ঢাকা ১০:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা ম্যানিলায় বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়

crude oil  : নিষেধাজ্ঞার জের : অপরিশোধিত তেল রপ্তানি বাড়াবে রাশিয়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২১:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৩ ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

ইউক্রেনে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে সেনা পাঠানোর পর থেকে পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর একের পর এক কঠোর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে মস্কোকে ঘায়েল করতে চাইছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন গত বছরের ৫ ডিসেম্বর থেকে সমুদ্রপথে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল আমদানি নিষিদ্ধ করেছে।

আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে তারা রাশিয়ার তেলজাত পণ্য আমদানিও নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে। সৌদি আরবের পর বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক দেশ রাশিয়ার ওপর এমন নিষেধাজ্ঞাকে অর্থনৈতিক যুদ্ধ ঘোষণা হিসেবেই দেখছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এ কারণে ইউরোপের বদলে এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকায় নিজেদের বাজার প্রসারিত করারও তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার তেলজাত পণ্য রপ্তানি এবং তেল উৎপাদনেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করছে মস্কো। এ কারণে খুব সম্ভবত তাদেরকে আরো বেশি অপরিশোধিত তেল রপ্তানিতেই মনোযোগ দিতে হবে। বিষয়টি সম্বন্ধে ব্যাপকভাবে অবগত রাশিয়ার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ কথা বলেছেন।

অন্যদিকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি তেলজাত পণ্যের চেয়ে সহজ। তেলজাত পণ্য সরবরাহে ছোট ট্যাংকার হলেও চলে, বিক্রি করতে হয় কাছাকাছি অঞ্চলে। অন্যদিকে অপরিশোধিত তেল এশিয়া, আমেরিকার দূরদূরান্তেও পাঠানো যায়।

চলতি বছর তাদের তেলজাত পণ্যের রপ্তানি ১৫ শতাংশের মতো কমতে পারে। ২০২২ সালে রাশিয়ার তেলজাত পণ্যের উৎপাদন প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে ২৭ কোটি ২০ লাখ টনে দাঁড়িয়েছিল, এ বছর তা কমে ২৩ কোটি টন হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

রাশিয়ার তেল উৎপাদন ২০২২ সালে ৫৩ কোটি ৫০ লাখ টনের বদলে এ বছর ৪৯ কোটি টনে (প্রতিদিন ৯৮ লাখ ব্যারেল) নেমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২২ সালে মস্কো প্রতিদিন গড়ে ১২ লাখ ব্যারেল তেলজাত পণ্য রপ্তানি করেছে বলে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

crude oil  : নিষেধাজ্ঞার জের : অপরিশোধিত তেল রপ্তানি বাড়াবে রাশিয়া

আপডেট সময় : ০৯:২১:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

ইউক্রেনে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে সেনা পাঠানোর পর থেকে পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর একের পর এক কঠোর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে মস্কোকে ঘায়েল করতে চাইছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন গত বছরের ৫ ডিসেম্বর থেকে সমুদ্রপথে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল আমদানি নিষিদ্ধ করেছে।

আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে তারা রাশিয়ার তেলজাত পণ্য আমদানিও নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে। সৌদি আরবের পর বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক দেশ রাশিয়ার ওপর এমন নিষেধাজ্ঞাকে অর্থনৈতিক যুদ্ধ ঘোষণা হিসেবেই দেখছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এ কারণে ইউরোপের বদলে এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকায় নিজেদের বাজার প্রসারিত করারও তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার তেলজাত পণ্য রপ্তানি এবং তেল উৎপাদনেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করছে মস্কো। এ কারণে খুব সম্ভবত তাদেরকে আরো বেশি অপরিশোধিত তেল রপ্তানিতেই মনোযোগ দিতে হবে। বিষয়টি সম্বন্ধে ব্যাপকভাবে অবগত রাশিয়ার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ কথা বলেছেন।

অন্যদিকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি তেলজাত পণ্যের চেয়ে সহজ। তেলজাত পণ্য সরবরাহে ছোট ট্যাংকার হলেও চলে, বিক্রি করতে হয় কাছাকাছি অঞ্চলে। অন্যদিকে অপরিশোধিত তেল এশিয়া, আমেরিকার দূরদূরান্তেও পাঠানো যায়।

চলতি বছর তাদের তেলজাত পণ্যের রপ্তানি ১৫ শতাংশের মতো কমতে পারে। ২০২২ সালে রাশিয়ার তেলজাত পণ্যের উৎপাদন প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে ২৭ কোটি ২০ লাখ টনে দাঁড়িয়েছিল, এ বছর তা কমে ২৩ কোটি টন হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

রাশিয়ার তেল উৎপাদন ২০২২ সালে ৫৩ কোটি ৫০ লাখ টনের বদলে এ বছর ৪৯ কোটি টনে (প্রতিদিন ৯৮ লাখ ব্যারেল) নেমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২২ সালে মস্কো প্রতিদিন গড়ে ১২ লাখ ব্যারেল তেলজাত পণ্য রপ্তানি করেছে বলে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি।