ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

Mumbai terror attack : মুম্বাই সন্ত্রাসী হামলার ১৪তম বার্ষিকী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২ ৩১৭ বার পড়া হয়েছে

মুম্বাই জঙ্গি হামলার ১৪ বছর

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

পাকিস্তানকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ঘোষণার দাবিতে মানববন্ধন

‘২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত হামলা ঘটনায় ১৬৪ জন নিহত এবং অন্তত ৩০৮ জন আহত হন। ন্যাক্কারজনক এই ঘটনায় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। এই হামলার জন্য যেসব জঙ্গি তথ্যসংগ্রহ করেছে, তারা পরবর্তীতে স্বীকার করেছে, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিগেন্স (আইএসআই) তাদের মদত জোগাত’

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

২৬ নভেম্বর বিশ্বে সন্ত্রাসী হামলার ইতিহাসে এক ভয়াবহতম দিন। ২০০৮ সালের এই দিনে ভারতের মুম্বাই শহরে পাঁচতারকা হোটেলসহ আরো ১২টি স্থানে একযোগে হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তানি সন্ত্রাসীরা। কেড়ে নিয়েছিলো দেশি-বিদেশিসহ ১৬৬ জন নিরপরাধ মানুষের প্রাণ। সন্ত্রাসীরা পাকিস্তান থেকে সমুদ্র পথে এসে মুম্বাই প্রবেশ করেছিল। ভারতের ইতিহাসে ভয়াবহতম এই হামলার ঘটনার এক যুগ পেরিয়েছে। কিন্তু সেই ভয়াবহ হামলার সঙ্গে জড়িতদের সুষ্ঠু বিচারের মুখোমুখি করেনি পাকিস্তান সরকার।

মুম্বাইয়ে জঙ্গী হামলার ১৪তম বার্ষিকী স্মরণে শনিবার রাজশাহীতে ‘জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন বাংলাদেশ’ এর উদ্যোগে মানববন্ধন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেও ফের উচ্চারিত হলো মুম্বাই বিস্ফোরণের কুশিলবদের বিরুদ্ধে পাকিস্তান কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। বিচারের নামে চলেছে প্রহসন।

২০০৮ সালের মুম্বাইয়ে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ ঘটানোর নেপথ্য নায়কেরা পুরস্কৃত হয়েছে পাকিস্তানে। ভারতের পক্ষ থেকে প্রামাণ্য নথিপত্র দেওয়া সত্ত্বেও পাকিস্তানি সরকার লোক দেখানো কিছু বিবৃতি দেয়া ছাড়া হামলাকারীদের কোনও শাস্তি দেয়নি। বাংলাদেশ ছাড়াও বিভিন্ন দেশ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করলেও এবিষয়ে সেনাবাহিনী পরিচালিত পাক-সরকারের কোনও মাথাব্যথা নেই।

মুম্বাই জঙ্গি হামলার ১৪ বছরপূর্তীতে মানববন্ধন

মুম্বাই হামলা নিয়ে ইসলামাবাদের আচরণ প্রমাণ করছে মুম্বাইয়ের ২৬/১১ হামলা ছিলো পাকিস্তানের সরকারি মদদে ভয়ঙ্কর এক সন্ত্রাসী হামলা ও হত্যাকান্ড। মুম্বাই হামলা যে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর মদতেই হয়েছিল, সেটা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছেও আজ স্পষ্ট। তাই হামলার মূল চক্রী, লস্কর-এ-তৈয়বা (এলইটি)-র প্রধান হাফিজ সঈদ ও তার সঙ্গীদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে ব্যস্ত ইসলামাবাদ।

পাকিস্তানের মদদপুষ্ট জঙ্গিদের নজিরবিহীন সন্ত্রাসী হামলায় ভারতের মুম্বাইয়ের তাজ হোটেল এবং সংশ্লিষ্ট এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। যেখানে হামলার ঘটনায় ভারতীয়সহ ২২টি দেশের কয়েকশ নাগরিক হতাহত হয়েছিলেন। পাকিস্তান কীভাবে বাংলাদেশ ও ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে জঙ্গিবাদ রফতানিসহ ধর্মের নামে হত্যা, সন্ত্রাস ও ধ্বংসযজ্ঞ সাধন করে তার প্রমাণ ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ।

মানববন্ধনের সভাপতির কামরুজ্জামান বলেন, ভারতের তরফে হামলার ব্যাপারে প্রামাণ্য নথিপত্র দেয়া হলেও পাকিস্তানি সরকার লোক দেখানো কিছু বিবৃতি দেয়া ছাড়া কোনও শাস্তি দেয়নি মুম্বাইয়ের সন্ত্রাসী হামলাকারীদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Mumbai terror attack : মুম্বাই সন্ত্রাসী হামলার ১৪তম বার্ষিকী

