Fuel prices in Asia: এশিয়ায় জ্বালানির রেকর্ড দাম বাড়াল সৌদি
- আপডেট সময় : ১১:০৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অগাস্ট ২০২২ ২৬৭ বার পড়া হয়েছে
ছবি সংগ্রহ
‘যদিও সৌদি আরব তার বেশিরভাগ তেল এশিয়ায় বিক্রি করে থাকে। সবচেয়ে ক্রেতার তালিকায় রয়েছে চীন, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান’
নিউজ ডেস্ক
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে বিশ্ব বাজারে জ্বালানির দাম চড়া। চলমান দামের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সৌদী আরব সরকার এশিয়ার বাজারে প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য অতিরিক্ত ৫০ সেন্ট (হাফ ডলার) বাড়িয়েছে। যা কিনা চলতি আগস্ট থেকেই কার্যকর।
এটিকে এশিয়ায় জ্বালানির দাম বাড়ার রেকর্ড বলা হচ্ছে। সৌদী সরকার জ্বালানি তেলের এশীয় ক্রেতাদের ক্ষেত্রে অন্যান্য বৈশ্বিক ক্রেতাদের তুলনায় কিছু ছাড় দেয়। জুলাই মাসে সৌদি আরবে জ্বালানি তেলের উৎপাদন কম হয়েছে ওপেক প্লাসের এমন বিবৃতির একদিন পরই তেলের দাম বাড়িনোর বার্তা দিল আরামকো।
মন্থর অর্থনীতি অপরিশোধিত তেলের বৈশ্বিক চাহিদাকে আঘাত করতে শুরু করেছে এমন ইঙ্গিত থাকা সত্ত্বেও সৌদি আরামকো এশিয়ান শোধনাগারগুলোতে পরের মাসে চালানের জন্য তার আরব লাইট গ্রেডকে (হাই সালফার ক্রুড ওয়েল) মধ্যপ্রাচ্যের বেঞ্চমার্কের উপরে ব্যারেল প্রতি দাম বাড়িয়েছে।
যদিও সৌদি আরব তার বেশিরভাগ তেল এশিয়ায় বিক্রি করে থাকে। সবচেয়ে ক্রেতার তালিকায় রয়েছে চীন, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান।
ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর অভিযান শুরুর পর রাশিয়ার জ্বালানি তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ। ফলে বিশ্বজুড়েই বাড়তে থাকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। গত মে-জুন মাসে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড জ্বালানির দাম ছুঁয়েছিল ১৩০ ডলারের মাইলফলক; যা বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজারে সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড।
জুলাই মাস থেকে লিবিয়া থেকে অধিক হারে সরবরাহ আসার ফলে ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসে জ্বালানি তেলের দাম। বুধবার দাম ৪ শতাংশ কমে ১০০ ডলারের নিচে নেমেছে। অপরিশোধিত ও পরিশোধিত- দু’ধরনের জ্বালানি তেলই বিক্রি করে সৌদি আরব। সূত্র- ব্লুমবার্গ, রয়টার্স























