কোটা আন্দোলনে মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা তদন্তে জাতিসংঘকে ড. ইউনূসের চিঠি
- আপডেট সময় : ০৮:৫৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৪ ১৭৫ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
বাংলাদেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত যে সহিংসতা ও মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা ঘটেছে, তার তদন্তের অনুরোধ জানিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ককে অনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শুক্রবার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের বিবৃতিতে ড. ইউনূসের চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। আনুষ্ঠানিক তদন্তের ইস্যুতে আশ্বাস দিয়েছেন টুর্ক। এর আগে মানবাধিকার হাইকমিশনের এশিয়া-প্যাসিফিক শাখা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রধান ররি মঙ্গোভেন একটি টিম বাংলাদেশে ঘুরে যান।
সরকারের উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি, পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আইনজীবী, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সঙ্গেও তাদের বৈঠক করেন তারা।
আন্তর্জাতিক কনভেনশনে বাংলাদেশের যোগদানের ঘোষণা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তিদের খোঁজ করতে গঠিত পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিশন গঠনকে স্বাগত জানিয়েছে মানবাধিকার কমিশন।

বিক্ষোভের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রতিবেদন, মূল কারণ বিশ্লেষণ এবং ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা এবং দীর্ঘমেয়াদী সংস্কারের জন্য সুপারিশ করার লক্ষ্যে আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং দল পাঠাবে কমিশন। দলটি এ কাজে পূর্ণ সহযোগিতার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি পেয়েছে।
শুক্রবার সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের মুখপাত্র মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি বলেন, গুম নিয়ে বাংলাদেশে একটি দীর্ঘ এবং বেদনাদায়ক ইতিহাস রয়েছে। আমরা সহায়তার জন্য প্রস্তুত। এই কাজগুলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের মানদণ্ডের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হওয়া উচিত।

























