ঢাকা ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজনৈতিক ব্যবহারের অবসান চায় সরকার, আসছে নতুন এলিট ফোর্স রাতে মদের আসরে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, সকালে ধৃত ৩ ধর্ষক ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার নির্ধারণ ৩ লাখ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালনে বিএনপির ৮ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের  হত্যার ফরমান নিয়ে দিনযাপন করছেন, জুলাই যোদ্ধা আমিরুল সীমান্তে অবৈধ গবাদিপশু প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবিকে কঠোর নজরদারির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ: মধ্যপ্রাচ্যে শক্তির নতুন বার্তা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিতে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হবে: তথ্যমন্ত্রী পেট্রোবাংলার  চেয়ারম্যানের দায়িত্বে অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মান্নান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত

ফ্রি স্টাইল যান চলাচলের দিন শেষ কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে ডিএমপি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৯:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে

ফিাইল ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানী ঢাকায় ট্রাফিক আইন ভাঙার যে বেপরোয়া সংস্কৃতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, তা বন্ধে এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। “ফ্রি স্টাইল” যান চলাচলের দিন শেষ, এমন স্পষ্ট বার্তা দিয়েই ই-প্রসিকিউশন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, এখন থেকে সিসি ক্যামেরা ও ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্ত করে সরাসরি মামলা দেওয়া হচ্ছে।

রেজিস্ট্রেশনবিহীন যানবাহন, ফিটনেসহীন গাড়ি, অবৈধ পার্কিং কিংবা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি-কোনো অপরাধই আর নজর এড়াবে না।

প্রতিটি অপরাধের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিশ তৈরি করে তা সংশ্লিষ্ট মালিক বা চালকের ঠিকানায় পাঠানো হচ্ছে।

নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির হয়ে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী জরিমানা পরিশোধ করতে হবে। তা না করলে পরিস্থিতি হবে আরও কঠিন, সমন জারি, এমনকি গ্রেফতারি পরোয়ানাও হতে পারে। কোনোভাবেই আইনের বাইরে থাকার সুযোগ নেই।

ডিএমপি স্পষ্ট করে দিয়েছে, এই উদ্যোগ শুধুমাত্র শাস্তির জন্য নয়; বরং যানজট কমানো, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো এবং আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই এর লক্ষ্য। তবে আইন ভাঙলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এ বিষয়ে কোনো ছাড় নেই।

একই সঙ্গে সাধারণ জনগণকে সতর্ক করা হয়েছে, সিসি ক্যামেরা বা ভিডিও মামলার নামে কেউ যদি অর্থ দাবি করে বা ব্যক্তিগত তথ্য চায়, তাহলে তা প্রতারণা হিসেবে গণ্য হবে। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় বা ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সংক্ষেপে বার্তা একটাই: এখন থেকে ঢাকার সড়কে আইন ভাঙা মানেই সরাসরি আইনের মুখোমুখি হওয়া। আর অবহেলা নয়, শৃঙ্খলাই হবে একমাত্র পথ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ফ্রি স্টাইল যান চলাচলের দিন শেষ কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে ডিএমপি

আপডেট সময় : ০৮:৪৯:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

রাজধানী ঢাকায় ট্রাফিক আইন ভাঙার যে বেপরোয়া সংস্কৃতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, তা বন্ধে এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। “ফ্রি স্টাইল” যান চলাচলের দিন শেষ, এমন স্পষ্ট বার্তা দিয়েই ই-প্রসিকিউশন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, এখন থেকে সিসি ক্যামেরা ও ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্ত করে সরাসরি মামলা দেওয়া হচ্ছে।

রেজিস্ট্রেশনবিহীন যানবাহন, ফিটনেসহীন গাড়ি, অবৈধ পার্কিং কিংবা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি-কোনো অপরাধই আর নজর এড়াবে না।

প্রতিটি অপরাধের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিশ তৈরি করে তা সংশ্লিষ্ট মালিক বা চালকের ঠিকানায় পাঠানো হচ্ছে।

নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির হয়ে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী জরিমানা পরিশোধ করতে হবে। তা না করলে পরিস্থিতি হবে আরও কঠিন, সমন জারি, এমনকি গ্রেফতারি পরোয়ানাও হতে পারে। কোনোভাবেই আইনের বাইরে থাকার সুযোগ নেই।

ডিএমপি স্পষ্ট করে দিয়েছে, এই উদ্যোগ শুধুমাত্র শাস্তির জন্য নয়; বরং যানজট কমানো, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো এবং আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই এর লক্ষ্য। তবে আইন ভাঙলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এ বিষয়ে কোনো ছাড় নেই।

একই সঙ্গে সাধারণ জনগণকে সতর্ক করা হয়েছে, সিসি ক্যামেরা বা ভিডিও মামলার নামে কেউ যদি অর্থ দাবি করে বা ব্যক্তিগত তথ্য চায়, তাহলে তা প্রতারণা হিসেবে গণ্য হবে। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় বা ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সংক্ষেপে বার্তা একটাই: এখন থেকে ঢাকার সড়কে আইন ভাঙা মানেই সরাসরি আইনের মুখোমুখি হওয়া। আর অবহেলা নয়, শৃঙ্খলাই হবে একমাত্র পথ।