ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

fuel : ফের ৮০ ডলারের নিচে নামল জ্বালানির দাম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৩:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৩ ৩৭৪ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ফের ৮০ ডলারের নিচে নামলো। বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার সাথে কমছে জ্বালানির দাম। শুক্রবার অপরিশোধিত তেলের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের ব্যারেল প্রতি দাম ৭৮ দশমিক ৮২ ডলার। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসের পর্যায়ে নেমেছে জ্বালানির দাম।

গত ৩ জানুয়ারি ব্রেন্ট ক্রুডের ব্যারেল প্রতি দাম ছিল ৮৩ ডলার। গত ৭ ডিসেম্বর ব্রেন্ট ক্রুডের দর ছিল ৭৭ ডলার। গত এক মাস ধরে জ্বালানির দর ৭৭ থেকে ৮৩ ডলারের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে।

করোনাকালীন জ্বলানির তেলের চাহিদা কমে আসায় অপরিশোধিত জ্বালানির দর ব্যারেল প্রতি শূন্যের নিচে নেমে আসে। ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময় যখন বিশ্বজুড়ে করোনার বিধিনিষেধ উঠে গেলে, জ্বালানির দাম বাড়তে থাকে।

গত বছরের অক্টোবরের শেষ দিকে দুই ধরনের তেলের দাম ৮০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। সে সময় বাংলাদেশ সরকারও ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ টাকা নির্ধারণ করে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০২৩ সালে বিশ্বের উন্নত দেশগুলো মন্দার কবলে পড়বে। অর্থাৎ ২০২০ সালের পর আবারও অর্থনৈতিক সংকোচনের মুখে পড়বে তারা। রাশিয়ার জ্বালানিতে নিষেধাজ্ঞার কারণে উন্নত দেশগুলোতে জ্বালানির দাম অনেকটা উর্ধমুখী।

যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মান সরকার বিপুল পরিমাণে জ্বালানি ভর্তুকি দিয়েও মন্দার আশঙ্কা দূর করতে পারছে না। সেই সঙ্গে রয়েছে চীনের শূন্য কোভিড নীতি। সম্প্রতি শূন্য কোভিড নীতি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেয়।

২০২১ সালের অক্টোবর মাসে ব্রেন্ট ক্রুডের দর ব্যারেলে ৮০ ডলার ছাড়িয়ে গেলে অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়। জ্বালানির তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ২০২২ সালে আগস্ট মাসে স্থানীয়ভাবে জ্বালানির দাম ৪২ থেকে ৫১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। এতে মূল্যস্ফীতির হার লাগামছাড়া হয়ে যায়।

সরকারের মন্ত্রীরা বারবারই বলে আসছেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে দেশেও দাম সমন্বয় করা হবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, আমরা তেলের দাম বাড়াইনি, কেবল সমন্বয় করেছি। বিশ্ববাজারে দাম কমলে দেশের বাজারে সমন্বয় করা হবে।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরীকে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, তেলের বাজার খুবই অস্থিতিশীল। আজ ৮০ ডলারে নেমে এসেছে, কাল আবার তা ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। ফলে বাজারে একধরনের স্থিতিশীলতা এলে দেশের বাজারে দাম সমন্বয় করা হবে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেন, ২০২৩ সালের বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ দেশ মন্দার কবলে পড়বে। তারপর থেকেই জ্বালানির দর ৮৩ ডলার থেকে নামতে শুরু করে। অর্থাৎ বাজারে আবারও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

fuel : ফের ৮০ ডলারের নিচে নামল জ্বালানির দাম

আপডেট সময় : ১০:৫৩:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ফের ৮০ ডলারের নিচে নামলো। বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার সাথে কমছে জ্বালানির দাম। শুক্রবার অপরিশোধিত তেলের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের ব্যারেল প্রতি দাম ৭৮ দশমিক ৮২ ডলার। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসের পর্যায়ে নেমেছে জ্বালানির দাম।

গত ৩ জানুয়ারি ব্রেন্ট ক্রুডের ব্যারেল প্রতি দাম ছিল ৮৩ ডলার। গত ৭ ডিসেম্বর ব্রেন্ট ক্রুডের দর ছিল ৭৭ ডলার। গত এক মাস ধরে জ্বালানির দর ৭৭ থেকে ৮৩ ডলারের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে।

করোনাকালীন জ্বলানির তেলের চাহিদা কমে আসায় অপরিশোধিত জ্বালানির দর ব্যারেল প্রতি শূন্যের নিচে নেমে আসে। ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময় যখন বিশ্বজুড়ে করোনার বিধিনিষেধ উঠে গেলে, জ্বালানির দাম বাড়তে থাকে।

গত বছরের অক্টোবরের শেষ দিকে দুই ধরনের তেলের দাম ৮০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। সে সময় বাংলাদেশ সরকারও ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ টাকা নির্ধারণ করে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০২৩ সালে বিশ্বের উন্নত দেশগুলো মন্দার কবলে পড়বে। অর্থাৎ ২০২০ সালের পর আবারও অর্থনৈতিক সংকোচনের মুখে পড়বে তারা। রাশিয়ার জ্বালানিতে নিষেধাজ্ঞার কারণে উন্নত দেশগুলোতে জ্বালানির দাম অনেকটা উর্ধমুখী।

যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মান সরকার বিপুল পরিমাণে জ্বালানি ভর্তুকি দিয়েও মন্দার আশঙ্কা দূর করতে পারছে না। সেই সঙ্গে রয়েছে চীনের শূন্য কোভিড নীতি। সম্প্রতি শূন্য কোভিড নীতি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেয়।

২০২১ সালের অক্টোবর মাসে ব্রেন্ট ক্রুডের দর ব্যারেলে ৮০ ডলার ছাড়িয়ে গেলে অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়। জ্বালানির তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ২০২২ সালে আগস্ট মাসে স্থানীয়ভাবে জ্বালানির দাম ৪২ থেকে ৫১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। এতে মূল্যস্ফীতির হার লাগামছাড়া হয়ে যায়।

সরকারের মন্ত্রীরা বারবারই বলে আসছেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে দেশেও দাম সমন্বয় করা হবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, আমরা তেলের দাম বাড়াইনি, কেবল সমন্বয় করেছি। বিশ্ববাজারে দাম কমলে দেশের বাজারে সমন্বয় করা হবে।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরীকে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, তেলের বাজার খুবই অস্থিতিশীল। আজ ৮০ ডলারে নেমে এসেছে, কাল আবার তা ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। ফলে বাজারে একধরনের স্থিতিশীলতা এলে দেশের বাজারে দাম সমন্বয় করা হবে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেন, ২০২৩ সালের বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ দেশ মন্দার কবলে পড়বে। তারপর থেকেই জ্বালানির দর ৮৩ ডলার থেকে নামতে শুরু করে। অর্থাৎ বাজারে আবারও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।