ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

সবচেয়ে দামি মাছ : দুই ভোলার দাম ১৮ লাখ টাকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৪:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ১২০৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভোলা মাছ ছবি সংগ্রহ

অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীর জালে ধরা পড়ে দুটি ভোল মাছ। ওজন ৬৩ কেজি ৫০০ গ্রাম। যা বিক্রি হলো সাড়ে ১৮ লাখ টাকা। শনিবার সন্ধ্যায় মাছ দুটি এক নজর দেখতে মোংলা আড়তে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। মোংলা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মাছ দুটি নিয়ে আসেন ‘মেসার্স জয়মনি ফিস’র মালিক আল আমিন।

বৃহস্পতিবার রাতে ফারুক নামে এক জেলের জালে মাছ দুটি ধরা পরে। শনিবার সকালে সুন্দরবনের দুবলার চরে ডাকে (উন্মুক্ত নিলামে) সাড়ে ১৮ লাখ টাকায় বিক্রি হয়।

প্রতি কেজি মাছ বিক্রি হয়েছে ২৯ হাজার ১৩৩ টাকা দরে। বড় মাছটির ওজন ৩৬ কেজি ৫০০ গ্রাম এবং ছোটটির ওজন ২৭ কেজি। বড়টি বিক্রি হয়েছে ১১ লাখ এবং ছোটটি বিক্রি হয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকায়।

সনবচেয়ে দামি মাছ পাওয়া জেলে ফারুক হোসেন বলেন, মৌসুম প্রায় শেষ। এতদিনে বড় মাছ না পাওয়ায় মনটা খারাপ ছিল। এই মাছ দুটো ভালো দাম পাওয়ায় খুশি।

ছবি সংগ্রহ

মেসার্স জয়মনি ফিস-এর মালিক আল আমিন বলেন, এই মাছগুলো আমরা চট্টগ্রাম চালান করি। এসব মাছ অনেক ঝুঁকি নিয়ে ক্রয় করতে হয়। লাভও হয় অনেক। আশাকরি বেশ লাভ হবে।

মোংলা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ও মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি মো. আফজাল ফরাজী বলেন, ভোল মাছটি এ অঞ্চলে খুবই কম পাওয়া যায়। মোংলা পশুর নদী বা সুন্দরবন সংলগ্ন নদ-নদীতে দুই-একটি মাছ মেলে। মূলত এ মাছের ফুলকী-প্যাটা ও বালিশের কারণে দাম প্রচুর। এই মাছের প্যাটা ও বালিশ বিদেশে রপ্তানি হয় এবং এ দিয়ে নাকি মেডিসিন তৈরি করা হয় বলে জানায় সমিতির এ নেতা।

তার মতে দীর্ঘ ১০ বছরেও বিরল প্রজাতির দাতিনা ভোল মাছ মোংলা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র আসেনি। তবে দুবলার চর থেকে কেনা এ মাছ দুটি চট্টগ্রামে আরও বেশি দামে বিক্রি হবে বলে জানান ব্যবসায়ী।

জাবা ভোল বা সোনা ভোলের বিজ্ঞানসম্মত নাম ‘প্রোটোনিবিয়া ডায়াকানথুস’। ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, হংকং, সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়ায় এই মাছের চাহিদা খুব বেশি। এই মাছের ঔষধি গুণ থাকাতেই এর দাম এত বেশি। মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ওষুধ উৎপাদন সংস্থাগুলি এই মাছ কিনে নেয়। তারপর এর দেহের প্রায় প্রতিটি অংশ দিয়েই তৈরি হয় ওষুধ। এই মাছের বায়ু পটকা দিয়ে কিডনির নানা রোগ নিরাময়ের ওষুধ তৈরি হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সবচেয়ে দামি মাছ : দুই ভোলার দাম ১৮ লাখ টাকা

আপডেট সময় : ০৯:০৪:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ভোলা মাছ ছবি সংগ্রহ

অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীর জালে ধরা পড়ে দুটি ভোল মাছ। ওজন ৬৩ কেজি ৫০০ গ্রাম। যা বিক্রি হলো সাড়ে ১৮ লাখ টাকা। শনিবার সন্ধ্যায় মাছ দুটি এক নজর দেখতে মোংলা আড়তে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। মোংলা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মাছ দুটি নিয়ে আসেন ‘মেসার্স জয়মনি ফিস’র মালিক আল আমিন।

বৃহস্পতিবার রাতে ফারুক নামে এক জেলের জালে মাছ দুটি ধরা পরে। শনিবার সকালে সুন্দরবনের দুবলার চরে ডাকে (উন্মুক্ত নিলামে) সাড়ে ১৮ লাখ টাকায় বিক্রি হয়।

প্রতি কেজি মাছ বিক্রি হয়েছে ২৯ হাজার ১৩৩ টাকা দরে। বড় মাছটির ওজন ৩৬ কেজি ৫০০ গ্রাম এবং ছোটটির ওজন ২৭ কেজি। বড়টি বিক্রি হয়েছে ১১ লাখ এবং ছোটটি বিক্রি হয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকায়।

সনবচেয়ে দামি মাছ পাওয়া জেলে ফারুক হোসেন বলেন, মৌসুম প্রায় শেষ। এতদিনে বড় মাছ না পাওয়ায় মনটা খারাপ ছিল। এই মাছ দুটো ভালো দাম পাওয়ায় খুশি।

ছবি সংগ্রহ

মেসার্স জয়মনি ফিস-এর মালিক আল আমিন বলেন, এই মাছগুলো আমরা চট্টগ্রাম চালান করি। এসব মাছ অনেক ঝুঁকি নিয়ে ক্রয় করতে হয়। লাভও হয় অনেক। আশাকরি বেশ লাভ হবে।

মোংলা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ও মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি মো. আফজাল ফরাজী বলেন, ভোল মাছটি এ অঞ্চলে খুবই কম পাওয়া যায়। মোংলা পশুর নদী বা সুন্দরবন সংলগ্ন নদ-নদীতে দুই-একটি মাছ মেলে। মূলত এ মাছের ফুলকী-প্যাটা ও বালিশের কারণে দাম প্রচুর। এই মাছের প্যাটা ও বালিশ বিদেশে রপ্তানি হয় এবং এ দিয়ে নাকি মেডিসিন তৈরি করা হয় বলে জানায় সমিতির এ নেতা।

তার মতে দীর্ঘ ১০ বছরেও বিরল প্রজাতির দাতিনা ভোল মাছ মোংলা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র আসেনি। তবে দুবলার চর থেকে কেনা এ মাছ দুটি চট্টগ্রামে আরও বেশি দামে বিক্রি হবে বলে জানান ব্যবসায়ী।

জাবা ভোল বা সোনা ভোলের বিজ্ঞানসম্মত নাম ‘প্রোটোনিবিয়া ডায়াকানথুস’। ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, হংকং, সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়ায় এই মাছের চাহিদা খুব বেশি। এই মাছের ঔষধি গুণ থাকাতেই এর দাম এত বেশি। মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ওষুধ উৎপাদন সংস্থাগুলি এই মাছ কিনে নেয়। তারপর এর দেহের প্রায় প্রতিটি অংশ দিয়েই তৈরি হয় ওষুধ। এই মাছের বায়ু পটকা দিয়ে কিডনির নানা রোগ নিরাময়ের ওষুধ তৈরি হয়।