ঢাকা ১০:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিনিয়োগ, কৌশলগত অংশীদারত্ব ও রাজনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক বাজারে ইলিশ রপ্তানির সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অগ্রযাত্রা পলাশীর ইতিহাস বাংলাকে শ্মশানে পরিণত করার ইতিহাস দুর্যোগকবলিত উপকূল সুরক্ষায় জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক স্থগিত ট্রাম্পের অযৌক্তিক যুদ্ধ ও অবাস্তব প্রত্যাশার ফল  ইরান চুক্তি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে নতুন মোড় দশকের বৈরিতার পর সমঝোতা নতুন অধ্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরীমনির সঙ্গে ‘অনৈতিক সম্পর্ক’ অভিযোগে চাকরি হারালেন অতিরিক্ত এসপি গোলাম সাকলায়েন

আজ সকালে দেশে ফিরেছেন ক্রিকেটাররা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৭:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪ ২৩২ বার পড়া হয়েছে

আজ সকালে দেশে ফিরেছেন ক্রিকেটাররা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

টি-২০ বিশ্বকাপে ব্যর্থ মিশন শেষে শুক্রবার (২৮ জুন) দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। যুক্তরাষ্ট্র এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে হওয়া এ আসর থেকে বিদায় নিয়ে আজ সকাল ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পা রাখেন ক্রিকেটাররা।

বিশ্বকাপের নবম আসরে মিশ্র অভিজ্ঞতা হয়েছে বাংলাদেশের। গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর সুপার এইটে ভক্তদের হতাশ করেছে টাইগাররা। তারপরও ম্যাচ জয়ের হিসেবে এটা বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এবারের বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ। এক আসরে সর্বোচ্চ তিন ম্যাচ জয়ের নজির এবারই গড়লো টাইগাররা।

গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২ উইকেটের রোমাঞ্চকর জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করে বাংলাদেশ। পরের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৪ রানে হেরে যায় টাইগাররা। গ্রুপ পর্বে শেষ দুই ম্যাচে নেদারল্যান্ডস এবং নেপালকে হারিয়ে নিজেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বারের মতো সুপার এইট নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।

গ্রুপ পর্বে চার ম্যাচের সবগুলোই মন্থর উইকেটে খেলেছে বাংলাদেশ। যা অনেকটাই ঘরের উইকেটের মতো। ওই ম্যাচগুলোতে বোলাররা সফল হলেও ব্যাটারদের পারফরমেন্স ছিল খুবই হতাশাজনক।

তবে অ্যান্টিগায় ভালো উইকেট পেলেও, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের কাছে হেরে যায় বাংলাদেশ। তারপরও টুর্নামেন্টের কিছু সমীকরণে সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ তৈরি হয়েছিল তাদের।

সুপার এইটে নিজেদের শেষ ম্যাচে দারুন বোলিং নৈপুণ্যে আফগানিস্তানকে ১১৫ রানের বেশি করতে দেয়নি বাংলাদেশের বোলাররা। সেমিফাইনালে যেতে হেলে ১২ দশমিক ১ ওভারে ১১৬ রান করতে হতো টাইগারদের। কিন্তু সেই টার্গেট স্পর্শ করার জন্য দ্রুত রান তোলার কোনও মনমানসিকতাই দেখা যায়নি বাংলাদেশ দলের মধ্যে।

সেমিফাইনালে ওঠার সমীকরণের পেছনে না ছুটে ধীরলয়ে ম্যাচ জয়ের পথ বেছে নেয় তারা। তারপরও বৃষ্টি আইনে ৮ রানে হেরে যায় তারা। আক্রমনাত্মক ক্রিকেট না খেলার কারণে শুধুমাত্র দেশেই নয়, সারা ক্রিকেট বিশ্ব থেকে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে বাংলাদেশ দল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আজ সকালে দেশে ফিরেছেন ক্রিকেটাররা

আপডেট সময় : ১১:৪৭:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪

 

টি-২০ বিশ্বকাপে ব্যর্থ মিশন শেষে শুক্রবার (২৮ জুন) দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। যুক্তরাষ্ট্র এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে হওয়া এ আসর থেকে বিদায় নিয়ে আজ সকাল ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পা রাখেন ক্রিকেটাররা।

বিশ্বকাপের নবম আসরে মিশ্র অভিজ্ঞতা হয়েছে বাংলাদেশের। গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর সুপার এইটে ভক্তদের হতাশ করেছে টাইগাররা। তারপরও ম্যাচ জয়ের হিসেবে এটা বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এবারের বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ। এক আসরে সর্বোচ্চ তিন ম্যাচ জয়ের নজির এবারই গড়লো টাইগাররা।

গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২ উইকেটের রোমাঞ্চকর জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করে বাংলাদেশ। পরের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৪ রানে হেরে যায় টাইগাররা। গ্রুপ পর্বে শেষ দুই ম্যাচে নেদারল্যান্ডস এবং নেপালকে হারিয়ে নিজেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বারের মতো সুপার এইট নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।

গ্রুপ পর্বে চার ম্যাচের সবগুলোই মন্থর উইকেটে খেলেছে বাংলাদেশ। যা অনেকটাই ঘরের উইকেটের মতো। ওই ম্যাচগুলোতে বোলাররা সফল হলেও ব্যাটারদের পারফরমেন্স ছিল খুবই হতাশাজনক।

তবে অ্যান্টিগায় ভালো উইকেট পেলেও, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের কাছে হেরে যায় বাংলাদেশ। তারপরও টুর্নামেন্টের কিছু সমীকরণে সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ তৈরি হয়েছিল তাদের।

সুপার এইটে নিজেদের শেষ ম্যাচে দারুন বোলিং নৈপুণ্যে আফগানিস্তানকে ১১৫ রানের বেশি করতে দেয়নি বাংলাদেশের বোলাররা। সেমিফাইনালে যেতে হেলে ১২ দশমিক ১ ওভারে ১১৬ রান করতে হতো টাইগারদের। কিন্তু সেই টার্গেট স্পর্শ করার জন্য দ্রুত রান তোলার কোনও মনমানসিকতাই দেখা যায়নি বাংলাদেশ দলের মধ্যে।

সেমিফাইনালে ওঠার সমীকরণের পেছনে না ছুটে ধীরলয়ে ম্যাচ জয়ের পথ বেছে নেয় তারা। তারপরও বৃষ্টি আইনে ৮ রানে হেরে যায় তারা। আক্রমনাত্মক ক্রিকেট না খেলার কারণে শুধুমাত্র দেশেই নয়, সারা ক্রিকেট বিশ্ব থেকে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে বাংলাদেশ দল।