ঢাকা ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

রেমিট্যান্স যোদ্ধারা ২৫ দিনেই পাঠিয়েছেন ১৩ হাজার কোটি টাকা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৪১:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অগাস্ট ২০২১ ৩০৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফাইল ছবি সংগৃহীত

প্রতিমাসেই ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ বাড়ছে। গতিশীল হচ্ছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। চলতি আগস্ট মাসের মাত্র ২৫ দিনেই ১৫৫ কোটি (১ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি

ডলার ৮৫ টাকা ধরে) যার পরিমাণ দাঁড়ায় ১৩ হাজার ১৭৫ কোটি টাকার বেশি। চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে মাসের শেষে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ১৯০ কোটি ডলার পৌঁছানোর প্রত্যাশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের নগদ প্রণোদনা ও করোনায় বিদেশ ভ্রমণ নিয়ন্ত্রণের কারণে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাত থেকে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স বেশি এসেছে। এ কারণে করোনা মহামারির মধ্যেও রেমিট্যান্স প্রবাহ ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। করোনা সংক্রমণের কারণে ১ আগস্ট

ব্যাংক বন্ধ থাকায় ২ আগস্ট থেকে রেমিট্যান্সের হিসাব ধরা হয়েছে। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম মাস আগস্টে হঠাৎ করে রেমিট্যান্স কমে গিয়েছিল।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২ থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৩ কোটি মার্কিন ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের

মাধ্যমে রেমিট্যান্স আসে ১১৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৯ লাখ ডলার। দুটি বিশেষায়িত ব্যাংকের মধ্যে একটিতে এসেছে ২ কোটি ৭৪ লাখ মার্কিন ডলার।

২৫ দিনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। যার পরিমাণ ৪৪ কোটি ৬৫ লাখ ডলার। এরপর ডাচ বাংলা ব্যাংক প্রায় ১৬ কোটি, অগ্রণী ব্যাংক ১৩ কোটি ৮২ লাখ, সোনালী ব্যাংক ৮ কোটি ৯৬ লাখ এবং পূবালী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫ কোটি ১৮ লাখ

ডলার। এই সময়ে সরকারি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিদেশি ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স পাঠাননি প্রবাসীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রেমিট্যান্স যোদ্ধারা ২৫ দিনেই পাঠিয়েছেন ১৩ হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় : ১০:৪১:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অগাস্ট ২০২১

ফাইল ছবি সংগৃহীত

প্রতিমাসেই ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ বাড়ছে। গতিশীল হচ্ছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। চলতি আগস্ট মাসের মাত্র ২৫ দিনেই ১৫৫ কোটি (১ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি

ডলার ৮৫ টাকা ধরে) যার পরিমাণ দাঁড়ায় ১৩ হাজার ১৭৫ কোটি টাকার বেশি। চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে মাসের শেষে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ১৯০ কোটি ডলার পৌঁছানোর প্রত্যাশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের নগদ প্রণোদনা ও করোনায় বিদেশ ভ্রমণ নিয়ন্ত্রণের কারণে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাত থেকে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স বেশি এসেছে। এ কারণে করোনা মহামারির মধ্যেও রেমিট্যান্স প্রবাহ ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। করোনা সংক্রমণের কারণে ১ আগস্ট

ব্যাংক বন্ধ থাকায় ২ আগস্ট থেকে রেমিট্যান্সের হিসাব ধরা হয়েছে। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম মাস আগস্টে হঠাৎ করে রেমিট্যান্স কমে গিয়েছিল।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২ থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৩ কোটি মার্কিন ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের

মাধ্যমে রেমিট্যান্স আসে ১১৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৯ লাখ ডলার। দুটি বিশেষায়িত ব্যাংকের মধ্যে একটিতে এসেছে ২ কোটি ৭৪ লাখ মার্কিন ডলার।

২৫ দিনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। যার পরিমাণ ৪৪ কোটি ৬৫ লাখ ডলার। এরপর ডাচ বাংলা ব্যাংক প্রায় ১৬ কোটি, অগ্রণী ব্যাংক ১৩ কোটি ৮২ লাখ, সোনালী ব্যাংক ৮ কোটি ৯৬ লাখ এবং পূবালী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫ কোটি ১৮ লাখ

ডলার। এই সময়ে সরকারি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিদেশি ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স পাঠাননি প্রবাসীরা।