ঢাকা ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

সবচেয়ে দামি মাছ : দুই ভোলার দাম ১৮ লাখ টাকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৪:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ১১৭০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভোলা মাছ ছবি সংগ্রহ

অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীর জালে ধরা পড়ে দুটি ভোল মাছ। ওজন ৬৩ কেজি ৫০০ গ্রাম। যা বিক্রি হলো সাড়ে ১৮ লাখ টাকা। শনিবার সন্ধ্যায় মাছ দুটি এক নজর দেখতে মোংলা আড়তে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। মোংলা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মাছ দুটি নিয়ে আসেন ‘মেসার্স জয়মনি ফিস’র মালিক আল আমিন।

বৃহস্পতিবার রাতে ফারুক নামে এক জেলের জালে মাছ দুটি ধরা পরে। শনিবার সকালে সুন্দরবনের দুবলার চরে ডাকে (উন্মুক্ত নিলামে) সাড়ে ১৮ লাখ টাকায় বিক্রি হয়।

প্রতি কেজি মাছ বিক্রি হয়েছে ২৯ হাজার ১৩৩ টাকা দরে। বড় মাছটির ওজন ৩৬ কেজি ৫০০ গ্রাম এবং ছোটটির ওজন ২৭ কেজি। বড়টি বিক্রি হয়েছে ১১ লাখ এবং ছোটটি বিক্রি হয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকায়।

সনবচেয়ে দামি মাছ পাওয়া জেলে ফারুক হোসেন বলেন, মৌসুম প্রায় শেষ। এতদিনে বড় মাছ না পাওয়ায় মনটা খারাপ ছিল। এই মাছ দুটো ভালো দাম পাওয়ায় খুশি।

ছবি সংগ্রহ

মেসার্স জয়মনি ফিস-এর মালিক আল আমিন বলেন, এই মাছগুলো আমরা চট্টগ্রাম চালান করি। এসব মাছ অনেক ঝুঁকি নিয়ে ক্রয় করতে হয়। লাভও হয় অনেক। আশাকরি বেশ লাভ হবে।

মোংলা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ও মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি মো. আফজাল ফরাজী বলেন, ভোল মাছটি এ অঞ্চলে খুবই কম পাওয়া যায়। মোংলা পশুর নদী বা সুন্দরবন সংলগ্ন নদ-নদীতে দুই-একটি মাছ মেলে। মূলত এ মাছের ফুলকী-প্যাটা ও বালিশের কারণে দাম প্রচুর। এই মাছের প্যাটা ও বালিশ বিদেশে রপ্তানি হয় এবং এ দিয়ে নাকি মেডিসিন তৈরি করা হয় বলে জানায় সমিতির এ নেতা।

তার মতে দীর্ঘ ১০ বছরেও বিরল প্রজাতির দাতিনা ভোল মাছ মোংলা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র আসেনি। তবে দুবলার চর থেকে কেনা এ মাছ দুটি চট্টগ্রামে আরও বেশি দামে বিক্রি হবে বলে জানান ব্যবসায়ী।

জাবা ভোল বা সোনা ভোলের বিজ্ঞানসম্মত নাম ‘প্রোটোনিবিয়া ডায়াকানথুস’। ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, হংকং, সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়ায় এই মাছের চাহিদা খুব বেশি। এই মাছের ঔষধি গুণ থাকাতেই এর দাম এত বেশি। মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ওষুধ উৎপাদন সংস্থাগুলি এই মাছ কিনে নেয়। তারপর এর দেহের প্রায় প্রতিটি অংশ দিয়েই তৈরি হয় ওষুধ। এই মাছের বায়ু পটকা দিয়ে কিডনির নানা রোগ নিরাময়ের ওষুধ তৈরি হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সবচেয়ে দামি মাছ : দুই ভোলার দাম ১৮ লাখ টাকা

আপডেট সময় : ০৯:০৪:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ভোলা মাছ ছবি সংগ্রহ

অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীর জালে ধরা পড়ে দুটি ভোল মাছ। ওজন ৬৩ কেজি ৫০০ গ্রাম। যা বিক্রি হলো সাড়ে ১৮ লাখ টাকা। শনিবার সন্ধ্যায় মাছ দুটি এক নজর দেখতে মোংলা আড়তে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। মোংলা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মাছ দুটি নিয়ে আসেন ‘মেসার্স জয়মনি ফিস’র মালিক আল আমিন।

বৃহস্পতিবার রাতে ফারুক নামে এক জেলের জালে মাছ দুটি ধরা পরে। শনিবার সকালে সুন্দরবনের দুবলার চরে ডাকে (উন্মুক্ত নিলামে) সাড়ে ১৮ লাখ টাকায় বিক্রি হয়।

প্রতি কেজি মাছ বিক্রি হয়েছে ২৯ হাজার ১৩৩ টাকা দরে। বড় মাছটির ওজন ৩৬ কেজি ৫০০ গ্রাম এবং ছোটটির ওজন ২৭ কেজি। বড়টি বিক্রি হয়েছে ১১ লাখ এবং ছোটটি বিক্রি হয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকায়।

সনবচেয়ে দামি মাছ পাওয়া জেলে ফারুক হোসেন বলেন, মৌসুম প্রায় শেষ। এতদিনে বড় মাছ না পাওয়ায় মনটা খারাপ ছিল। এই মাছ দুটো ভালো দাম পাওয়ায় খুশি।

ছবি সংগ্রহ

মেসার্স জয়মনি ফিস-এর মালিক আল আমিন বলেন, এই মাছগুলো আমরা চট্টগ্রাম চালান করি। এসব মাছ অনেক ঝুঁকি নিয়ে ক্রয় করতে হয়। লাভও হয় অনেক। আশাকরি বেশ লাভ হবে।

মোংলা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ও মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি মো. আফজাল ফরাজী বলেন, ভোল মাছটি এ অঞ্চলে খুবই কম পাওয়া যায়। মোংলা পশুর নদী বা সুন্দরবন সংলগ্ন নদ-নদীতে দুই-একটি মাছ মেলে। মূলত এ মাছের ফুলকী-প্যাটা ও বালিশের কারণে দাম প্রচুর। এই মাছের প্যাটা ও বালিশ বিদেশে রপ্তানি হয় এবং এ দিয়ে নাকি মেডিসিন তৈরি করা হয় বলে জানায় সমিতির এ নেতা।

তার মতে দীর্ঘ ১০ বছরেও বিরল প্রজাতির দাতিনা ভোল মাছ মোংলা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র আসেনি। তবে দুবলার চর থেকে কেনা এ মাছ দুটি চট্টগ্রামে আরও বেশি দামে বিক্রি হবে বলে জানান ব্যবসায়ী।

জাবা ভোল বা সোনা ভোলের বিজ্ঞানসম্মত নাম ‘প্রোটোনিবিয়া ডায়াকানথুস’। ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, হংকং, সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়ায় এই মাছের চাহিদা খুব বেশি। এই মাছের ঔষধি গুণ থাকাতেই এর দাম এত বেশি। মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ওষুধ উৎপাদন সংস্থাগুলি এই মাছ কিনে নেয়। তারপর এর দেহের প্রায় প্রতিটি অংশ দিয়েই তৈরি হয় ওষুধ। এই মাছের বায়ু পটকা দিয়ে কিডনির নানা রোগ নিরাময়ের ওষুধ তৈরি হয়।