ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

ঢাকার দূষিত পরিবেশে আশার আলো: বুয়েটের পরিবেশবান্ধব ই–রিকশা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬ ৪৩৪ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার দূষিত পরিবেশে আশার আলো: বুয়েটের পরিবেশবান্ধব ই–রিকশা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকায় কার্যত পরিবেশ বলতে এখন আর কিছু অবশিষ্ট নেই। লাগামহীন যানজট, পুরোনো ও অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনের কালো বিষাক্ত ধোঁয়ায় রাজধানীর বাতাস মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান ক্রমেই ওপরে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যাটারিচালিত অটোর সংখ্যা বাড়লেও সেগুলোর অনিয়ন্ত্রিত চলাচল ও প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতায় সড়কে শৃঙ্খলা ফেরেনি; বরং অনেক এলাকায় চলাচল আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

এমন বাস্তবতায় রাজধানীর পরিবেশ ও গণপরিবহন ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা হিসেবে সামনে এসেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) উদ্ভাবিত পরিবেশবান্ধব ই–রিকশা। বুয়েটের প্রকৌশলীরা দীর্ঘ গবেষণা ও নকশার মাধ্যমে এমন একটি ই–রিকশা তৈরি করেছেন, যা কম শক্তি খরচে চলবে, কার্বন নিঃসরণ প্রায় শূন্য এবং সড়ক নিরাপত্তার দিক থেকেও তুলনামূলক উন্নত।

বুয়েট সূত্র জানায়, এই ই–রিকশায় ব্যবহার করা হয়েছে আধুনিক ব্যাটারি ও শক্তি–সাশ্রয়ী মোটর, যা চার্জে বেশি সময় চলতে সক্ষম। পাশাপাশি এতে রয়েছে উন্নত ব্রেকিং সিস্টেম, নির্ধারিত গতিসীমা এবং মানসম্মত কাঠামো—যা বর্তমানে ঢাকায় চলাচলরত অনেক ব্যাটারিচালিত অটোর ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।

পরিবেশবিদরা বলছেন, পরিকল্পিতভাবে এই ই–রিকশা চালু করা গেলে রাজধানীতে কার্বন নিঃসরণ কমানোর পাশাপাশি স্বল্প দূরত্বের যাতায়াতে স্বস্তি ফিরতে পারে। তবে এর জন্য প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট নীতিমালা, নির্ধারিত রুট এবং নিবন্ধন ও তদারকির কার্যকর ব্যবস্থা।

ঢাকার দূষিত পরিবেশে বুয়েটের এই উদ্যোগ তাই শুধু একটি যানবাহন নয়, বরং পরিবেশবান্ধব নগর পরিবহনের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঢাকার দূষিত পরিবেশে আশার আলো: বুয়েটের পরিবেশবান্ধব ই–রিকশা

আপডেট সময় : ০৪:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকায় কার্যত পরিবেশ বলতে এখন আর কিছু অবশিষ্ট নেই। লাগামহীন যানজট, পুরোনো ও অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনের কালো বিষাক্ত ধোঁয়ায় রাজধানীর বাতাস মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান ক্রমেই ওপরে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যাটারিচালিত অটোর সংখ্যা বাড়লেও সেগুলোর অনিয়ন্ত্রিত চলাচল ও প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতায় সড়কে শৃঙ্খলা ফেরেনি; বরং অনেক এলাকায় চলাচল আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

এমন বাস্তবতায় রাজধানীর পরিবেশ ও গণপরিবহন ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা হিসেবে সামনে এসেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) উদ্ভাবিত পরিবেশবান্ধব ই–রিকশা। বুয়েটের প্রকৌশলীরা দীর্ঘ গবেষণা ও নকশার মাধ্যমে এমন একটি ই–রিকশা তৈরি করেছেন, যা কম শক্তি খরচে চলবে, কার্বন নিঃসরণ প্রায় শূন্য এবং সড়ক নিরাপত্তার দিক থেকেও তুলনামূলক উন্নত।

বুয়েট সূত্র জানায়, এই ই–রিকশায় ব্যবহার করা হয়েছে আধুনিক ব্যাটারি ও শক্তি–সাশ্রয়ী মোটর, যা চার্জে বেশি সময় চলতে সক্ষম। পাশাপাশি এতে রয়েছে উন্নত ব্রেকিং সিস্টেম, নির্ধারিত গতিসীমা এবং মানসম্মত কাঠামো—যা বর্তমানে ঢাকায় চলাচলরত অনেক ব্যাটারিচালিত অটোর ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।

পরিবেশবিদরা বলছেন, পরিকল্পিতভাবে এই ই–রিকশা চালু করা গেলে রাজধানীতে কার্বন নিঃসরণ কমানোর পাশাপাশি স্বল্প দূরত্বের যাতায়াতে স্বস্তি ফিরতে পারে। তবে এর জন্য প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট নীতিমালা, নির্ধারিত রুট এবং নিবন্ধন ও তদারকির কার্যকর ব্যবস্থা।

ঢাকার দূষিত পরিবেশে বুয়েটের এই উদ্যোগ তাই শুধু একটি যানবাহন নয়, বরং পরিবেশবান্ধব নগর পরিবহনের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।