ঢাকা ০৭:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইসলামবিদ্বেষ রোধে বৈশ্বিক জিরো টলারেন্স নীতির ডাক বেইজিংয়ের ঈদের ছুটিতেও দায়িত্বে অবিচল প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার চাঁদ দেখা গেলে শুক্রবার ঈদ স্বস্তির ঈদযাত্রা: নির্বিঘ্নে ঢাকা ছাড়ছেন লাখো মানুষ মার্কিন কমিশনের রিপোর্ট আরএসএস ও ‘র’-এর ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ, ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া ইরান যুদ্ধে সমর্থন নেই’ মার্কিন  এনসিটিসি প্রধানের পদত্যাগ পহেলা বৈশাখে  কৃষক কার্ড বিতরণের যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মহাসড়ক উন্নয়নে দ্রুত সুখবরের আশ্বাস, গোমা সেতু উদ্বোধন শিলাবৃষ্টির আতঙ্কে ধর্মপাশা-মধ্যনগরের কৃষক, ফসল রক্ষায় দুশ্চিন্তা বাড়ছে কৃষকের কল্যাণে দোয়া ও ইফতার, ভোলায় মানবিকতা ও সংহতির অনন্য আয়োজন

স্বস্তির ঈদযাত্রা: নির্বিঘ্নে ঢাকা ছাড়ছেন লাখো মানুষ

আমিনুল হক ভূইয়া  
  • আপডেট সময় : ০৪:৩২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ ৫৭ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দৃশ্য

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্বস্তির যাত্রায় গ্রামের পথে ছুটছেন লাখো মানুষ। পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানী ছেড়ে আপনজনের কাছে ফিরতে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার যাত্রাপথ অনেকটাই স্বস্তিদায়ক বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।

সড়ক, রেল ও নৌপথে যাত্রীদের চাপ থাকলেও বড় ধরনের ভোগান্তির খবর মেলেনি। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে সারা দেশে ২০৭টি যানজটপ্রবণ স্পট চিহ্নিত করে আগাম ব্যবস্থা নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এসব স্থানে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে এবং বিকল্প পথ ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনেও দেখা গেছে স্বস্তির চিত্র।

নির্ধারিত সময়েই ট্রেন ছেড়ে যাচ্ছে, টিকিট নিয়ে বিশৃঙ্খলাও তুলনামূলক কম। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে রয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতায়। অতিরিক্ত ভাড়া, চাঁদাবাজি ও যাত্রী হয়রানি রোধে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। ফলে এবারের ঈদযাত্রা অনেকটাই নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ ছুটির সুফল স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন হাজারো মানুষ।

তবে প্রতি বছরের মতো ভোগান্তির চিত্র এবার অনেকটাই ভিন্ন। দীর্ঘ ছুটি, উন্নত সড়ক ব্যবস্থা এবং প্রশাসনের তৎপরতায় এবারের ঈদযাত্রা হয়ে উঠেছে স্বস্তিদায়ক ও নির্বিঘ্ন। সরকারের তরফে বলা হয়েছে,  ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে সারা দেশে ২০৭টি সম্ভাব্য যানজটপ্রবণ স্পট চিহ্নিত করে আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর সুফলও মিলছে চোখে পড়ার মতো। দেশের প্রধান মহাসড়কগুলোতে নেই চিরচেনা যানজট, নেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকার দুর্ভোগ। বাস, ট্রেন ও লঞ্চ নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে যাচ্ছে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে।

বিশেষ করে পদ্মা সেতু ও যমুনা সেতুকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ ও উত্তরাঞ্চলের যাত্রীদের যাত্রা হয়েছে অনেক সহজ। হাজারো মানুষ নির্বিঘ্নে নিজ নিজ গ্রামে ফিরছেন। উন্নত সড়ক অবকাঠামো এবং সেতুগুলোর কারণে যাত্রাপথে সময় কমে এসেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনেও স্বস্তির চিত্র। ভিড় থাকলেও নেই বিশৃঙ্খলা বা হুড়োহুড়ি। যাত্রীরা নির্বিঘ্নে স্টেশনে প্রবেশ করে নির্ধারিত ট্রেনে উঠছেন।

