ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

অভুক্ত শ্রমিকদের কাছে সামাজিক দূরত্ব নস্যি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২০ ৬৬৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অভুক্ত শ্রমিকদের কাছে সামাজিক দূরত্ব নস্যি
ভয়েস ডেস্ক :
মার্চ মাসের বেতন-ভাতা মেলেনি তাদের। বার বার ঘর ভাড়ার তাগিদ দিচ্ছেন বাড়িওয়ালা। সন্তানের দুধ নেই। ঘরের খাবারও শেষ। এমন পরিস্থিতি পোশাক শ্রমিকদের বেতন ভাতা পরিশোধ না করে গা ঢাকা দিয়েছে মালিক পক্ষের একাংশ। মার্চের মাসের বেতন পাবেন এবং ৫ এপ্রিল থেকে পোশাক কারখানা খুলবে এমন খবরে লকডাউন, সামাজিক নিরাপত্তার তোয়াক্কা না করে বেতন ভাতার আশায় হাজারো শ্রমিক মাইলের পর মাইল পায়ে হেটে ঢাকায় পৌছেন ৪ এপ্রিল। কিন্তু ১২ এপ্রিল পর্যন্ত তারা বেতন পাননি। এ অবস্থায় সামাজিক দূরত্ব মেনে চলাটা খেটে খাওয়া শ্রমিকের কাছে নস্যি। ভরদুপুরে কারখানা ছেড়ে জ¦লন্ত সূর্য মাথায় নিয়ে রাস্তায় বেড়িয়ে আসেন হাজার হাজার পোশাক শ্রমিক। রাজধানীর ঢাকার অদূরে গাজিপুর ও সাভারের আশুলিয়ায় প্রায় ২০/৩০টি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা রাস্তায় বিক্ষোভ দেখায়। বিক্ষোরত শ্রমিকরা বলেছেন, করোনাভাইরাসের ভয়ে মানুষ যেখানে ঘরের বাইরে পা রাখছেন না, সেখানে আমরা ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় প্রায় হেটেই আসতে হয়েছে। ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। ৫ এপ্রিল থেকে পোশাক কারখানা খুলবে এই খবরে করোনার তোয়াক্কা না করেই ঢাকায় পৌছান তারা। মার্চ মাসের ঘর ভাড়ার জন্য বাড়ির মালিক বার বার তাগিদ দিচ্ছে। ঘরে খাবার নেই। এ অবস্থায় মালিক বেতন দিচ্ছেন না। অথচ করোনাভাইরাস জনিত অর্থনৈতিক সংকট সামাল দিতে গার্মেন্টসসহ রপ্তানি খাতের পাঁচ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা দিয়েছে সরকার। এই টাকায় একমাত্র শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করতে হবে, এমন শর্ত জুড়ে দিয়েই ১ এপ্রিল রূপরেখা চূড়ান্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু ১২ দিনের মাথায় বেতনের দাবিতে রাস্তায় নামতে হলো পোশাক শ্রমিকদের। শ্রমিকরা জানান, কর্তৃপক্ষ বেতন না দেওয়ায় আমরা বিক্ষোভ করতে বাধ্য হচ্ছি। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ পাইনি, বেতনও না পেলে পরিবার নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে। গার্মেন্টস শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের সদস্য সচিব বদরুদ্দোজা নিজাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রমিকদের জন্য যে প্রনোদনা দিয়েছেন, তাতে বহু পোশাক কারখানার মালিকই অখুশি। কারণ, এক্ষেত্রে মালিকরা লাভবান হতে পারেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অভুক্ত শ্রমিকদের কাছে সামাজিক দূরত্ব নস্যি

আপডেট সময় : ০৫:১৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২০

অভুক্ত শ্রমিকদের কাছে সামাজিক দূরত্ব নস্যি
ভয়েস ডেস্ক :
মার্চ মাসের বেতন-ভাতা মেলেনি তাদের। বার বার ঘর ভাড়ার তাগিদ দিচ্ছেন বাড়িওয়ালা। সন্তানের দুধ নেই। ঘরের খাবারও শেষ। এমন পরিস্থিতি পোশাক শ্রমিকদের বেতন ভাতা পরিশোধ না করে গা ঢাকা দিয়েছে মালিক পক্ষের একাংশ। মার্চের মাসের বেতন পাবেন এবং ৫ এপ্রিল থেকে পোশাক কারখানা খুলবে এমন খবরে লকডাউন, সামাজিক নিরাপত্তার তোয়াক্কা না করে বেতন ভাতার আশায় হাজারো শ্রমিক মাইলের পর মাইল পায়ে হেটে ঢাকায় পৌছেন ৪ এপ্রিল। কিন্তু ১২ এপ্রিল পর্যন্ত তারা বেতন পাননি। এ অবস্থায় সামাজিক দূরত্ব মেনে চলাটা খেটে খাওয়া শ্রমিকের কাছে নস্যি। ভরদুপুরে কারখানা ছেড়ে জ¦লন্ত সূর্য মাথায় নিয়ে রাস্তায় বেড়িয়ে আসেন হাজার হাজার পোশাক শ্রমিক। রাজধানীর ঢাকার অদূরে গাজিপুর ও সাভারের আশুলিয়ায় প্রায় ২০/৩০টি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা রাস্তায় বিক্ষোভ দেখায়। বিক্ষোরত শ্রমিকরা বলেছেন, করোনাভাইরাসের ভয়ে মানুষ যেখানে ঘরের বাইরে পা রাখছেন না, সেখানে আমরা ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় প্রায় হেটেই আসতে হয়েছে। ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। ৫ এপ্রিল থেকে পোশাক কারখানা খুলবে এই খবরে করোনার তোয়াক্কা না করেই ঢাকায় পৌছান তারা। মার্চ মাসের ঘর ভাড়ার জন্য বাড়ির মালিক বার বার তাগিদ দিচ্ছে। ঘরে খাবার নেই। এ অবস্থায় মালিক বেতন দিচ্ছেন না। অথচ করোনাভাইরাস জনিত অর্থনৈতিক সংকট সামাল দিতে গার্মেন্টসসহ রপ্তানি খাতের পাঁচ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা দিয়েছে সরকার। এই টাকায় একমাত্র শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করতে হবে, এমন শর্ত জুড়ে দিয়েই ১ এপ্রিল রূপরেখা চূড়ান্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু ১২ দিনের মাথায় বেতনের দাবিতে রাস্তায় নামতে হলো পোশাক শ্রমিকদের। শ্রমিকরা জানান, কর্তৃপক্ষ বেতন না দেওয়ায় আমরা বিক্ষোভ করতে বাধ্য হচ্ছি। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ পাইনি, বেতনও না পেলে পরিবার নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে। গার্মেন্টস শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের সদস্য সচিব বদরুদ্দোজা নিজাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রমিকদের জন্য যে প্রনোদনা দিয়েছেন, তাতে বহু পোশাক কারখানার মালিকই অখুশি। কারণ, এক্ষেত্রে মালিকরা লাভবান হতে পারেননি।