ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

ভিডিও গেমস যেন সহিংসতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র!

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:২১:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুন ২০২১ ২৮৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 অশ্নীলতা ছড়াচ্ছে টিকটক লাইকি বিগো লাইভ

‘সন্ত্রাস-সহিংসতার গেম ফ্রি ফায়ারও পিছিয়ে নেই। ফ্রি ফায়ার প্রতিদিন খেলছে প্রায় ৫০ কোটি মানুষ। প্রতিদিন ডাউনলোড হচ্ছে ৮ কোটি গেম। ফ্রি ফায়ারের বাজার আকার প্রায় ৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার’

একাধিক সমীক্ষা অনুযায়ী পৃথিবীতে বর্তমানে প্রতিদিন ৮৭ কোটি মানুষ পাবজি-ফ্রি ফায়ার খেলছে। গুগল প্লে স্টোর ও আই স্টোর থেকে প্রতিদিন ডাউনলোড হচ্ছে প্রায় ১০ কোটি। বাংলাদেশেও প্রতিদিন ১ কোটির বেশি গেম খেলার পরিসংখ্যান পাওয়া যাচ্ছে, একাধিক অনলাইন সমীক্ষা থেকে।

জনপ্রিয় অনলাইন ভিডিও গেমগুলো শিশু-কিশোরদের জন্য হয়ে উঠছে সন্ত্রাস, সহিংসতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। আগে যেখানে স্কুলের পড়া শেষে শিক্ষার্থীরা একটি ভালো গল্পের বই খুঁজত, সংগীত কিংবা

ছবি আঁকার ক্লাসে ঢুকত, দেয়াল পত্রিকা কিংবা বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিত, সেখানে এখন শিক্ষার্থীরা স্কুলের ক্লাস ভুলে ব্যস্ত হয়ে পড়ছে পাবজি, ফ্রি ফায়ার কিংবা গ্র্যান্ড থেফট অটো খেলায়।

শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা হিংস্রতা ও যৌনতাযুক্ত এই খেলাগুলো নিষিদ্ধ করার পক্ষে অভিমত দেন, যা অনেক দেশে হচ্ছে। অনলাইনে ভালো কনটেন্ট, খেলা দেওয়ার পরামর্শ তাদের।

অন্যদিকে সন্ত্রাস-সহিংসতার গেম ফ্রি ফায়ারও পিছিয়ে নেই। ফ্রি ফায়ার প্রতিদিন খেলছে প্রায় ৫০ কোটি মানুষ। প্রতিদিন ডাউনলোড হচ্ছে ৮ কোটি গেম। ফ্রি ফায়ারের বাজারের আকার প্রায় ৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বিশ্বখ্যাত বাজার পর্যবেক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্ট্যাটিসটার তথ্য অনুযায়ী, শুধু পাবজির বিশ্ববাজারের আকার বর্তমানে ১১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সমীক্ষা অনুযায়ী যত মানুষ প্রতিদিন এই গেম খেলছে তার ৫৮ শতাংশই খেলছে স্মার্টফোনে। বাকিরা খেলছে ল্যাপটপ কিংবা ডেস্কটপ কম্পিউটারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভিডিও গেমস যেন সহিংসতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র!

আপডেট সময় : ০৯:২১:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুন ২০২১

 অশ্নীলতা ছড়াচ্ছে টিকটক লাইকি বিগো লাইভ

‘সন্ত্রাস-সহিংসতার গেম ফ্রি ফায়ারও পিছিয়ে নেই। ফ্রি ফায়ার প্রতিদিন খেলছে প্রায় ৫০ কোটি মানুষ। প্রতিদিন ডাউনলোড হচ্ছে ৮ কোটি গেম। ফ্রি ফায়ারের বাজার আকার প্রায় ৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার’

একাধিক সমীক্ষা অনুযায়ী পৃথিবীতে বর্তমানে প্রতিদিন ৮৭ কোটি মানুষ পাবজি-ফ্রি ফায়ার খেলছে। গুগল প্লে স্টোর ও আই স্টোর থেকে প্রতিদিন ডাউনলোড হচ্ছে প্রায় ১০ কোটি। বাংলাদেশেও প্রতিদিন ১ কোটির বেশি গেম খেলার পরিসংখ্যান পাওয়া যাচ্ছে, একাধিক অনলাইন সমীক্ষা থেকে।

জনপ্রিয় অনলাইন ভিডিও গেমগুলো শিশু-কিশোরদের জন্য হয়ে উঠছে সন্ত্রাস, সহিংসতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। আগে যেখানে স্কুলের পড়া শেষে শিক্ষার্থীরা একটি ভালো গল্পের বই খুঁজত, সংগীত কিংবা

ছবি আঁকার ক্লাসে ঢুকত, দেয়াল পত্রিকা কিংবা বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিত, সেখানে এখন শিক্ষার্থীরা স্কুলের ক্লাস ভুলে ব্যস্ত হয়ে পড়ছে পাবজি, ফ্রি ফায়ার কিংবা গ্র্যান্ড থেফট অটো খেলায়।

শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা হিংস্রতা ও যৌনতাযুক্ত এই খেলাগুলো নিষিদ্ধ করার পক্ষে অভিমত দেন, যা অনেক দেশে হচ্ছে। অনলাইনে ভালো কনটেন্ট, খেলা দেওয়ার পরামর্শ তাদের।

অন্যদিকে সন্ত্রাস-সহিংসতার গেম ফ্রি ফায়ারও পিছিয়ে নেই। ফ্রি ফায়ার প্রতিদিন খেলছে প্রায় ৫০ কোটি মানুষ। প্রতিদিন ডাউনলোড হচ্ছে ৮ কোটি গেম। ফ্রি ফায়ারের বাজারের আকার প্রায় ৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বিশ্বখ্যাত বাজার পর্যবেক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্ট্যাটিসটার তথ্য অনুযায়ী, শুধু পাবজির বিশ্ববাজারের আকার বর্তমানে ১১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সমীক্ষা অনুযায়ী যত মানুষ প্রতিদিন এই গেম খেলছে তার ৫৮ শতাংশই খেলছে স্মার্টফোনে। বাকিরা খেলছে ল্যাপটপ কিংবা ডেস্কটপ কম্পিউটারে।