ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

POWER: বিদ্যুৎ সংকটে কিয়েভ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২ ২৯২ বার পড়া হয়েছে

ছবি: রয়টার্স

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিউজ ডেস্ক

ইউক্রেনের কিয়েভে রবিবার থেকে ভারী তুষারপাতের সম্ভাবনা ছিল। তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নেমে গেছে। ইউক্রেনের রাজধানী এবং আশেপাশ এলাকায় বসবাস করে এমন লাখ লাখ মানুষের পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নেই।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা শনিবার বলছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীরা সারাদেশে বিধিনিষেধ এবং ব্ল্যাকআউটের মধ্যে প্রয়োজনীয় চাহিদার মাত্র তিন-চতুর্থাংশ বরাদ্দ করতে সক্ষম হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেনের ২৭টি অঞ্চলের মধ্যে ১৪ টিতে এবং কিয়েভের প্রতিটি অঞ্চলে প্রায় ১ লাখ গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ রয়েছে।

জেলেনস্কি রাতের ভিডিওবার্তায় বলেন, ‘সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ ব্যবহার বাড়লে বিভ্রাটের ঘটনা বাড়তে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটি আবারও প্রমাণিত যে বিদ্যুৎ সংরক্ষণ করা এবং যুক্তিসঙ্গতভাবে ব্যবহার করা এখন কতটা গুরুত্বপূর্ণ।’

ইয়াসনো কিয়েভে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। ইয়াসিনোর চিফ অপারেটিং অফিসার সের্গেই কোভালেঙ্কো বলেন, ‘শহরের পরিস্থিতির উন্নতি হলেও এখন বেশ কঠিন পরিস্থিতি রয়ে গেছে। কিয়েভে প্রতিদিন কমপক্ষে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রত্যাশা করছে।

কোভালেঙ্কো তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন, দিনে অন্তত চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকে, তাহলে ডিটেক কিয়েভ ইলেকট্রিক নেটওয়ার্কে লিখুন। আমার সহকর্মীরা আপনার সমস্যাটি সমাধান করার চেষ্টা করবে। ইয়াসনো ডিটেক এর একটি শাখা। এটি ইউক্রেনের সবচেয়ে বৃহৎ বেসরকারি বিদ্যুৎ সরবরাহকারী।

বুধবার রাশিয়ার সর্বশেষ বোমাবর্ষণে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনের লক্ষাধিক জনগণ আলো, জল বা বিদ্যুৎ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

রাশিয়া বলেছে তারা বেসামরিক জনগণকে লক্ষ্য করে কোনো পদক্ষেপ নেয় না। এদিকে ক্রেমলিন বলেছে কিয়েভ মধ্যস্থতা করতে অনিচ্ছুক। এর পরিণতি হিসেবেই মস্কো জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

কিয়েভ শহরে তুষারপাত অব্যাহত থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুদ্ধের আগে কিয়েভে ২.৮ মিলিয়ন বাসিন্দা ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

POWER: বিদ্যুৎ সংকটে কিয়েভ

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২

নিউজ ডেস্ক

ইউক্রেনের কিয়েভে রবিবার থেকে ভারী তুষারপাতের সম্ভাবনা ছিল। তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নেমে গেছে। ইউক্রেনের রাজধানী এবং আশেপাশ এলাকায় বসবাস করে এমন লাখ লাখ মানুষের পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নেই।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা শনিবার বলছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীরা সারাদেশে বিধিনিষেধ এবং ব্ল্যাকআউটের মধ্যে প্রয়োজনীয় চাহিদার মাত্র তিন-চতুর্থাংশ বরাদ্দ করতে সক্ষম হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেনের ২৭টি অঞ্চলের মধ্যে ১৪ টিতে এবং কিয়েভের প্রতিটি অঞ্চলে প্রায় ১ লাখ গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ রয়েছে।

জেলেনস্কি রাতের ভিডিওবার্তায় বলেন, ‘সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ ব্যবহার বাড়লে বিভ্রাটের ঘটনা বাড়তে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটি আবারও প্রমাণিত যে বিদ্যুৎ সংরক্ষণ করা এবং যুক্তিসঙ্গতভাবে ব্যবহার করা এখন কতটা গুরুত্বপূর্ণ।’

ইয়াসনো কিয়েভে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। ইয়াসিনোর চিফ অপারেটিং অফিসার সের্গেই কোভালেঙ্কো বলেন, ‘শহরের পরিস্থিতির উন্নতি হলেও এখন বেশ কঠিন পরিস্থিতি রয়ে গেছে। কিয়েভে প্রতিদিন কমপক্ষে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রত্যাশা করছে।

কোভালেঙ্কো তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন, দিনে অন্তত চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকে, তাহলে ডিটেক কিয়েভ ইলেকট্রিক নেটওয়ার্কে লিখুন। আমার সহকর্মীরা আপনার সমস্যাটি সমাধান করার চেষ্টা করবে। ইয়াসনো ডিটেক এর একটি শাখা। এটি ইউক্রেনের সবচেয়ে বৃহৎ বেসরকারি বিদ্যুৎ সরবরাহকারী।

বুধবার রাশিয়ার সর্বশেষ বোমাবর্ষণে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনের লক্ষাধিক জনগণ আলো, জল বা বিদ্যুৎ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

রাশিয়া বলেছে তারা বেসামরিক জনগণকে লক্ষ্য করে কোনো পদক্ষেপ নেয় না। এদিকে ক্রেমলিন বলেছে কিয়েভ মধ্যস্থতা করতে অনিচ্ছুক। এর পরিণতি হিসেবেই মস্কো জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

কিয়েভ শহরে তুষারপাত অব্যাহত থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুদ্ধের আগে কিয়েভে ২.৮ মিলিয়ন বাসিন্দা ছিল।