ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচনের আগেই অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র: জামায়াতকে কড়া জবাব মির্জা ফখরুলের লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম লাইনে দাঁড়িয়ে স্বস্তি: অল্প সময়েই তেল পেলেন বাইকচালক মোহাম্মদ আলী দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি

সাতশ’ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন হারাতো দেশীয় টিভি ক্লিনফিড হওয়ায় সুফল পেতে শুরু করেছে

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:০১:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ নভেম্বর ২০২১ ৩০৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত

‘বিদেশিদের নিয়ে বিজ্ঞাপন বানালে সরকারকে দুই লাখ টাকা করে দিতে হবে’

ক্লিনফিড না হওয়ায় পর্যন্ত দেশীয় টেলিভিশন শিল্প পাঁচশ থেকে সাতশ’ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন হারাতো। বর্তমানে সেগুলো আসতে শুরু করেছে। অর্থাৎ দেশীয় টিভি চ্যানেলগুলো সুফল পেতে শুরু করেছে।

রবিবার বিশ্ব টেলিভিশন দিবস উপলক্ষে ঢাকার বনানীতে এসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (এটকো) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে টেলিভিশন চ্যানেলের বিকাশ’ গোলটেবিল বৈঠকে একথা বলেন, বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

এসময় তিনি আরও বলেন, বিদেশি কোন শিল্পীকে নিয়ে বিজ্ঞাপন বানালে শিল্পী প্রতি দুই লাখ সরকারের কোষাগারে টাকা জমা দিতে হবে। তিনি বলেন, মানুষকে ভাবায়, কাঁদায় এমন অনেক বিজ্ঞাপন বাংলাদেশের নির্মাতারাই তৈরি করছেন।

টেলিভিশন শুধু বিনোদন বা সংবাদের জন্যই নয়, টেলিভিশন জীবন, সমাজ ও দেশ গঠনে কাজ করবে, সেটিই হোক বিশ্ব টেলিভিশন দিবসে আমাদের লক্ষ্য বলেন তথ্যমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আগে বাংলাদেশে একটি টেলিভিশন ছিলো। আজ একে একে ৩৪টি টেলিভিশন সম্প্রচারে রয়েছে। আরও কয়েকটি আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ৪৫টির লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিক, কলাকুশলী ছাড়াও টেলিভিশন শিল্পে সবমিলিয়ে এই শিল্পের সঙ্গে প্রায় লাখ খানেক মানুষ যুক্ত। আরও অনেকেই কন্টেন্ট ও বিজ্ঞাপন বানায় ও বিক্রি করে। প্রায় পাঁচ কোটি বাড়িতে টেলিভিশন রয়েছে।

টেলিভিশনকে মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের একটি অংশ বর্ণনা করে ড. হাছান বলেন, অনেকের ঘরে টেলিভিশন না থাকলেও দেখা যায় চায়ের দোকানে বসে টেলিভিশনে নাটক, সিনেমা দেখছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি মানুষের জীবনের ওপর টেলিভিশনের একটা প্রভাব রয়েছে। পুরো টেলিভিশন শিল্পটা জীবন গঠনে ভূমিকা রাখবে। জীবন, সমাজ, দেশ গঠনে এবং রাষ্ট্রকে লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য টেলিভিশন কাজ করবে, এটিই বিশ্ব টেলিভিশন দিবসে আমার প্রত্যাশা।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাচান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে সম্প্রচারের জন্য বিদেশি চ্যানেলকে আইন অনুযায়ী ক্লিনফিড পাঠাতে হবে। বাংলাদেশের কেউ কেউ বিদেশি চ্যানেলগুলোর ফিড ক্লিন করার দায়িত্ব নেয়ার চেষ্টা করছে। এর প্রয়োজন আছে বলে তিনি মনে করেন না।

কারণ, আইন অনুযায়ী ক্লিনফিড পাঠানো বিদেশি চ্যানেলগুলোরই দায়িত্ব। তারা নেপাল, শ্রীলংকা, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পাঠায়, সেখানে বাজার অনেক ছোট। আর বাংলাদেশে পাঠাবে না, আমরা দায়িত্ব নিয়ে ক্লিনফিড করবো, তার প্রয়োজন নেই।

দেশে টেলিভিশনগুলোর রেটিং বা টিআরপি একটা সংস্থা করতো, অন্যান্য দেশে কিভাবে করা হয়, বিশেষ করে ভারতে কিভাবে করা হয় অনেকগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আমরা একটা সিদ্ধান্ত এসেছি এবং খুব সহসা এতে শৃঙ্খলায় নিরয়ে আসা হবে।

