ঢাকা ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

তাড়াহুড়ো অনলক হওয়ায় করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়ার আশঙ্কা জাতীয় কমিটির

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১২:২৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২১ ৩২২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি  সংগ্রহ

কোরবাণীর ঈদের টানা ১৯দিন পর ১১ আগস্ট থেকে অনলকের পথে হাটে বাংলাদেশ। খুলে দেওয়া হয় মার্কেট, শপিংমলসহ সকল গণপরিবহন। রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা আগে থেকেই

খোলা ছিলো। লকডাউন শিথিলের পর পরই বেহিসেবি পথে হাটতে শুরু করে মানুষ। হাটবাজার, প্রতিটি শিল্প এলাকা, টিকা কেন্দ্র, রাস্তাঘাট সর্বত্র একই চিত্র।

যেখানে দুনিয়াজোড়া মহামারি চলছে, সেখানে ঢাকার পরিস্থিতি যে মোটেও সচেতন পথে হাটছে না, বিভিন্ন জায়গা ঘুরে তারই প্রমাণ মেলে। স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে বার বার প্রশাসনের তরফে শত সচেতন বার্তা দেওয়ার পরও না মানার পথেই হাটছে সাধারণ মানুষ।

এমন পরিস্থিতিতে লকডাউন শিথিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। শুক্রবার সংবাদবার্তায় একথা জানানো হয়।

কমিটির মূল্যায়নে বলা হয়, ২৩ জুলাই থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত লকডাউন কঠোরভাবে পালিত না হলেও জনসমাবেশ হওয়ার মত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান বন্ধ থাকায় সংক্রমণ উন্নতি দেখা

গেলেও সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার কোনোটাই স্বস্তিদায়ক অবস্থায় ফেরেনি। এ অবস্থায় সরকারের দ্রুত বিধিনিষেধ শিথিল বা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

এ কারণে সংক্রমণ ফের বৃদ্ধির আশঙ্কার সঙ্গে অর্থনীতিও হুমকির মুখে পড়তে পারে। লকডাউন আরও ১-২ সপ্তাহ চলমান রাখা গেলে পুরোপুরি সুফল মিলতো।

এ অবস্থায় জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি সরকারের গৃহীত সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সুপারিশ করে। কমিটির তরফে বলা হয়, ন্যূনতম সভা-সমাবেশ, সামাজিক অনুষ্ঠান, পর্যটন-

বিনোদন, কমিউনিটি সেন্টার ইত্যাদি আরও কিছুদিন বন্ধ রাখা, রেস্টুরেন্ট/ক্যাফেটেরিয়াতে বসে খাওয়ানোর পরিবর্তে কেবলমাত্র বিক্রি করা, অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চলাচলের পাশাপাশি

সম্ভব হলে বাড়িতে বসে কাজ করা ও অনলাইন সভা বা কর্মশালা-প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রেখে অফিস খোলা রাখা, তিন লেয়ার বিশিষ্ট মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করার ওপর জোর দেয় জাতীয় কমিটি।


শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার আগেই সংক্রমণ প্রতিরোধী ব্যবস্থার ওপর পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণ এবং সঠিকভাবে মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সংক্রমিত পড়ুয়াদের চিকিৎসা, আইসোলেশন এবং তাদের সংস্পর্শে আসা পড়ুয়াদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা এবং তিন লেয়ারের মাস্ক উৎপাদন ও বিক্রি নিশ্চিত করতে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের পদক্ষেপ নিতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তাড়াহুড়ো অনলক হওয়ায় করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়ার আশঙ্কা জাতীয় কমিটির

আপডেট সময় : ১২:২৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২১

ছবি  সংগ্রহ

কোরবাণীর ঈদের টানা ১৯দিন পর ১১ আগস্ট থেকে অনলকের পথে হাটে বাংলাদেশ। খুলে দেওয়া হয় মার্কেট, শপিংমলসহ সকল গণপরিবহন। রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা আগে থেকেই

খোলা ছিলো। লকডাউন শিথিলের পর পরই বেহিসেবি পথে হাটতে শুরু করে মানুষ। হাটবাজার, প্রতিটি শিল্প এলাকা, টিকা কেন্দ্র, রাস্তাঘাট সর্বত্র একই চিত্র।

যেখানে দুনিয়াজোড়া মহামারি চলছে, সেখানে ঢাকার পরিস্থিতি যে মোটেও সচেতন পথে হাটছে না, বিভিন্ন জায়গা ঘুরে তারই প্রমাণ মেলে। স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে বার বার প্রশাসনের তরফে শত সচেতন বার্তা দেওয়ার পরও না মানার পথেই হাটছে সাধারণ মানুষ।

এমন পরিস্থিতিতে লকডাউন শিথিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। শুক্রবার সংবাদবার্তায় একথা জানানো হয়।

কমিটির মূল্যায়নে বলা হয়, ২৩ জুলাই থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত লকডাউন কঠোরভাবে পালিত না হলেও জনসমাবেশ হওয়ার মত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান বন্ধ থাকায় সংক্রমণ উন্নতি দেখা

গেলেও সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার কোনোটাই স্বস্তিদায়ক অবস্থায় ফেরেনি। এ অবস্থায় সরকারের দ্রুত বিধিনিষেধ শিথিল বা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

এ কারণে সংক্রমণ ফের বৃদ্ধির আশঙ্কার সঙ্গে অর্থনীতিও হুমকির মুখে পড়তে পারে। লকডাউন আরও ১-২ সপ্তাহ চলমান রাখা গেলে পুরোপুরি সুফল মিলতো।

এ অবস্থায় জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি সরকারের গৃহীত সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সুপারিশ করে। কমিটির তরফে বলা হয়, ন্যূনতম সভা-সমাবেশ, সামাজিক অনুষ্ঠান, পর্যটন-

বিনোদন, কমিউনিটি সেন্টার ইত্যাদি আরও কিছুদিন বন্ধ রাখা, রেস্টুরেন্ট/ক্যাফেটেরিয়াতে বসে খাওয়ানোর পরিবর্তে কেবলমাত্র বিক্রি করা, অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চলাচলের পাশাপাশি

সম্ভব হলে বাড়িতে বসে কাজ করা ও অনলাইন সভা বা কর্মশালা-প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রেখে অফিস খোলা রাখা, তিন লেয়ার বিশিষ্ট মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করার ওপর জোর দেয় জাতীয় কমিটি।


শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার আগেই সংক্রমণ প্রতিরোধী ব্যবস্থার ওপর পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণ এবং সঠিকভাবে মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সংক্রমিত পড়ুয়াদের চিকিৎসা, আইসোলেশন এবং তাদের সংস্পর্শে আসা পড়ুয়াদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা এবং তিন লেয়ারের মাস্ক উৎপাদন ও বিক্রি নিশ্চিত করতে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের পদক্ষেপ নিতে হবে।