ঢাকা ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম লাইনে দাঁড়িয়ে স্বস্তি: অল্প সময়েই তেল পেলেন বাইকচালক মোহাম্মদ আলী দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে

Mongla Port : মোংলা বন্দর প্রকল্পের আপগ্রেডেশন পিএমসি চুক্তি স্বাক্ষর 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২২ ২১৯ বার পড়া হয়েছে

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা : ছবি ভারতীয় হাইকমিশনের সৌজন্যে

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

`মোংলা বন্দরের আপগ্রেডেশন’ প্রকল্পটি শিপিং/বন্দর সেক্টরের সবচেয়ে বড় প্রকল্প যা ভারত সরকার তার রেয়াতি ঋণের অধীনে অর্থায়ন করছে। এই বন্দরের উন্নয়ন শুধু ভারতের সঙ্গে নয়, ভুটান ও নেপালের সঙ্গেও বাংলাদেশের সামুদ্রিক যোগাযোগ জোরদার করবে’

`ভারত খুলনা-মোংলা বন্দর রেললাইন প্রকল্প ও খুলনা-দর্শনা রেললাইন প্রকল্পের জন্যও রেয়াতি অর্থায়ন করছে এবং এই প্রকল্পসমূহ সম্পন্ন হলে মোংলা বন্দরটি বাংলাদেশের একমাত্র রেল সংযোগযুক্ত বন্দর হিসেবে একটি সত্যিকারের বহুমুখী কেন্দ্রে পরিণত হয়ে অপরিমেয় অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে উন্মুক্ত করবে। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের এক সংবাদবার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়’

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

ভারতের লাইন অফ ক্রেডিটের অধীনে মোংলা বন্দরের আপগ্রেডেশন প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্সি (পিএমসি) পরিষেবাসমূহের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ইজিআইএস ইন্ডিয়া কনসাল্টিং ইঞ্জিনিয়ার্স প্রাইভেট লিমিটেডের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

ভারত সরকারের কনসেশনাল লাইন অফ ক্রেডিটের অধীনে প্রকল্পটির মোট ব্যয় ৫৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যার পিএমসি চুক্তিটি ইজিআইএস ইন্ডিয়া কনসাল্টিং ইঞ্জিনিয়ার্স প্রাইভেট লিমিটেডকে দেওয়া হয়েছে ৯.৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলাররে বিনিময়ে।

সোমবার এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের মাননীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা ও নৌপরিবহন মন্ত্রকের সচিব মো: মোস্তফা কামাল অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

হাই কমিশনার ভার্মা তার বক্তৃতায় বলেন, আর্থিক মূল্য ও প্রকল্পের সংখ্যা উভয় দিক থেকেই বাংলাদেশ ভারতের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী। বিশ্বব্যাপী ভারতের উন্নয়ন সহায়তার প্রায় এক-চতুর্থাংশ বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের বৈচিত্রময় নানা প্রকল্পে সম্প্রসারিত হয়েছে। এই দৃঢ় উন্নয়ন সহযোগিতা বৃহত্তর প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের অংশীদারিত্বের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।

হাই কমিশনার জোর দিয়ে বলেন, মোংলা বন্দর প্রকল্পের মতো বিভিন্ন সংযোগ প্রকল্প সম্পন্ন হলে, তা শুধু ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কেই নয়, সমগ্র উপ-অঞ্চলের অর্থনীতিতেও একটি রূপান্তরমূলক প্রভাব ফেলবে।

ভারত সরকার বাংলাদেশ সরকারকে এখনও পর্যন্ত ৭.৮৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের চারটি রেয়াতি লাইন অফ ক্রেডিট প্রদান করেছে। এই রেয়াতি ঋণের আওতায় ৪২টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি প্রকল্প ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকিগুলো বাস্তবায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। অতিমারির কারণে সৃষ্ট গুরুতর চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যের প্রকল্পসমূহের চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে এবং ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

‘মোংলা বন্দরের আপগ্রেডেশন’ প্রকল্পটি শিপিং/বন্দর সেক্টরের সবচেয়ে বড় প্রকল্প যা ভারত সরকার তার রেয়াতি ঋণের অধীনে অর্থায়ন করছে। এই বন্দরের উন্নয়ন শুধু ভারতের সঙ্গে নয়, ভুটান ও নেপালের সঙ্গেও বাংলাদেশের সামুদ্রিক যোগাযোগ জোরদার করবে।

ভারত খুলনা-মোংলা বন্দর রেললাইন প্রকল্প ও খুলনা-দর্শনা রেললাইন প্রকল্পের জন্যও রেয়াতি অর্থায়ন করছে এবং এই প্রকল্পসমূহ সম্পন্ন হলে মোংলা বন্দরটি বাংলাদেশের একমাত্র রেল সংযোগযুক্ত বন্দর হিসেবে একটি সত্যিকারের বহুমুখী কেন্দ্রে পরিণত হয়ে অপরিমেয় অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে উন্মুক্ত করবে। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের এক সংবাদবার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Mongla Port : মোংলা বন্দর প্রকল্পের আপগ্রেডেশন পিএমসি চুক্তি স্বাক্ষর 

