বৃহস্পতিবার চাঁদ দেখা গেলে শুক্রবার ঈদ
- আপডেট সময় : ০৫:২০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
আজ চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল শুক্রবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। বাংলাদেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদের তারিখ ঘোষণা করে। চাঁদ দেখা গেলে পরদিনই ঈদ পালিত হয়, আর চাঁদ দেখা না গেলে রোজা ৩০ দিন পূর্ণ করে তার পরের দিন ঈদ উদযাপন করা হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় (মাগরিবের পর) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভা থেকেই দেশের আকাশে চাঁদ দেখার তথ্য যাচাই করে ঈদের দিন চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে। সাধারণত সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বা একদিন পর বাংলাদেশে ঈদ উদযাপিত হলেও দেশের আকাশে চাঁদ দেখার বিষয়টিই চূড়ান্তভাবে বিবেচিত হয়।
পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায়। এ জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতীব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। বিকল্প ইমাম হিসেবে থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফাসসির ড. মাওলানা মো. আবু ছালেহ পাটোয়ারী।
এছাড়া বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত সকাল ৭টায়, দ্বিতীয়টি ৮টায়, তৃতীয়টি ৯টায়, চতুর্থটি ১০টায় এবং পঞ্চম ও শেষ জামাত সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। এসব জামাতে পর্যায়ক্রমে ইমামতি করবেন মাওলানা মিজানুর রহমান, মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী, মাওলানা মো. জাকির হোসেন, মাওলানা যোবায়ের আহমেদ আল আযহারী এবং মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।
এদিকে কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানেও ঈদের প্রধান জামাত ঘিরে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মুসল্লিদের নিরাপত্তায় চার স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে এবং মোতায়েন থাকবে অতিরিক্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, যার মধ্যে বিজিবির পাঁচ প্লাটুনও রয়েছে।
ঈদুল ফিতর মুসলমানদের জন্য আনন্দ ও পুরস্কারের দিন। এক মাস সিয়াম সাধনার পর আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উপলক্ষ হিসেবে এই দিনটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। হজরত আউস আল আনসারী (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) বলেছেন—ঈদের সকালে ফেরেশতারা রাস্তায় দাঁড়িয়ে মুসলমানদের আহ্বান জানায় আল্লাহর রহমত ও পুরস্কার গ্রহণের জন্য। যারা রাতের নামাজ, দিনের রোজা এবং দান-সদকা পালন করেছেন, তারা ঈদের নামাজ আদায়ের মাধ্যমে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমা ও পুরস্কার লাভ করেন।
ঈদের নামাজ শেষে ঘোষণা দেওয়া হয়—নামাজ আদায়কারীদের সকল গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়েছে। তারা যেন নিষ্পাপ অবস্থায় নিজ নিজ ঘরে ফিরে যান। এ দিনটি তাই আনন্দ, ক্ষমা ও মহান প্রতিদান লাভের দিন।



















