ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম লাইনে দাঁড়িয়ে স্বস্তি: অল্প সময়েই তেল পেলেন বাইকচালক মোহাম্মদ আলী দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে

Rampal Thermal Power : ফের বন্ধ রামপাল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩ ২১৭ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাটে রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র : ফাইল ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বিনিয়োগে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের দুই ইউনিটের বাগের হাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিটে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হয় গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর। উৎপাদন শুরুর সাত মাসের মধ্যে কেন্দ্রটি এ নিয়ে ৬বার বন্ধ হল।

সুপ্রসন্ন হচ্ছে বাগেরহাট রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের। কয়লা সংকটে দফায় দফায় উৎপাদন বন্ধ হচ্ছে। সর্বশেষ রবিবার ভোর রাত সাড়ে ৩টার নাগাদ কেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উপমহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজীম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, কয়লা সংকটের কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। আগামী ৭-৮ আগস্ট উৎপাদন চালু হতে পারে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে এভাবে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ঘন ঘন বন্ধ ও চালু করতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কেন্দ্রটির একটি ইউনিট চালু করার পর জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। ডলার সংকটে কয়লা আমদানি জটিলতায় উৎপাদন শুরুর ২৭ দিনের মাথায় গত ১৪ জানুয়ারি প্রথম উৎপাদন বন্ধ হয়। কয়লা সরবরাহ স্বাভাবিক হলে এক মাসের মাথায় ফের কেন্দ্রটি চালু করা হয়।

গত ১৫ এপ্রিল কেন্দ্রটি আবার বন্ধ করা হয়। তিন দিনের ব্যবধানে পুনরায় চালু করা হলে আবারও বন্ধ হয় ২৩ এপ্রিল। এরপর কারিগরি ত্রুটির কারণে গত ৩০ জুন উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ত্রুটি সারিয়ে ১০ জুলাই শুরু হয় উৎপাদনে ফেরে। এরপরও কারিগরি ত্রুটির কারণে গত ১৬ জুলাই বন্ধ হয়।

শেষে ২০ জুলাই দুপুর থেকে পুনরায় উৎপাদনে যায় রামপাল। কেন্দ্রটির একটি ইউনিট চালু রাখতে দৈনিক প্রয়োজন পাঁচ হাজার মেট্রিক টন কয়লা।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি একবার বন্ধের পর চালু করতে এক-দেড় দিন সময় লাগে। প্রতিবার চালু করতে প্রয়োজন হয় এক লাখ লিটার জ্বালানি তেল, যার বাজারমূল্য কোটি টাকার বেশি। চালুর পর শুরু হয় কয়লার ব্যবহার। এভাবে ঘন ঘন বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ ও চালুর ফলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Rampal Thermal Power : ফের বন্ধ রামপাল

আপডেট সময় : ০৬:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বিনিয়োগে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের দুই ইউনিটের বাগের হাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিটে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হয় গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর। উৎপাদন শুরুর সাত মাসের মধ্যে কেন্দ্রটি এ নিয়ে ৬বার বন্ধ হল।

সুপ্রসন্ন হচ্ছে বাগেরহাট রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের। কয়লা সংকটে দফায় দফায় উৎপাদন বন্ধ হচ্ছে। সর্বশেষ রবিবার ভোর রাত সাড়ে ৩টার নাগাদ কেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উপমহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজীম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, কয়লা সংকটের কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। আগামী ৭-৮ আগস্ট উৎপাদন চালু হতে পারে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে এভাবে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ঘন ঘন বন্ধ ও চালু করতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কেন্দ্রটির একটি ইউনিট চালু করার পর জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। ডলার সংকটে কয়লা আমদানি জটিলতায় উৎপাদন শুরুর ২৭ দিনের মাথায় গত ১৪ জানুয়ারি প্রথম উৎপাদন বন্ধ হয়। কয়লা সরবরাহ স্বাভাবিক হলে এক মাসের মাথায় ফের কেন্দ্রটি চালু করা হয়।

গত ১৫ এপ্রিল কেন্দ্রটি আবার বন্ধ করা হয়। তিন দিনের ব্যবধানে পুনরায় চালু করা হলে আবারও বন্ধ হয় ২৩ এপ্রিল। এরপর কারিগরি ত্রুটির কারণে গত ৩০ জুন উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ত্রুটি সারিয়ে ১০ জুলাই শুরু হয় উৎপাদনে ফেরে। এরপরও কারিগরি ত্রুটির কারণে গত ১৬ জুলাই বন্ধ হয়।

শেষে ২০ জুলাই দুপুর থেকে পুনরায় উৎপাদনে যায় রামপাল। কেন্দ্রটির একটি ইউনিট চালু রাখতে দৈনিক প্রয়োজন পাঁচ হাজার মেট্রিক টন কয়লা।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি একবার বন্ধের পর চালু করতে এক-দেড় দিন সময় লাগে। প্রতিবার চালু করতে প্রয়োজন হয় এক লাখ লিটার জ্বালানি তেল, যার বাজারমূল্য কোটি টাকার বেশি। চালুর পর শুরু হয় কয়লার ব্যবহার। এভাবে ঘন ঘন বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ ও চালুর ফলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।