ঢাকা ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমঝোতা না হলে ইরানে আবারও হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের দেশ গঠনে নাগরিক দায়িত্ব আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঈদের টানা সাতদিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত ঢাকায় পশু কোরবানি ৭লাখ: সাভার ট্যানারী পল্লীতে চামড়া  ঢুকেছে সোয়া ৫ লাখ প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে  ৪১৯ জন হজযাত্রী ঢাকায় পৌঁছেছেন চামড়া: অর্থনীতিতে আয়ের উৎস, সেই মূল্যবান সম্পদের এমন অর্থহীন পরিণতি! সড়ক নয়, যেন মৃত্যুর উপত্যকা! লোবানের গন্ধে ফিকে ঈদের আনন্দ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে  উল্লেখযোগ্য পতন, কেন? ঈদুল আজহায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও জনগণকে নরেন্দ্র মোদীর শুভেচ্ছা দেশজুড়ে উৎসবের আমেজে উদযাপিত পবিত্র ঈদুল আজহা

ডলারের পরিবর্তে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য চায় চীন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ ৩৫৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

ভারতের পর ঢাকার সঙ্গে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্যের প্রস্তাব দিল চীনের। ডলার সঙ্কটের মধ্যে স্থানীয় মুদ্রায় ২০২৩ সালে

ভারতের সঙ্গে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্যেও সূচনা হয়। এবারে চীনও বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য করতে প্রস্তাব দিল। গত বছর

জুলাই মাসে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য চালু হয়।

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন মঙ্গলবার পরিকল্পনামন্ত্রী আবদুস সালামের সাক্ষাত শেষে সাংবাদিকদের

এসব তথ্য জানান। চীনা রাষ্ট্রদূতের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রানীতির কারণে ডলারের দাম ওঠানামা করছে। এ জন্য

বাংলাদেশের কাছে  বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দেশটি চায় ডলার নয়,

স্থানীয় মুদ্রায়ই হবে  বাণিজ্য। তাতে উভয় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে।

ইয়াও ওয়েন জানান, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীন এখন বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে নিজস্ব মুদ্রা ইউয়ানে বাণিজ্য করছে। ইউয়ান যাতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আরও বেশি ব্যবহার করা হয়, দেশটি অনেক দিন ধরে সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্ব বাণিজ্যে মার্কিন মুদ্রা ডলারের আধিপত্য কমাতে যেসব দেশ চেষ্টা করছে, চীন তাদের অন্যতম।

বৈঠকে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার বড় সুযোগ রয়েছে। চীনে এখন ১৪তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হচ্ছে। চীনে ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিফর্মস কমিটি আছে, যা বাংলাদেশের পরিকল্পনা কমিশনের মতো। এই দুই কমিটি একসঙ্গে কাজ করতে পারে। আমরা দুই দেশের সহযোগিতার সম্পর্কের নতুন মাত্রা খুঁজছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ডলারের পরিবর্তে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য চায় চীন

আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৪

 

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

ভারতের পর ঢাকার সঙ্গে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্যের প্রস্তাব দিল চীনের। ডলার সঙ্কটের মধ্যে স্থানীয় মুদ্রায় ২০২৩ সালে

ভারতের সঙ্গে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্যেও সূচনা হয়। এবারে চীনও বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য করতে প্রস্তাব দিল। গত বছর

জুলাই মাসে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য চালু হয়।

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন মঙ্গলবার পরিকল্পনামন্ত্রী আবদুস সালামের সাক্ষাত শেষে সাংবাদিকদের

এসব তথ্য জানান। চীনা রাষ্ট্রদূতের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রানীতির কারণে ডলারের দাম ওঠানামা করছে। এ জন্য

বাংলাদেশের কাছে  বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দেশটি চায় ডলার নয়,

স্থানীয় মুদ্রায়ই হবে  বাণিজ্য। তাতে উভয় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে।

ইয়াও ওয়েন জানান, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীন এখন বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে নিজস্ব মুদ্রা ইউয়ানে বাণিজ্য করছে। ইউয়ান যাতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আরও বেশি ব্যবহার করা হয়, দেশটি অনেক দিন ধরে সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্ব বাণিজ্যে মার্কিন মুদ্রা ডলারের আধিপত্য কমাতে যেসব দেশ চেষ্টা করছে, চীন তাদের অন্যতম।

বৈঠকে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার বড় সুযোগ রয়েছে। চীনে এখন ১৪তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হচ্ছে। চীনে ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিফর্মস কমিটি আছে, যা বাংলাদেশের পরিকল্পনা কমিশনের মতো। এই দুই কমিটি একসঙ্গে কাজ করতে পারে। আমরা দুই দেশের সহযোগিতার সম্পর্কের নতুন মাত্রা খুঁজছি।