ঢাকা ০৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

Coldest city : যে শহরের তাপমাত্রা মাইনাস ৫০ ডিগ্রি!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৩ ৩১৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্বের শীতলতম শরহরেও নিয়ম মাফিক চলছে সব। কি করে সম্ভব? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

‘কীভাবে মোকাবিলা করছেন বাসিন্দারা? ঠান্ডার মধ্যেও দিনযাপন করছেন এই শহরের বাসিন্দারা’

ঠান্ডার মধ্যেও দিনযাপন করছেন সাইবেরিয়ার এই শহরের বাসিন্দারা

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বের শীতলতম শরহরেও নিয়ম মাফিক চলছে সব। কি করে সম্ভব? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

এমন ঠান্ডার সঙ্গে মোকাবিলা করা মুশকিল। তাই আবহাওয়া অনুযায়ী প্রস্তুতি নেন শহরের বাসিন্দারা। তাপমাত্রা তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রিতে নেমে আসলেই যেখানে ঠান্ডায় কাবু হয়ে যায় সাধারণ মানুষ। স্তব্ধ হয়ে যায় সাধারণ কর্মকাণ্ড, সেখানে তাপমাত্রা যদি মাইনাস ৫০ ডিগ্রিতে নেমে যায়, তাহলে তার মোকাবিলা কীভাবে করতে হবে, ভাবলেই হাত-পা জমে যায়।

কিন্তু এরই মধ্যে বিশ্বের শীতলতম দেশ রাশিয়ার সাইবেরিয়ার শহর ইয়াকুটস্ক-কে বর্তমানে তাপমাত্রা মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গিয়েছে। সাইবেরিয়ার এই শহরটিই বিশ্বের সবথেকে শীতলতম শহর হিসেবে পরিচিত।

মস্কো থেকে প্রায় ৫ হাজার কিলোমিটার পূর্ব দিকে অবস্থিত এই খনি শহরের বাসিন্দারা অবশ্য এমন ঠান্ডার সঙ্গে পরিচিত। কারণ মাঝেমধ্যেই এখানে তাপমাত্রা মাইনাস ৪০ ডিগ্রিতে যাবার ঘটনা রয়েছে।

শহরের বাসিন্দারা বলছেন, এই ঠান্ডার সঙ্গে মোকাবিলা করা মুশকিল। তাই আবহাওয়া অনুযায়ী প্রস্তুতি নেন তাঁরা। শীতকে মোকাবিলা করতে যত রকমের প্রস্তুতি নেওয়ার তার করেন এখানের মানুষ।

নুরগুসুন স্তারোসতিনা নামে স্থানীয় বাজারের এক মাছ বিক্রেতা বলেন, মাছ রাখার জন্য তাঁর কোনও ফ্রিজ লাগে না। শহরের যা তাপমাত্রা, তাতে এমনিতেই সব মাছ টাটকা থাকে!

মাইনাস ৫০ ডিগ্রিতে মাছ না হয় টাটকা থাকল, কিন্তু তিনি এর মোকাবিলা করেন কীভাবে? নুরগুসুনের জবাব, আপনাকে বাঁধাকপির মতো কায়দায় পোশাক পরতে হবে। যাতে অনেকগুলো স্তর থাকে আর শরীর গরম থাকে!

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Coldest city : যে শহরের তাপমাত্রা মাইনাস ৫০ ডিগ্রি!

আপডেট সময় : ১০:৩০:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৩

বিশ্বের শীতলতম শরহরেও নিয়ম মাফিক চলছে সব। কি করে সম্ভব? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

‘কীভাবে মোকাবিলা করছেন বাসিন্দারা? ঠান্ডার মধ্যেও দিনযাপন করছেন এই শহরের বাসিন্দারা’

ঠান্ডার মধ্যেও দিনযাপন করছেন সাইবেরিয়ার এই শহরের বাসিন্দারা

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বের শীতলতম শরহরেও নিয়ম মাফিক চলছে সব। কি করে সম্ভব? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

এমন ঠান্ডার সঙ্গে মোকাবিলা করা মুশকিল। তাই আবহাওয়া অনুযায়ী প্রস্তুতি নেন শহরের বাসিন্দারা। তাপমাত্রা তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রিতে নেমে আসলেই যেখানে ঠান্ডায় কাবু হয়ে যায় সাধারণ মানুষ। স্তব্ধ হয়ে যায় সাধারণ কর্মকাণ্ড, সেখানে তাপমাত্রা যদি মাইনাস ৫০ ডিগ্রিতে নেমে যায়, তাহলে তার মোকাবিলা কীভাবে করতে হবে, ভাবলেই হাত-পা জমে যায়।

কিন্তু এরই মধ্যে বিশ্বের শীতলতম দেশ রাশিয়ার সাইবেরিয়ার শহর ইয়াকুটস্ক-কে বর্তমানে তাপমাত্রা মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গিয়েছে। সাইবেরিয়ার এই শহরটিই বিশ্বের সবথেকে শীতলতম শহর হিসেবে পরিচিত।

মস্কো থেকে প্রায় ৫ হাজার কিলোমিটার পূর্ব দিকে অবস্থিত এই খনি শহরের বাসিন্দারা অবশ্য এমন ঠান্ডার সঙ্গে পরিচিত। কারণ মাঝেমধ্যেই এখানে তাপমাত্রা মাইনাস ৪০ ডিগ্রিতে যাবার ঘটনা রয়েছে।

শহরের বাসিন্দারা বলছেন, এই ঠান্ডার সঙ্গে মোকাবিলা করা মুশকিল। তাই আবহাওয়া অনুযায়ী প্রস্তুতি নেন তাঁরা। শীতকে মোকাবিলা করতে যত রকমের প্রস্তুতি নেওয়ার তার করেন এখানের মানুষ।

নুরগুসুন স্তারোসতিনা নামে স্থানীয় বাজারের এক মাছ বিক্রেতা বলেন, মাছ রাখার জন্য তাঁর কোনও ফ্রিজ লাগে না। শহরের যা তাপমাত্রা, তাতে এমনিতেই সব মাছ টাটকা থাকে!

মাইনাস ৫০ ডিগ্রিতে মাছ না হয় টাটকা থাকল, কিন্তু তিনি এর মোকাবিলা করেন কীভাবে? নুরগুসুনের জবাব, আপনাকে বাঁধাকপির মতো কায়দায় পোশাক পরতে হবে। যাতে অনেকগুলো স্তর থাকে আর শরীর গরম থাকে!