হাছান মাহমুদ জানান, সংবাদমাধ্যমকর্মী আইন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। খুব সহসা এটি জাতীয় সংসদে তোলা হবে। এটি পাশ হলে সম্প্রচার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের আইনী সুরক্ষা প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সাতশ’ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন হারাতো দেশীয় টিভি ক্লিনফিড হওয়ায় সুফল পেতে শুরু করেছে

আপডেট সময় : ০৮:০১:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ নভেম্বর ২০২১

ছবি: সংগৃহীত

‘বিদেশিদের নিয়ে বিজ্ঞাপন বানালে সরকারকে দুই লাখ টাকা করে দিতে হবে’

ক্লিনফিড না হওয়ায় পর্যন্ত দেশীয় টেলিভিশন শিল্প পাঁচশ থেকে সাতশ’ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন হারাতো। বর্তমানে সেগুলো আসতে শুরু করেছে। অর্থাৎ দেশীয় টিভি চ্যানেলগুলো সুফল পেতে শুরু করেছে।

রবিবার বিশ্ব টেলিভিশন দিবস উপলক্ষে ঢাকার বনানীতে এসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (এটকো) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে টেলিভিশন চ্যানেলের বিকাশ’ গোলটেবিল বৈঠকে একথা বলেন, বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

এসময় তিনি আরও বলেন, বিদেশি কোন শিল্পীকে নিয়ে বিজ্ঞাপন বানালে শিল্পী প্রতি দুই লাখ সরকারের কোষাগারে টাকা জমা দিতে হবে। তিনি বলেন, মানুষকে ভাবায়, কাঁদায় এমন অনেক বিজ্ঞাপন বাংলাদেশের নির্মাতারাই তৈরি করছেন।

টেলিভিশন শুধু বিনোদন বা সংবাদের জন্যই নয়, টেলিভিশন জীবন, সমাজ ও দেশ গঠনে কাজ করবে, সেটিই হোক বিশ্ব টেলিভিশন দিবসে আমাদের লক্ষ্য বলেন তথ্যমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আগে বাংলাদেশে একটি টেলিভিশন ছিলো। আজ একে একে ৩৪টি টেলিভিশন সম্প্রচারে রয়েছে। আরও কয়েকটি আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ৪৫টির লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিক, কলাকুশলী ছাড়াও টেলিভিশন শিল্পে সবমিলিয়ে এই শিল্পের সঙ্গে প্রায় লাখ খানেক মানুষ যুক্ত। আরও অনেকেই কন্টেন্ট ও বিজ্ঞাপন বানায় ও বিক্রি করে। প্রায় পাঁচ কোটি বাড়িতে টেলিভিশন রয়েছে।

টেলিভিশনকে মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের একটি অংশ বর্ণনা করে ড. হাছান বলেন, অনেকের ঘরে টেলিভিশন না থাকলেও দেখা যায় চায়ের দোকানে বসে টেলিভিশনে নাটক, সিনেমা দেখছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি মানুষের জীবনের ওপর টেলিভিশনের একটা প্রভাব রয়েছে। পুরো টেলিভিশন শিল্পটা জীবন গঠনে ভূমিকা রাখবে। জীবন, সমাজ, দেশ গঠনে এবং রাষ্ট্রকে লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য টেলিভিশন কাজ করবে, এটিই বিশ্ব টেলিভিশন দিবসে আমার প্রত্যাশা।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাচান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে সম্প্রচারের জন্য বিদেশি চ্যানেলকে আইন অনুযায়ী ক্লিনফিড পাঠাতে হবে। বাংলাদেশের কেউ কেউ বিদেশি চ্যানেলগুলোর ফিড ক্লিন করার দায়িত্ব নেয়ার চেষ্টা করছে। এর প্রয়োজন আছে বলে তিনি মনে করেন না।

কারণ, আইন অনুযায়ী ক্লিনফিড পাঠানো বিদেশি চ্যানেলগুলোরই দায়িত্ব। তারা নেপাল, শ্রীলংকা, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পাঠায়, সেখানে বাজার অনেক ছোট। আর বাংলাদেশে পাঠাবে না, আমরা দায়িত্ব নিয়ে ক্লিনফিড করবো, তার প্রয়োজন নেই।

দেশে টেলিভিশনগুলোর রেটিং বা টিআরপি একটা সংস্থা করতো, অন্যান্য দেশে কিভাবে করা হয়, বিশেষ করে ভারতে কিভাবে করা হয় অনেকগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আমরা একটা সিদ্ধান্ত এসেছি এবং খুব সহসা এতে শৃঙ্খলায় নিরয়ে আসা হবে।

হাছান মাহমুদ জানান, সংবাদমাধ্যমকর্মী আইন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। খুব সহসা এটি জাতীয় সংসদে তোলা হবে। এটি পাশ হলে সম্প্রচার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের আইনী সুরক্ষা প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।