ঢাকা ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

Coldest city : যে শহরের তাপমাত্রা মাইনাস ৫০ ডিগ্রি!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৩ ২৯৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্বের শীতলতম শরহরেও নিয়ম মাফিক চলছে সব। কি করে সম্ভব? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

‘কীভাবে মোকাবিলা করছেন বাসিন্দারা? ঠান্ডার মধ্যেও দিনযাপন করছেন এই শহরের বাসিন্দারা’

ঠান্ডার মধ্যেও দিনযাপন করছেন সাইবেরিয়ার এই শহরের বাসিন্দারা

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বের শীতলতম শরহরেও নিয়ম মাফিক চলছে সব। কি করে সম্ভব? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

এমন ঠান্ডার সঙ্গে মোকাবিলা করা মুশকিল। তাই আবহাওয়া অনুযায়ী প্রস্তুতি নেন শহরের বাসিন্দারা। তাপমাত্রা তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রিতে নেমে আসলেই যেখানে ঠান্ডায় কাবু হয়ে যায় সাধারণ মানুষ। স্তব্ধ হয়ে যায় সাধারণ কর্মকাণ্ড, সেখানে তাপমাত্রা যদি মাইনাস ৫০ ডিগ্রিতে নেমে যায়, তাহলে তার মোকাবিলা কীভাবে করতে হবে, ভাবলেই হাত-পা জমে যায়।

কিন্তু এরই মধ্যে বিশ্বের শীতলতম দেশ রাশিয়ার সাইবেরিয়ার শহর ইয়াকুটস্ক-কে বর্তমানে তাপমাত্রা মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গিয়েছে। সাইবেরিয়ার এই শহরটিই বিশ্বের সবথেকে শীতলতম শহর হিসেবে পরিচিত।

মস্কো থেকে প্রায় ৫ হাজার কিলোমিটার পূর্ব দিকে অবস্থিত এই খনি শহরের বাসিন্দারা অবশ্য এমন ঠান্ডার সঙ্গে পরিচিত। কারণ মাঝেমধ্যেই এখানে তাপমাত্রা মাইনাস ৪০ ডিগ্রিতে যাবার ঘটনা রয়েছে।

শহরের বাসিন্দারা বলছেন, এই ঠান্ডার সঙ্গে মোকাবিলা করা মুশকিল। তাই আবহাওয়া অনুযায়ী প্রস্তুতি নেন তাঁরা। শীতকে মোকাবিলা করতে যত রকমের প্রস্তুতি নেওয়ার তার করেন এখানের মানুষ।

নুরগুসুন স্তারোসতিনা নামে স্থানীয় বাজারের এক মাছ বিক্রেতা বলেন, মাছ রাখার জন্য তাঁর কোনও ফ্রিজ লাগে না। শহরের যা তাপমাত্রা, তাতে এমনিতেই সব মাছ টাটকা থাকে!

মাইনাস ৫০ ডিগ্রিতে মাছ না হয় টাটকা থাকল, কিন্তু তিনি এর মোকাবিলা করেন কীভাবে? নুরগুসুনের জবাব, আপনাকে বাঁধাকপির মতো কায়দায় পোশাক পরতে হবে। যাতে অনেকগুলো স্তর থাকে আর শরীর গরম থাকে!

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Coldest city : যে শহরের তাপমাত্রা মাইনাস ৫০ ডিগ্রি!

আপডেট সময় : ১০:৩০:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৩

বিশ্বের শীতলতম শরহরেও নিয়ম মাফিক চলছে সব। কি করে সম্ভব? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

‘কীভাবে মোকাবিলা করছেন বাসিন্দারা? ঠান্ডার মধ্যেও দিনযাপন করছেন এই শহরের বাসিন্দারা’

ঠান্ডার মধ্যেও দিনযাপন করছেন সাইবেরিয়ার এই শহরের বাসিন্দারা

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বের শীতলতম শরহরেও নিয়ম মাফিক চলছে সব। কি করে সম্ভব? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

এমন ঠান্ডার সঙ্গে মোকাবিলা করা মুশকিল। তাই আবহাওয়া অনুযায়ী প্রস্তুতি নেন শহরের বাসিন্দারা। তাপমাত্রা তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রিতে নেমে আসলেই যেখানে ঠান্ডায় কাবু হয়ে যায় সাধারণ মানুষ। স্তব্ধ হয়ে যায় সাধারণ কর্মকাণ্ড, সেখানে তাপমাত্রা যদি মাইনাস ৫০ ডিগ্রিতে নেমে যায়, তাহলে তার মোকাবিলা কীভাবে করতে হবে, ভাবলেই হাত-পা জমে যায়।

কিন্তু এরই মধ্যে বিশ্বের শীতলতম দেশ রাশিয়ার সাইবেরিয়ার শহর ইয়াকুটস্ক-কে বর্তমানে তাপমাত্রা মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গিয়েছে। সাইবেরিয়ার এই শহরটিই বিশ্বের সবথেকে শীতলতম শহর হিসেবে পরিচিত।

মস্কো থেকে প্রায় ৫ হাজার কিলোমিটার পূর্ব দিকে অবস্থিত এই খনি শহরের বাসিন্দারা অবশ্য এমন ঠান্ডার সঙ্গে পরিচিত। কারণ মাঝেমধ্যেই এখানে তাপমাত্রা মাইনাস ৪০ ডিগ্রিতে যাবার ঘটনা রয়েছে।

শহরের বাসিন্দারা বলছেন, এই ঠান্ডার সঙ্গে মোকাবিলা করা মুশকিল। তাই আবহাওয়া অনুযায়ী প্রস্তুতি নেন তাঁরা। শীতকে মোকাবিলা করতে যত রকমের প্রস্তুতি নেওয়ার তার করেন এখানের মানুষ।

নুরগুসুন স্তারোসতিনা নামে স্থানীয় বাজারের এক মাছ বিক্রেতা বলেন, মাছ রাখার জন্য তাঁর কোনও ফ্রিজ লাগে না। শহরের যা তাপমাত্রা, তাতে এমনিতেই সব মাছ টাটকা থাকে!

মাইনাস ৫০ ডিগ্রিতে মাছ না হয় টাটকা থাকল, কিন্তু তিনি এর মোকাবিলা করেন কীভাবে? নুরগুসুনের জবাব, আপনাকে বাঁধাকপির মতো কায়দায় পোশাক পরতে হবে। যাতে অনেকগুলো স্তর থাকে আর শরীর গরম থাকে!