ঢাকা ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

সীমান্ত হত্যা বাংলাদেশের উদ্বেগকে সমর্থন করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সুশীল সমাজ: ড. মোমেন

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ নভেম্বর ২০২১ ২৮৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, সীমান্ত হত্যা বাংলাদেশের উদ্বেগকে সমর্থন করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সুশীল সমাজ। ড. মোমেন বলেন, প্রতিবেশী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সুশীল সমাজ সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যা বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন। শনিবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর

সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক এবং শিল্পীরা সম্প্রতি সীমান্তে যেকোনো ধরনের হত্যা বন্ধ করার দাবি উত্থাপন করেছেন। ড. মোমেন আশা করেন পশ্চিমবঙ্গের জনগণ এবং রাজ্য সরকারের পাশাপাশি ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকার সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনা নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজ করবে। আমরা সীমান্তে বাংলাদেশী বা

ভারতীয় যেই হোক না কেন, কোন হত্যাকান্ডই দেখতে চাই না। সীমান্ত হত্যা বাংলাদেশের জন্য দুর্ভাগ্যজনক এবং এটা ভারতের জন্য লজ্জার বিষয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মতো সর্বোচ্চ পর্যায়ের মধ্যে প্রতিশ্রুতির পরেও সীমান্তে এই ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ড. মোমেন ভারতীয় সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সীমান্তে

প্রাণঘাতি অস্ত্র ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত সীমান্ত এলাকায় মোতায়েন করা বাহিনী পর্যন্ত কেন পৌঁছেনি তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। এই বছর মার্চ মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের সময় যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী উভয় পক্ষ একমত হয়েছে যে সীমান্তে যে কোন মৃত্যু একটি উদ্বেগের বিষয়। সফরকালে উভয় পক্ষ সীমান্ত রক্ষী বাহিনীকেও নির্দেশ সাধারণ নাগরিকদের মৃত্যুকে শূন্যের কোটায় নামিয়ে নামিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সীমান্ত হত্যা বাংলাদেশের উদ্বেগকে সমর্থন করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সুশীল সমাজ: ড. মোমেন

আপডেট সময় : ০৭:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ নভেম্বর ২০২১

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, সীমান্ত হত্যা বাংলাদেশের উদ্বেগকে সমর্থন করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সুশীল সমাজ। ড. মোমেন বলেন, প্রতিবেশী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সুশীল সমাজ সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যা বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন। শনিবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর

সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক এবং শিল্পীরা সম্প্রতি সীমান্তে যেকোনো ধরনের হত্যা বন্ধ করার দাবি উত্থাপন করেছেন। ড. মোমেন আশা করেন পশ্চিমবঙ্গের জনগণ এবং রাজ্য সরকারের পাশাপাশি ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকার সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনা নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজ করবে। আমরা সীমান্তে বাংলাদেশী বা

ভারতীয় যেই হোক না কেন, কোন হত্যাকান্ডই দেখতে চাই না। সীমান্ত হত্যা বাংলাদেশের জন্য দুর্ভাগ্যজনক এবং এটা ভারতের জন্য লজ্জার বিষয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মতো সর্বোচ্চ পর্যায়ের মধ্যে প্রতিশ্রুতির পরেও সীমান্তে এই ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ড. মোমেন ভারতীয় সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সীমান্তে

প্রাণঘাতি অস্ত্র ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত সীমান্ত এলাকায় মোতায়েন করা বাহিনী পর্যন্ত কেন পৌঁছেনি তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। এই বছর মার্চ মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের সময় যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী উভয় পক্ষ একমত হয়েছে যে সীমান্তে যে কোন মৃত্যু একটি উদ্বেগের বিষয়। সফরকালে উভয় পক্ষ সীমান্ত রক্ষী বাহিনীকেও নির্দেশ সাধারণ নাগরিকদের মৃত্যুকে শূন্যের কোটায় নামিয়ে নামিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়।