ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

Rice smuggling : সোয়া কোটি টাকার চাল পাচারের ঘটনায় কর্মকর্তা গ্রেফতার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২২ ২৯৮ বার পড়া হয়েছে

সরকারী গুদামে চাল : িফাইল ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে প্রায় সোয়া কোটি টাকা মূল্যের ১৩০ মেট্রিক টন চাল পাচারের অভিযোগে শফিকুর রহমান নামে এক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গুদামের চাল পাচার বিক্রি করে ফেলতেন তিনি।

অবশেষে শুক্রবার তাকে গ্রেফতারের পর ৫৪ ধারায় আদালতে তোলা হয়। শালিখা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সালমা চৌধুরী বাদী হয়ে শফিকুরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ঘটনা তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

জানা গিয়েছে, গত নভেম্বরের শেষ দিকে আড়পাড়া সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে সরকারি চাল পাচারের শঙ্কা দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মাগুরা জেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনোতোষ কুমার মজুমদার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত চলাকালে প্রাথমিকভাবে কমপক্ষে ১৩০ মেট্রিক টন চাল পাচারের বিষয়টি নিশ্চিত হন তিনি।

খাদ্য বিভাগ সূত্রের খবর, শালিখা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা শফিকুর রহমান উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সালমা চৌধুরী যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি চাল পাচার করে খোলা বাজারে বিক্রি করে আসছিলেন। বিষয়গুলো ধামাচাপা দিতেন সালমা চৌধুরী।

প্রতি ১৫ দিন পর পর গুদাম পরিদর্শন করার নিয়ম থাকলেও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক গুদাম পরিদর্শন না করেই স্টক রেজিস্ট্রারে সই করে দিতেন। গত ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত খাদ্যের মজুদ ঠিক রয়েছে বলেও সই করেন।

এসব ঘটনা এক পর্যায়ে উর্ধতন কর্তাদের কানে এলে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গুদামটি সিলগালা করে দেন। মাগুরা জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, কুষ্টিয়ার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, ঝিনাইদহ সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, খুলনা আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের একজন রসায়নবিদকে সদস্য করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন হয়।

এ বিষয়ে মাগুরা জেলার ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনোতোষ কুমার মজুমদার সংবাদমাধ্যমকে জানান, তদন্তে জড়িতরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Rice smuggling : সোয়া কোটি টাকার চাল পাচারের ঘটনায় কর্মকর্তা গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২২

অনলাইন ডেস্ক

মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে প্রায় সোয়া কোটি টাকা মূল্যের ১৩০ মেট্রিক টন চাল পাচারের অভিযোগে শফিকুর রহমান নামে এক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গুদামের চাল পাচার বিক্রি করে ফেলতেন তিনি।

অবশেষে শুক্রবার তাকে গ্রেফতারের পর ৫৪ ধারায় আদালতে তোলা হয়। শালিখা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সালমা চৌধুরী বাদী হয়ে শফিকুরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ঘটনা তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

জানা গিয়েছে, গত নভেম্বরের শেষ দিকে আড়পাড়া সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে সরকারি চাল পাচারের শঙ্কা দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মাগুরা জেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনোতোষ কুমার মজুমদার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত চলাকালে প্রাথমিকভাবে কমপক্ষে ১৩০ মেট্রিক টন চাল পাচারের বিষয়টি নিশ্চিত হন তিনি।

খাদ্য বিভাগ সূত্রের খবর, শালিখা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা শফিকুর রহমান উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সালমা চৌধুরী যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি চাল পাচার করে খোলা বাজারে বিক্রি করে আসছিলেন। বিষয়গুলো ধামাচাপা দিতেন সালমা চৌধুরী।

প্রতি ১৫ দিন পর পর গুদাম পরিদর্শন করার নিয়ম থাকলেও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক গুদাম পরিদর্শন না করেই স্টক রেজিস্ট্রারে সই করে দিতেন। গত ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত খাদ্যের মজুদ ঠিক রয়েছে বলেও সই করেন।

এসব ঘটনা এক পর্যায়ে উর্ধতন কর্তাদের কানে এলে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গুদামটি সিলগালা করে দেন। মাগুরা জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, কুষ্টিয়ার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, ঝিনাইদহ সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, খুলনা আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের একজন রসায়নবিদকে সদস্য করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন হয়।

এ বিষয়ে মাগুরা জেলার ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনোতোষ কুমার মজুমদার সংবাদমাধ্যমকে জানান, তদন্তে জড়িতরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে।