ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইসলামবিদ্বেষ রোধে বৈশ্বিক জিরো টলারেন্স নীতির ডাক বেইজিংয়ের ঈদের ছুটিতেও দায়িত্বে অবিচল প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার চাঁদ দেখা গেলে শুক্রবার ঈদ স্বস্তির ঈদযাত্রা: নির্বিঘ্নে ঢাকা ছাড়ছেন লাখো মানুষ মার্কিন কমিশনের রিপোর্ট আরএসএস ও ‘র’-এর ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ, ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া ইরান যুদ্ধে সমর্থন নেই’ মার্কিন  এনসিটিসি প্রধানের পদত্যাগ পহেলা বৈশাখে  কৃষক কার্ড বিতরণের যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মহাসড়ক উন্নয়নে দ্রুত সুখবরের আশ্বাস, গোমা সেতু উদ্বোধন শিলাবৃষ্টির আতঙ্কে ধর্মপাশা-মধ্যনগরের কৃষক, ফসল রক্ষায় দুশ্চিন্তা বাড়ছে কৃষকের কল্যাণে দোয়া ও ইফতার, ভোলায় মানবিকতা ও সংহতির অনন্য আয়োজন

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অমর একুশে বইমেলার আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪ ১৭৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

অমর একুশে বই মেলার কলেবর বৃদ্ধি পায়। প্রকাশকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশ গ্রহণ কারণে এক দশক ধরে বাংলা একাডেমির পাশাপাশি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নিয়ে আয়োজিত হচ্ছিল অমর একুশে বইমেল। মেলার সিংহভাগ স্টলের বরাদ্দও হয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। বিগত দুই বছর অর্থাৎ ২০২৩ ও ২০২৪ সালে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান মিলে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ বর্গফুটের বেশি জায়গাজুড়ে বইমেলা আয়োজিত হয়ে আসছে।

বাংলাদেশের অমর একুশে বই মেলা ঘিরে বাংলাদেশের বাইরেও বিশেষ করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপূর্ব ভারতের ত্রিপুরা, আসামের সাহিত্যপ্রেমী মানুষের যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। এসব জায়গা থেকে উল্লেখযোগ্য লেখ, কবি, সাহিত্যিক বইমেলায় অংশ নিয়ে থাকে।

ঢাকার ঐতিহাসিক স্থানে আয়োজিত মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলা উৎসবের রূপ নেয়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উল্টো দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় জাতীয় কবিতা উৎসব। দেশ-বিদেশের অনেক কবি-সাহিত্যিক জাতীয় কবিতা উৎসবে অংশ নিয়ে থাকেন।

বিদেশি লেখক, কবি, সাহিত্যিকদের কাছে বর্তমান বইমেলার স্থানটি আদর্শ। অথচ মেলার বর্তমান স্থান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মেলা না করতে বাংলা একাডেমিকে চিঠি দিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

তবে অমর একুশে বইমেলার আয়োজন হবে কি না, তা নিয়ে কয়েক বছর ধরেই আলোচনা চলছে। বইমেলা বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ থেকে পূর্বাচলে নিয়ে যাওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছিল কয়েক বছর ধরে।

কিন্তু এ অবস্থায় অমর একুশে বইমেলা ২০২৫-এর জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পাচ্ছে না বাংলা একাডেমি। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, বিগত ২১ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পরিবর্তে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণেই অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ আয়োজন করতে হবে।

৬ নভেম্বর গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অধিশাখা-৩ থেকে এ চিঠি পাঠানো হয়। আগামী বইমেলার আয়োজন কোথায় হবে, তা কিছুটা অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অমর একুশে বইমেলা করা যাবে না, এমন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে গণপূর্ত ও গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়। বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে আপিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বইমেলা করতে চাই।

১৯৭২ সালে ভাষার মাসে বাংলা একাডেমির চত্বরে চাটাই বিছিয়ে বই বিক্রি শুরু করেছিলেন মুক্তধারা প্রকাশনার প্রতিষ্ঠাতা চিত্তরঞ্জন সাহা। ১৯৮৪ সাল থেকে বাংলা একাডেমি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আলোকে অমর একুশে গ্রন্থমেলা নাম দিয়ে ধারাবাহিকভাবে মেলা পরিচালনা করছে। ২০২১ সাল থেকে মেলার প্রাতিষ্ঠানিক নামকরণ করা হয় অমর একুশে বইমেলা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অমর একুশে বইমেলার আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা

আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪

 

অমর একুশে বই মেলার কলেবর বৃদ্ধি পায়। প্রকাশকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশ গ্রহণ কারণে এক দশক ধরে বাংলা একাডেমির পাশাপাশি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নিয়ে আয়োজিত হচ্ছিল অমর একুশে বইমেল। মেলার সিংহভাগ স্টলের বরাদ্দও হয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। বিগত দুই বছর অর্থাৎ ২০২৩ ও ২০২৪ সালে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান মিলে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ বর্গফুটের বেশি জায়গাজুড়ে বইমেলা আয়োজিত হয়ে আসছে।

বাংলাদেশের অমর একুশে বই মেলা ঘিরে বাংলাদেশের বাইরেও বিশেষ করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপূর্ব ভারতের ত্রিপুরা, আসামের সাহিত্যপ্রেমী মানুষের যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। এসব জায়গা থেকে উল্লেখযোগ্য লেখ, কবি, সাহিত্যিক বইমেলায় অংশ নিয়ে থাকে।

ঢাকার ঐতিহাসিক স্থানে আয়োজিত মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলা উৎসবের রূপ নেয়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উল্টো দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় জাতীয় কবিতা উৎসব। দেশ-বিদেশের অনেক কবি-সাহিত্যিক জাতীয় কবিতা উৎসবে অংশ নিয়ে থাকেন।

বিদেশি লেখক, কবি, সাহিত্যিকদের কাছে বর্তমান বইমেলার স্থানটি আদর্শ। অথচ মেলার বর্তমান স্থান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মেলা না করতে বাংলা একাডেমিকে চিঠি দিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

তবে অমর একুশে বইমেলার আয়োজন হবে কি না, তা নিয়ে কয়েক বছর ধরেই আলোচনা চলছে। বইমেলা বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ থেকে পূর্বাচলে নিয়ে যাওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছিল কয়েক বছর ধরে।

কিন্তু এ অবস্থায় অমর একুশে বইমেলা ২০২৫-এর জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পাচ্ছে না বাংলা একাডেমি। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, বিগত ২১ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পরিবর্তে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণেই অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ আয়োজন করতে হবে।

৬ নভেম্বর গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অধিশাখা-৩ থেকে এ চিঠি পাঠানো হয়। আগামী বইমেলার আয়োজন কোথায় হবে, তা কিছুটা অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অমর একুশে বইমেলা করা যাবে না, এমন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে গণপূর্ত ও গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়। বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে আপিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বইমেলা করতে চাই।

১৯৭২ সালে ভাষার মাসে বাংলা একাডেমির চত্বরে চাটাই বিছিয়ে বই বিক্রি শুরু করেছিলেন মুক্তধারা প্রকাশনার প্রতিষ্ঠাতা চিত্তরঞ্জন সাহা। ১৯৮৪ সাল থেকে বাংলা একাডেমি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আলোকে অমর একুশে গ্রন্থমেলা নাম দিয়ে ধারাবাহিকভাবে মেলা পরিচালনা করছে। ২০২১ সাল থেকে মেলার প্রাতিষ্ঠানিক নামকরণ করা হয় অমর একুশে বইমেলা।