দ্রে ৯০ দিনের ভ্রমণ শেষে পৃথিবীতে ফিরেছেন চীনের তিন নভোচারী। ফিরে আসা ছোট্ট ক্যাপসুলটিতে ছিলেন তিন নভোচারী নেই হেইশহেং, লিউ বোমিং ও ট্যাং হংবো। চীনের

স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩৪ মিনিটে উত্তরাঞ্চলের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ইনার মঙ্গোলিয়ায় অবতরণ করেছে ক্যাপসুলটি। খবর বিবিসি-আল জাজিরা’র।

একটি অসম্পূর্ণ মহাকাশ কেন্দ্রে ৯০ দিনের ভ্রমণ শেষে পৃথিবীতে ফিরে এসেছেন চীনের তিন নভোচারী। ২০১৬ সালের পর মহাকাশে এটি চীনের প্রথম কোনো মানববাহী মিশন ছিল।

নিই হাইশেং, লিউ বোমিং এবং টাং হনবোকে নিয়ে মহাকাশযান যখন পৃথিবীর মাটি ছুঁল, বিবিসি

এর আগে গত ১৭ জুন এই মরুভূমি থেকেই পৃথিবী ছেড়ে মহাকাশে পাড়ি জমিয়েছিলেন তিন নভোচারী। সেখানে অবস্থানের সময়টিতে তারা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। মহাকাশে চালানো

নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার তথ্য-উপাত্ত পৃথিবীতে পাঠানোসহ অভিযানের অংশ হিসেবে ঘণ্টাব্যাপী মহাকাশে হাঁটাহাঁটিও করেছেন নভোচারীরা।

চীনের এই সফল অভিযানকে মহাকাশ গবেষণায় দেশটির আস্থা এবং সক্ষমতা আরও বেড়ে যাওয়ারই দৃষ্টান্ত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কয়েক বছর ধরে মহাকাশ গবেষণায় বেশ খানিকটা এগিয়ে গেছে চীন।

২০১৯ সালে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের উল্টোপিঠ বা অদেখা অংশে (ডার্ক সাইড) মানুষবিহীন রোভার পাঠিয়েছিল চীন। তবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের প্রজেক্ট থেকে বাদ পড়ায় চীনকে নিজেদের মহাকাশ স্টেশন তৈরি করতে হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দীর্ঘ ভ্রমণ শেষে পৃথিবীতে ফিরেছেন চীনের তিন নভোচারী

আপডেট সময় : ১০:৩৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

চীন সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য তিনজন নভোচারীকে মহাকাশ মিশনে পাঠানোর পর তারা আবার পৃথিবীতে ফিরে এসেছেন। চীনের এই সফল মহাকাশ অভিযান চীনের মহাকাশ কর্মসূচি

এগিয়ে নেবার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে এবং মহাকাশ গবেষণার দৌড়ে চীন আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ায় তাদের আস্থাও বেড়েছে।

মহাকাশ কেন্দ্রে ৯০ দিনের ভ্রমণ শেষে পৃথিবীতে ফিরেছেন চীনের তিন নভোচারী। ফিরে আসা ছোট্ট ক্যাপসুলটিতে ছিলেন তিন নভোচারী নেই হেইশহেং, লিউ বোমিং ও ট্যাং হংবো। চীনের

স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩৪ মিনিটে উত্তরাঞ্চলের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ইনার মঙ্গোলিয়ায় অবতরণ করেছে ক্যাপসুলটি। খবর বিবিসি-আল জাজিরা’র।

একটি অসম্পূর্ণ মহাকাশ কেন্দ্রে ৯০ দিনের ভ্রমণ শেষে পৃথিবীতে ফিরে এসেছেন চীনের তিন নভোচারী। ২০১৬ সালের পর মহাকাশে এটি চীনের প্রথম কোনো মানববাহী মিশন ছিল।

নিই হাইশেং, লিউ বোমিং এবং টাং হনবোকে নিয়ে মহাকাশযান যখন পৃথিবীর মাটি ছুঁল, বিবিসি

এর আগে গত ১৭ জুন এই মরুভূমি থেকেই পৃথিবী ছেড়ে মহাকাশে পাড়ি জমিয়েছিলেন তিন নভোচারী। সেখানে অবস্থানের সময়টিতে তারা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। মহাকাশে চালানো

নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার তথ্য-উপাত্ত পৃথিবীতে পাঠানোসহ অভিযানের অংশ হিসেবে ঘণ্টাব্যাপী মহাকাশে হাঁটাহাঁটিও করেছেন নভোচারীরা।

চীনের এই সফল অভিযানকে মহাকাশ গবেষণায় দেশটির আস্থা এবং সক্ষমতা আরও বেড়ে যাওয়ারই দৃষ্টান্ত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কয়েক বছর ধরে মহাকাশ গবেষণায় বেশ খানিকটা এগিয়ে গেছে চীন।

২০১৯ সালে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের উল্টোপিঠ বা অদেখা অংশে (ডার্ক সাইড) মানুষবিহীন রোভার পাঠিয়েছিল চীন। তবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের প্রজেক্ট থেকে বাদ পড়ায় চীনকে নিজেদের মহাকাশ স্টেশন তৈরি করতে হয়েছে।