ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

মার্কিন কমিশনের রিপোর্ট আরএসএস ও ‘র’-এর ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ, ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৮:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ ১৫৮ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন কমিশনের রিপোর্ট আরএসএস ও ‘র’-এর ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ, ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রভাবশালী কমিশনের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ভারতের ধর্মীয় স্বাধীনতা পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক মার্কিন কমিশন –এর ২০২৬ সালের রিপোর্টে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) এবং ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা গবেষণা ও বিশ্লেষণ শাখা (‘র’)-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, এসব সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া এবং সেখানে অবস্থানকারীদের সম্পদ জব্দ করার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। একই সঙ্গে ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা পরিস্থিতির অবনতির অভিযোগ তুলে দেশটিকে ‘সিপিসি’ বিশেষ উদ্বেগের দেশ হিসাবে তালিকায় রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।

রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, ভারতে সাম্প্রতিক সময়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা এবং মব সহিংসতার ঘটনা বেড়েছে। ধর্মান্তরকরণ বা গরু পাচারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন ও গণপিটুনির ঘটনাগুলোকে উদ্বেগজনক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

এছাড়া ভারতের বিভিন্ন আইন ও নীতিরও কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে প্রতিবেদনে। বিশেষ করে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ), জাতীয় নাগরিক পঞ্জিকা (এনআরসি), বিভিন্ন রাজ্যের ধর্মান্তরবিরোধী আইন এবং গো–রক্ষা আইনকে সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে তৈরি বলেও অভিযোগ করা হয়।

পাশাপাশি ওয়াকফ আইন, সন্ত্রাস দমন আইন ইউএপিএ এবং এনজিওগুলোর বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এসব আইনের কারণে সংখ্যালঘু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি ও উপাসনালয় ভেঙে দেওয়ার ঘটনাও তুলে ধরা হয়েছে।

রিপোর্টে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে আহ্বান জানানো হয়েছে, ভারতের সঙ্গে ভবিষ্যৎ বাণিজ্য, সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে দেশটিতে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চাপ সৃষ্টি করার জন্য।

তবে এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় । তারা রিপোর্টটিকে ‘একপেশে’ ও ‘অযৌক্তিক’ বলে আখ্যা দিয়ে তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।

একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয়দের ওপর হামলার ঘটনাগুলোর প্রসঙ্গ তুলে ধরে এই প্রতিবেদনের সমালোচনা করেছে নয়াদিল্লি।

সব মিলিয়ে, এই প্রতিবেদনকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র–ভারত সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ধর্মীয় স্বাধীনতা ইস্যুতে নতুন করে আলোচনা শুরু হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :