ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারেক রহমানের জামায়াত আমিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ১৮ তারিখ সকালে এমপিদের, বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ গোপন প্রেম, গোপন বিয়ে থেকে করুণ পরিণতি আলোঝলমলে জীবন আর করুণ সমাপ্তি নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদি নয়, থাকবেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা   সার্ক ও মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানাবে বিএনপি অপরাধ দমনে কঠোর বার্তায় আশ্বস্ত সাধারণ মানুষ নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীর হামলায় নিহত অন্তত ৩২ যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুণ্ঠানে নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতি অনিশ্চিত নতুন সরকারের শপথে থাকবেন প্রায় এক হাজার অতিথি

ঢাকার দূষিত পরিবেশে আশার আলো: বুয়েটের পরিবেশবান্ধব ই–রিকশা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬ ১৫২ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার দূষিত পরিবেশে আশার আলো: বুয়েটের পরিবেশবান্ধব ই–রিকশা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকায় কার্যত পরিবেশ বলতে এখন আর কিছু অবশিষ্ট নেই। লাগামহীন যানজট, পুরোনো ও অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনের কালো বিষাক্ত ধোঁয়ায় রাজধানীর বাতাস মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান ক্রমেই ওপরে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যাটারিচালিত অটোর সংখ্যা বাড়লেও সেগুলোর অনিয়ন্ত্রিত চলাচল ও প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতায় সড়কে শৃঙ্খলা ফেরেনি; বরং অনেক এলাকায় চলাচল আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

এমন বাস্তবতায় রাজধানীর পরিবেশ ও গণপরিবহন ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা হিসেবে সামনে এসেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) উদ্ভাবিত পরিবেশবান্ধব ই–রিকশা। বুয়েটের প্রকৌশলীরা দীর্ঘ গবেষণা ও নকশার মাধ্যমে এমন একটি ই–রিকশা তৈরি করেছেন, যা কম শক্তি খরচে চলবে, কার্বন নিঃসরণ প্রায় শূন্য এবং সড়ক নিরাপত্তার দিক থেকেও তুলনামূলক উন্নত।

বুয়েট সূত্র জানায়, এই ই–রিকশায় ব্যবহার করা হয়েছে আধুনিক ব্যাটারি ও শক্তি–সাশ্রয়ী মোটর, যা চার্জে বেশি সময় চলতে সক্ষম। পাশাপাশি এতে রয়েছে উন্নত ব্রেকিং সিস্টেম, নির্ধারিত গতিসীমা এবং মানসম্মত কাঠামো—যা বর্তমানে ঢাকায় চলাচলরত অনেক ব্যাটারিচালিত অটোর ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।

পরিবেশবিদরা বলছেন, পরিকল্পিতভাবে এই ই–রিকশা চালু করা গেলে রাজধানীতে কার্বন নিঃসরণ কমানোর পাশাপাশি স্বল্প দূরত্বের যাতায়াতে স্বস্তি ফিরতে পারে। তবে এর জন্য প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট নীতিমালা, নির্ধারিত রুট এবং নিবন্ধন ও তদারকির কার্যকর ব্যবস্থা।

ঢাকার দূষিত পরিবেশে বুয়েটের এই উদ্যোগ তাই শুধু একটি যানবাহন নয়, বরং পরিবেশবান্ধব নগর পরিবহনের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঢাকার দূষিত পরিবেশে আশার আলো: বুয়েটের পরিবেশবান্ধব ই–রিকশা

আপডেট সময় : ০৪:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকায় কার্যত পরিবেশ বলতে এখন আর কিছু অবশিষ্ট নেই। লাগামহীন যানজট, পুরোনো ও অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনের কালো বিষাক্ত ধোঁয়ায় রাজধানীর বাতাস মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান ক্রমেই ওপরে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যাটারিচালিত অটোর সংখ্যা বাড়লেও সেগুলোর অনিয়ন্ত্রিত চলাচল ও প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতায় সড়কে শৃঙ্খলা ফেরেনি; বরং অনেক এলাকায় চলাচল আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

এমন বাস্তবতায় রাজধানীর পরিবেশ ও গণপরিবহন ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা হিসেবে সামনে এসেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) উদ্ভাবিত পরিবেশবান্ধব ই–রিকশা। বুয়েটের প্রকৌশলীরা দীর্ঘ গবেষণা ও নকশার মাধ্যমে এমন একটি ই–রিকশা তৈরি করেছেন, যা কম শক্তি খরচে চলবে, কার্বন নিঃসরণ প্রায় শূন্য এবং সড়ক নিরাপত্তার দিক থেকেও তুলনামূলক উন্নত।

বুয়েট সূত্র জানায়, এই ই–রিকশায় ব্যবহার করা হয়েছে আধুনিক ব্যাটারি ও শক্তি–সাশ্রয়ী মোটর, যা চার্জে বেশি সময় চলতে সক্ষম। পাশাপাশি এতে রয়েছে উন্নত ব্রেকিং সিস্টেম, নির্ধারিত গতিসীমা এবং মানসম্মত কাঠামো—যা বর্তমানে ঢাকায় চলাচলরত অনেক ব্যাটারিচালিত অটোর ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।

পরিবেশবিদরা বলছেন, পরিকল্পিতভাবে এই ই–রিকশা চালু করা গেলে রাজধানীতে কার্বন নিঃসরণ কমানোর পাশাপাশি স্বল্প দূরত্বের যাতায়াতে স্বস্তি ফিরতে পারে। তবে এর জন্য প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট নীতিমালা, নির্ধারিত রুট এবং নিবন্ধন ও তদারকির কার্যকর ব্যবস্থা।

ঢাকার দূষিত পরিবেশে বুয়েটের এই উদ্যোগ তাই শুধু একটি যানবাহন নয়, বরং পরিবেশবান্ধব নগর পরিবহনের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।