স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন ৫৫টি ট্রেন চলাচল করছে, যার মধ্যে ৪৪টি আন্তঃনগর এবং কয়েকটি বিশেষ ট্রেন রয়েছে।  এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটেনি, যা যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি এনে দিয়েছে।

স্বস্তির ঈদযাত্রা: নির্বিঘ্নে ঢাকা ছাড়ছেন লাখো মানুষ
কমলাপুর স্টেশনে নেই কোন বিশৃঙ্খলা : ছবি সংগ্রহ

এবারের ঈদে প্রায় দেড় কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে দীর্ঘ ছুটির কারণে যাত্রা একদিনে কেন্দ্রীভূত না হয়ে কয়েকদিন ধরে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে করে মহাসড়কে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়নি এবং যানজটও কমেছে। উত্তরবঙ্গমুখী যাত্রাপথেও একই স্বস্তির চিত্র দেখা গেছে। যমুনা সেতুর পশ্চিমাংশ, বিশেষ করে সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে নেই আগের মতো যানজট বা ভোগান্তি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ১১টি উড়াল সেতু ও হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের সার্ভিস সড়ক চালু হওয়ায় যান চলাচল অনেক বেশি গতিশীল হয়েছে।

যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৪৭ হাজার যানবাহন সেতুটি পারাপার করেছে, যা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ টোল আদায় হয়েছে। এত বিপুল যান চলাচল সত্ত্বেও কোথাও বড় ধরনের যানজট সৃষ্টি হয়নি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও মাঠে রয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতায়। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, চাঁদাবাজি ও যাত্রী হয়রানি রোধে বিভিন্ন স্থানে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশের সমন্বয়ে কাজ চলছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কিছু নতুন উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভ্রাম্যমাণ ওয়ার্কশপ, যা ২৪ ঘণ্টা চালু রয়েছে। কোনো গাড়ি নষ্ট হলে তাৎক্ষণিকভাবে মেরামতের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া জরুরি জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

তবে সবকিছুর মাঝেও কিছু ঝুঁকিপূর্ণ চিত্র দেখা গেছে। অনেক যাত্রী এখনো খোলা ট্রাক বা পিকআপ ভ্যানে করে যাতায়াত করছেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ। সংশ্লিষ্টরা এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। সব মিলিয়ে বলা যায়, দীর্ঘদিনের ভোগান্তির চিত্র থেকে বেরিয়ে এসে এবারের ঈদযাত্রা অনেকটাই স্বস্তির।

উন্নত অবকাঠামো, কার্যকর পরিকল্পনা এবং প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকার কারণে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা হয়েছে সহজ, নিরাপদ ও আনন্দময়। প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে এমন নির্বিঘ্ন যাত্রা নিঃসন্দেহে সবার জন্য স্বস্তির বার্তা হয়ে এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

স্বস্তির ঈদযাত্রা: নির্বিঘ্নে ঢাকা ছাড়ছেন লাখো মানুষ

আপডেট সময় : ০৪:৩২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

স্বস্তির যাত্রায় গ্রামের পথে ছুটছেন লাখো মানুষ। পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানী ছেড়ে আপনজনের কাছে ফিরতে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার যাত্রাপথ অনেকটাই স্বস্তিদায়ক বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।

সড়ক, রেল ও নৌপথে যাত্রীদের চাপ থাকলেও বড় ধরনের ভোগান্তির খবর মেলেনি। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে সারা দেশে ২০৭টি যানজটপ্রবণ স্পট চিহ্নিত করে আগাম ব্যবস্থা নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এসব স্থানে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে এবং বিকল্প পথ ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনেও দেখা গেছে স্বস্তির চিত্র।

নির্ধারিত সময়েই ট্রেন ছেড়ে যাচ্ছে, টিকিট নিয়ে বিশৃঙ্খলাও তুলনামূলক কম। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে রয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতায়। অতিরিক্ত ভাড়া, চাঁদাবাজি ও যাত্রী হয়রানি রোধে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। ফলে এবারের ঈদযাত্রা অনেকটাই নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ ছুটির সুফল স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন হাজারো মানুষ।

