সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন

Maitri Super Thermal Power : মৈত্রী সুপার থার্মাল বিদ্যুৎ প্রকল্পে সক্রিয় ৪০০ কেভি সুইচইয়ার্ড ও ইন্টারকানেক্টিং ট্রান্সফরমার

Reporter Name
  • প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২২
  • ৬৫

ছবি ভারতীয় হাইকমিশন

আমিনুল হক, ঢাকা

বাংলাদেশের দক্ষিণজনপদের রামপাল মৈত্রী সুপার থার্মাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে ৪০০ কেভি সুইচ ইয়ার্ড এবং ইন্টারকানেক্টিং ট্রান্সফরমার সাব-স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাঈদ আকরাম উল্লাহ, প্রধান মহাব্যবস্থাপক ডি কে দুবে, ভারত হেভি ইলেকট্রিক্যালস লিমিটেড (ভেল) ইন্টারন্যাশনালের পরিচালন প্রধান বি কে গঙ্গোপাধ্যায় এবং ভেল প্রকল্প প্রধান উদয় শঙ্কর। বৃহস্পতিবার ভারতীয় হাইকমিশনের এক সংবাদ বার্তায় এতথ্য জানানো হয়।

রামপাল মৈত্রী সুপার থারমাল বিদ্যুৎ প্রকল্প

বলা হয়েছে, রামপাল মৈত্রী সুপার থারমাল বিদ্যুৎ প্রকল্পের ৪০০ কেভি জিআইএস সুইচইয়ার্ড এবং ইন্টারকানেক্টিং ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে পায়রা বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ২৩০ কেভি গ্রিড সিস্টেমে ৪০০ কেভি বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। এতে করে বাংলাদেশ পাওয়ার গ্রিড কর্পোরেশন খুলনা অঞ্চলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রেরণ করে গ্রীষ্মকালীন সর্বোচ্চ চাহিদা মেটাতে সক্ষম। মৈত্রী প্ল্যান্ট সাব-স্টেশনে ৪০০ কেভি জিআইএস সুইচইয়ার্ড এবং ইন্টারকানেক্টিং ট্রান্সফরমারটি বুধবার সক্রিয় করা হয়েছিল। যা ধীরে ধীরে চাহিদা অনুসারে বিদ্যুৎ প্রবাহ করা হবে।

বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) প্রকল্পের স্থাপন করছে ভারত হেভি ইলেকট্রিক্যালস লিমিটেড (ভেল)। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) এবং ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেড (এনটিপিসি ) যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রেটির মালিকানা অর্ধেক অর্ধেক। আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সক্ষম।

রামপাল মৈত্রী সুপার থারমাল বিদ্যুৎ প্রকল্প

বায়ু এবং জল দূষণ কমানোর জন্য অন্তর্নির্মিত কিছু পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে এসওএক্স (ঝঙী) এর নির্গমন নিয়ন্ত্রণের জন্য কোনো বাইপাস ছাড়াই একটি জ্বালানি গ্যাস ডিসালফারাইজেশন সিস্টেম (এফজিডি), পশুর নদীর দূষণ এড়াতে একটি সমন্বিত বর্জ্য ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা, কম ছাই এবং সালফার যুক্ত সামগ্রীসহ উচ্চ মানসম্মত কয়লার ব্যবহার, জ্বালানি গ্যাস নির্গমনের জন্য সবচেয়ে লম্বা চিমনি (২৭৫ মিটার)। এটি শীঘ্রই বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করবে। ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার দুই ইউনিটের বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০১৭ সালের ২৪ এপ্রিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 voiceekattor
কারিগরি সহযোগিতায়: সোহাগ রানা
11223