আপডেট সময় : ০৬:২১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২২

`মোংলা বন্দরের আপগ্রেডেশন’ প্রকল্পটি শিপিং/বন্দর সেক্টরের সবচেয়ে বড় প্রকল্প যা ভারত সরকার তার রেয়াতি ঋণের অধীনে অর্থায়ন করছে। এই বন্দরের উন্নয়ন শুধু ভারতের সঙ্গে নয়, ভুটান ও নেপালের সঙ্গেও বাংলাদেশের সামুদ্রিক যোগাযোগ জোরদার করবে’

`ভারত খুলনা-মোংলা বন্দর রেললাইন প্রকল্প ও খুলনা-দর্শনা রেললাইন প্রকল্পের জন্যও রেয়াতি অর্থায়ন করছে এবং এই প্রকল্পসমূহ সম্পন্ন হলে মোংলা বন্দরটি বাংলাদেশের একমাত্র রেল সংযোগযুক্ত বন্দর হিসেবে একটি সত্যিকারের বহুমুখী কেন্দ্রে পরিণত হয়ে অপরিমেয় অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে উন্মুক্ত করবে। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের এক সংবাদবার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়’

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

ভারতের লাইন অফ ক্রেডিটের অধীনে মোংলা বন্দরের আপগ্রেডেশন প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্সি (পিএমসি) পরিষেবাসমূহের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ইজিআইএস ইন্ডিয়া কনসাল্টিং ইঞ্জিনিয়ার্স প্রাইভেট লিমিটেডের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

ভারত সরকারের কনসেশনাল লাইন অফ ক্রেডিটের অধীনে প্রকল্পটির মোট ব্যয় ৫৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যার পিএমসি চুক্তিটি ইজিআইএস ইন্ডিয়া কনসাল্টিং ইঞ্জিনিয়ার্স প্রাইভেট লিমিটেডকে দেওয়া হয়েছে ৯.৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলাররে বিনিময়ে।

সোমবার এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের মাননীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা ও নৌপরিবহন মন্ত্রকের সচিব মো: মোস্তফা কামাল অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

হাই কমিশনার ভার্মা তার বক্তৃতায় বলেন, আর্থিক মূল্য ও প্রকল্পের সংখ্যা উভয় দিক থেকেই বাংলাদেশ ভারতের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী। বিশ্বব্যাপী ভারতের উন্নয়ন সহায়তার প্রায় এক-চতুর্থাংশ বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের বৈচিত্রময় নানা প্রকল্পে সম্প্রসারিত হয়েছে। এই দৃঢ় উন্নয়ন সহযোগিতা বৃহত্তর প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের অংশীদারিত্বের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।

হাই কমিশনার জোর দিয়ে বলেন, মোংলা বন্দর প্রকল্পের মতো বিভিন্ন সংযোগ প্রকল্প সম্পন্ন হলে, তা শুধু ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কেই নয়, সমগ্র উপ-অঞ্চলের অর্থনীতিতেও একটি রূপান্তরমূলক প্রভাব ফেলবে।

ভারত সরকার বাংলাদেশ সরকারকে এখনও পর্যন্ত ৭.৮৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের চারটি রেয়াতি লাইন অফ ক্রেডিট প্রদান করেছে। এই রেয়াতি ঋণের আওতায় ৪২টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি প্রকল্প ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকিগুলো বাস্তবায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। অতিমারির কারণে সৃষ্ট গুরুতর চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যের প্রকল্পসমূহের চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে এবং ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

‘মোংলা বন্দরের আপগ্রেডেশন’ প্রকল্পটি শিপিং/বন্দর সেক্টরের সবচেয়ে বড় প্রকল্প যা ভারত সরকার তার রেয়াতি ঋণের অধীনে অর্থায়ন করছে। এই বন্দরের উন্নয়ন শুধু ভারতের সঙ্গে নয়, ভুটান ও নেপালের সঙ্গেও বাংলাদেশের সামুদ্রিক যোগাযোগ জোরদার করবে।

ভারত খুলনা-মোংলা বন্দর রেললাইন প্রকল্প ও খুলনা-দর্শনা রেললাইন প্রকল্পের জন্যও রেয়াতি অর্থায়ন করছে এবং এই প্রকল্পসমূহ সম্পন্ন হলে মোংলা বন্দরটি বাংলাদেশের একমাত্র রেল সংযোগযুক্ত বন্দর হিসেবে একটি সত্যিকারের বহুমুখী কেন্দ্রে পরিণত হয়ে অপরিমেয় অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে উন্মুক্ত করবে। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের এক সংবাদবার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়।