আপডেট সময় : ১২:৪১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২

ছবি সংগ্রহ

পাকিস্তানকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ঘোষণার দাবিতে মানববন্ধন

‘২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত হামলা ঘটনায় ১৬৪ জন নিহত এবং অন্তত ৩০৮ জন আহত হন। ন্যাক্কারজনক এই ঘটনায় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। এই হামলার জন্য যেসব জঙ্গি তথ্যসংগ্রহ করেছে, তারা পরবর্তীতে স্বীকার করেছে, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিগেন্স (আইএসআই) তাদের মদত জোগাত’

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

২৬ নভেম্বর বিশ্বে সন্ত্রাসী হামলার ইতিহাসে এক ভয়াবহতম দিন। ২০০৮ সালের এই দিনে ভারতের মুম্বাই শহরে পাঁচতারকা হোটেলসহ আরো ১২টি স্থানে একযোগে হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তানি সন্ত্রাসীরা। কেড়ে নিয়েছিলো দেশি-বিদেশিসহ ১৬৬ জন নিরপরাধ মানুষের প্রাণ। সন্ত্রাসীরা পাকিস্তান থেকে সমুদ্র পথে এসে মুম্বাই প্রবেশ করেছিল। ভারতের ইতিহাসে ভয়াবহতম এই হামলার ঘটনার এক যুগ পেরিয়েছে। কিন্তু সেই ভয়াবহ হামলার সঙ্গে জড়িতদের সুষ্ঠু বিচারের মুখোমুখি করেনি পাকিস্তান সরকার।

মুম্বাইয়ে জঙ্গী হামলার ১৪তম বার্ষিকী স্মরণে শনিবার রাজশাহীতে ‘জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন বাংলাদেশ’ এর উদ্যোগে মানববন্ধন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেও ফের উচ্চারিত হলো মুম্বাই বিস্ফোরণের কুশিলবদের বিরুদ্ধে পাকিস্তান কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। বিচারের নামে চলেছে প্রহসন।

২০০৮ সালের মুম্বাইয়ে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ ঘটানোর নেপথ্য নায়কেরা পুরস্কৃত হয়েছে পাকিস্তানে। ভারতের পক্ষ থেকে প্রামাণ্য নথিপত্র দেওয়া সত্ত্বেও পাকিস্তানি সরকার লোক দেখানো কিছু বিবৃতি দেয়া ছাড়া হামলাকারীদের কোনও শাস্তি দেয়নি। বাংলাদেশ ছাড়াও বিভিন্ন দেশ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করলেও এবিষয়ে সেনাবাহিনী পরিচালিত পাক-সরকারের কোনও মাথাব্যথা নেই।

মুম্বাই জঙ্গি হামলার ১৪ বছরপূর্তীতে মানববন্ধন

মুম্বাই হামলা নিয়ে ইসলামাবাদের আচরণ প্রমাণ করছে মুম্বাইয়ের ২৬/১১ হামলা ছিলো পাকিস্তানের সরকারি মদদে ভয়ঙ্কর এক সন্ত্রাসী হামলা ও হত্যাকান্ড। মুম্বাই হামলা যে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর মদতেই হয়েছিল, সেটা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছেও আজ স্পষ্ট। তাই হামলার মূল চক্রী, লস্কর-এ-তৈয়বা (এলইটি)-র প্রধান হাফিজ সঈদ ও তার সঙ্গীদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে ব্যস্ত ইসলামাবাদ।

পাকিস্তানের মদদপুষ্ট জঙ্গিদের নজিরবিহীন সন্ত্রাসী হামলায় ভারতের মুম্বাইয়ের তাজ হোটেল এবং সংশ্লিষ্ট এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। যেখানে হামলার ঘটনায় ভারতীয়সহ ২২টি দেশের কয়েকশ নাগরিক হতাহত হয়েছিলেন। পাকিস্তান কীভাবে বাংলাদেশ ও ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে জঙ্গিবাদ রফতানিসহ ধর্মের নামে হত্যা, সন্ত্রাস ও ধ্বংসযজ্ঞ সাধন করে তার প্রমাণ ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ।

মানববন্ধনের সভাপতির কামরুজ্জামান বলেন, ভারতের তরফে হামলার ব্যাপারে প্রামাণ্য নথিপত্র দেয়া হলেও পাকিস্তানি সরকার লোক দেখানো কিছু বিবৃতি দেয়া ছাড়া কোনও শাস্তি দেয়নি মুম্বাইয়ের সন্ত্রাসী হামলাকারীদের।