ঢাকা ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

অবিক্রিতই থাকলো হাজারো গরু

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জুলাই ২০২১ ২৯৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত

করোনা মহামারিতেও ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাটে বিপুল পরিমাণের কোরবানির পশুর আমদানি হয়েছিলো। কিন্তু তার একটা বড় অংশ অবিক্রিত থেকে গিয়েছে। ভালো দামের আশায় উত্তরবঙ্গের খামারি ও ব্যবসায়ীরা ট্রাক ভাড়া করে এসব গরু নিয়ে আসেন। কিন্তু কাঙ্খিত দাম না পেয়ে ঈদের দিন হাজার হাজার গরু ফেরত নিয়ে যান।

ব্যবসায়ীরা জানান, দুই তিন বছর ধরে গরুগুলো লালন পালনে যে পরিমাণ ব্যয় হয়েছে, তার অর্ধেকও দামও ওঠেনি এবারে।

কোরবানির হাট থেকে এবারেই যে গরু ফেরত গেল তা কিন্তু নয়। স্বাভাবিক সময়েও গরুর দাম না ওঠায় ব্যবসায়ীরা গরু ফেরত নিয়ে গিয়েছে।

প্রায় ১৬ মাসের অধিক বিশ্বমহামারি চলছে। একারণে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেওয়াটা স্বাভাবিক। বহু মানুষের কর্মহীন। অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ব্যবসা-বাণিজ্যের চাকা প্রায় স্থবির। ক্ষুদ্র থেকে মাঝারি ব্যবসায়ীরা অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এসব কারণে একক কোরবানির সংখ্যা কমেছে।

বহু মানুষ দুই কোরবানির ঈদে শরিকে কোরবানি দিতে বাধ্য হয়েছেন। এসব প্রভাবে বাজার মন্দা। অনেকে পূঁজির অভাবে ব্যবসায় পরিচালনা পর্যন্ত করতে পারছে না।

অপর দিকে করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে সরকারী উদ্যোগে ২৪১টি ডিজিটাল হাটের ব্যবস্থা করা হয়। এসব হাটে ২২৫ কোটি টাকার বেশি কোরবানির পশু বিক্রি হয়েছে। এরও প্রভাব পড়েছে এবারের কোরবানির হাটে।

ফলে দাম ও ক্রেতা কম থাকায় বিক্রি হয়নি হাজার হাজার পশু। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে ঢাকায় থেকেও বিক্রি করতে পারেননি সিংহভাগ গরু। ফলে বিপাকে পড়েছেন উত্তরবঙ্গের খামারি ও ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা জানান, শুধু উত্তরবঙ্গের অন্তত ১০ হাজার গরু অবিক্রীত রয়ে গেছে।

ঈদের দিন সকাল থেকে মহাসড়কে শত শত ট্রাক-পিকআপে হাজারো গরু ফেরত নিয়ে যেতে দেখা গেছে। অনেক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলো থেকে অসংখ্য খামারি ও ব্যবসায়ীরা কয়েক হাজারো পশু ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাটে তোলেন। বিক্রি না হওয়ায় ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অবিক্রিতই থাকলো হাজারো গরু

আপডেট সময় : ১০:৪২:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জুলাই ২০২১

ছবি: সংগৃহীত

করোনা মহামারিতেও ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাটে বিপুল পরিমাণের কোরবানির পশুর আমদানি হয়েছিলো। কিন্তু তার একটা বড় অংশ অবিক্রিত থেকে গিয়েছে। ভালো দামের আশায় উত্তরবঙ্গের খামারি ও ব্যবসায়ীরা ট্রাক ভাড়া করে এসব গরু নিয়ে আসেন। কিন্তু কাঙ্খিত দাম না পেয়ে ঈদের দিন হাজার হাজার গরু ফেরত নিয়ে যান।

ব্যবসায়ীরা জানান, দুই তিন বছর ধরে গরুগুলো লালন পালনে যে পরিমাণ ব্যয় হয়েছে, তার অর্ধেকও দামও ওঠেনি এবারে।

কোরবানির হাট থেকে এবারেই যে গরু ফেরত গেল তা কিন্তু নয়। স্বাভাবিক সময়েও গরুর দাম না ওঠায় ব্যবসায়ীরা গরু ফেরত নিয়ে গিয়েছে।

প্রায় ১৬ মাসের অধিক বিশ্বমহামারি চলছে। একারণে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেওয়াটা স্বাভাবিক। বহু মানুষের কর্মহীন। অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ব্যবসা-বাণিজ্যের চাকা প্রায় স্থবির। ক্ষুদ্র থেকে মাঝারি ব্যবসায়ীরা অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এসব কারণে একক কোরবানির সংখ্যা কমেছে।

বহু মানুষ দুই কোরবানির ঈদে শরিকে কোরবানি দিতে বাধ্য হয়েছেন। এসব প্রভাবে বাজার মন্দা। অনেকে পূঁজির অভাবে ব্যবসায় পরিচালনা পর্যন্ত করতে পারছে না।

অপর দিকে করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে সরকারী উদ্যোগে ২৪১টি ডিজিটাল হাটের ব্যবস্থা করা হয়। এসব হাটে ২২৫ কোটি টাকার বেশি কোরবানির পশু বিক্রি হয়েছে। এরও প্রভাব পড়েছে এবারের কোরবানির হাটে।

ফলে দাম ও ক্রেতা কম থাকায় বিক্রি হয়নি হাজার হাজার পশু। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে ঢাকায় থেকেও বিক্রি করতে পারেননি সিংহভাগ গরু। ফলে বিপাকে পড়েছেন উত্তরবঙ্গের খামারি ও ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা জানান, শুধু উত্তরবঙ্গের অন্তত ১০ হাজার গরু অবিক্রীত রয়ে গেছে।

ঈদের দিন সকাল থেকে মহাসড়কে শত শত ট্রাক-পিকআপে হাজারো গরু ফেরত নিয়ে যেতে দেখা গেছে। অনেক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলো থেকে অসংখ্য খামারি ও ব্যবসায়ীরা কয়েক হাজারো পশু ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাটে তোলেন। বিক্রি না হওয়ায় ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।