তবে প্রতি বছরের মতো ভোগান্তির চিত্র এবার অনেকটাই ভিন্ন। দীর্ঘ ছুটি, উন্নত সড়ক ব্যবস্থা এবং প্রশাসনের তৎপরতায় এবারের ঈদযাত্রা হয়ে উঠেছে স্বস্তিদায়ক ও নির্বিঘ্ন। সরকারের তরফে বলা হয়েছে,  ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে সারা দেশে ২০৭টি সম্ভাব্য যানজটপ্রবণ স্পট চিহ্নিত করে আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর সুফলও মিলছে চোখে পড়ার মতো। দেশের প্রধান মহাসড়কগুলোতে নেই চিরচেনা যানজট, নেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকার দুর্ভোগ। বাস, ট্রেন ও লঞ্চ নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে যাচ্ছে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে।

বিশেষ করে পদ্মা সেতু ও যমুনা সেতুকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ ও উত্তরাঞ্চলের যাত্রীদের যাত্রা হয়েছে অনেক সহজ। হাজারো মানুষ নির্বিঘ্নে নিজ নিজ গ্রামে ফিরছেন। উন্নত সড়ক অবকাঠামো এবং সেতুগুলোর কারণে যাত্রাপথে সময় কমে এসেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনেও স্বস্তির চিত্র। ভিড় থাকলেও নেই বিশৃঙ্খলা বা হুড়োহুড়ি। যাত্রীরা নির্বিঘ্নে স্টেশনে প্রবেশ করে নির্ধারিত ট্রেনে উঠছেন।

স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন ৫৫টি ট্রেন চলাচল করছে, যার মধ্যে ৪৪টি আন্তঃনগর এবং কয়েকটি বিশেষ ট্রেন রয়েছে।  এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটেনি, যা যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি এনে দিয়েছে।

স্বস্তির ঈদযাত্রা: নির্বিঘ্নে ঢাকা ছাড়ছেন লাখো মানুষ
কমলাপুর স্টেশনে নেই কোন বিশৃঙ্খলা : ছবি সংগ্রহ

এবারের ঈদে প্রায় দেড় কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে দীর্ঘ ছুটির কারণে যাত্রা একদিনে কেন্দ্রীভূত না হয়ে কয়েকদিন ধরে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে করে মহাসড়কে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়নি এবং যানজটও কমেছে। উত্তরবঙ্গমুখী যাত্রাপথেও একই স্বস্তির চিত্র দেখা গেছে। যমুনা সেতুর পশ্চিমাংশ, বিশেষ করে সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে নেই আগের মতো যানজট বা ভোগান্তি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ১১টি উড়াল সেতু ও হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের সার্ভিস সড়ক চালু হওয়ায় যান চলাচল অনেক বেশি গতিশীল হয়েছে।

যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৪৭ হাজার যানবাহন সেতুটি পারাপার করেছে, যা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ টোল আদায় হয়েছে। এত বিপুল যান চলাচল সত্ত্বেও কোথাও বড় ধরনের যানজট সৃষ্টি হয়নি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও মাঠে রয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতায়। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, চাঁদাবাজি ও যাত্রী হয়রানি রোধে বিভিন্ন স্থানে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশের সমন্বয়ে কাজ চলছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কিছু নতুন উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভ্রাম্যমাণ ওয়ার্কশপ, যা ২৪ ঘণ্টা চালু রয়েছে। কোনো গাড়ি নষ্ট হলে তাৎক্ষণিকভাবে মেরামতের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া জরুরি জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

তবে সবকিছুর মাঝেও কিছু ঝুঁকিপূর্ণ চিত্র দেখা গেছে। অনেক যাত্রী এখনো খোলা ট্রাক বা পিকআপ ভ্যানে করে যাতায়াত করছেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ। সংশ্লিষ্টরা এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। সব মিলিয়ে বলা যায়, দীর্ঘদিনের ভোগান্তির চিত্র থেকে বেরিয়ে এসে এবারের ঈদযাত্রা অনেকটাই স্বস্তির।

উন্নত অবকাঠামো, কার্যকর পরিকল্পনা এবং প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকার কারণে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা হয়েছে সহজ, নিরাপদ ও আনন্দময়। প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে এমন নির্বিঘ্ন যাত্রা নিঃসন্দেহে সবার জন্য স্বস্তির বার্তা হয়ে এসেছে।