হত্যা, ক্যাম্পাসে নির্যাতনের দায়ে ‘ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ’
- আপডেট সময় : ১০:৩২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৪ ১৫০ বার পড়া হয়েছে
হত্যা, ক্যাম্পাসে নির্যাতন, সিট বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, ধর্ষণসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কাজে জড়িত থাকার দায়ে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী সন্ত্রাসী সত্তা হিসেবে তালিকাভুক্ত করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আওয়ামী লীগ সরকার পতনে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবির মুখে সন্ত্রাসী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা কওে সরকার। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে যখন ছাত্র-জনতা রাষ্ট্রপতির বাসভবন বঙ্গভবন ঘিরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে, ঠিক সময় ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধের ঘোষণা আসলো।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ এর ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১)-এ দেওয়া ক্ষমতাবলে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করল সরকার। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের এই ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে কোটা সংস্কার ও সরকার পতন আন্দোলন চলাকালে ছাত্র-জনতা হত্যা ও অসংখ্য মানুষের জীবন বিপন্ন করা এবং বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বুধবার (২৩ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক শাখা- ২।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে বিশেষ করে বিগত ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হত্যা, নির্যাতন, গণরুমকেন্দ্রিক নিপীড়ন, ছাত্রাবাসে সিট বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নসহ নানাবিধ জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল এবং এ সম্পর্কে প্রামাণ্য তথ্য দেশের সব প্রধান গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং কিছু সন্ত্রাসী ঘটনায় সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের অপরাধ আদালতেও প্রমাণিত হয়েছে।




















