ঢাকা ১১:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

C&F agents strike call : বাংলাদেশের সকল বন্দরে দুই দিনের কর্মবিরতির ডাক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩ ২০৪ বার পড়া হয়েছে

সাংবাদিক সম্মেলনে দুই দিনের ধর্মঘটের ঘোষণা করেন ফেডারেমনের মহাসচিব সুলতান হোসেন খান

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

কাস্টম এজেন্টস লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২০ ও নিবর্তমূলক আইন বাতিলের দাবিতে বাংলাদেশের সকল বন্দরে ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি  দুই দিনের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট  এসোসিয়েশন।

এসময়  কাস্টমস হাউজ, বন্দরসহ সকল স্থানে পণ্য ওঠানামা বন্ধ থাকবে।

আমদানি রপ্তানি ক্ষেত্রে বিশেষ করে দেশের অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি হিসাবে কাজ করছে কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট ব্যবসায়ীরা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ২০২০ সালের আইন অনুসারে  কোন প্রতিষ্ঠানের স্বাত্তাধিকারীর মৃত্যু সাথে সাথে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও বিলোপ হয়ে যাবে!

সাংবাদিক বৈঠকে ফেডারেশনের মহাসচিব  সুলতান হোসেন খান বলেন,   রাজস্ব বোর্ডের এমন আইনের বিষয়ে বিভিন্ন সময় কর্মবিরতি ছাড়াও নানা ধরণের আলোচনা ,  বৈঠক করেও এর কোন সুফল পাননি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। এ কারণে বাধ্য হয়েই দুই দিনের দর্মঘটের ডাক দিলেন তারা।

রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে এই ধর্মঘটের ঘোষণা করেন ফেডারেমন নেতৃবৃন্দ। চট্টগ্রাম, বেনাপোলসহ সারা বাংলাদেশের কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট ব্যবসায়ীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন। ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাদেরকে হয়রানি এবং   সরকারের রাজস্ব আয়ের গতি কমিয়ে দিতে মৌলিক অধিকার পরিপন্থি আইন প্রবর্তন করেছে।

শুধু তাই নয়, লাইসেন্সিং বিধিমালার কতিফয় বিধির আওতায় কোন আমদানিকারকের শুল্ক বাকী থাকলে তার দায়ও সিএন্ডএফ এজেন্টের ওপর চালিয়ে দিয়ে লাইসেন্স নবায়ন না করা এবং উত্তরাধিকারীর  অনুকুলে লাইসেন্স হস্তান্তর না করা ইত্যাদি স্বার্থবিরোধী আইনের প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করেও কোন সুফল পাননি ব্যবসায়ীরা। ফলে বাধ্য হয়ে ধর্মঘটের ডাক দিতে হয়েছে বলে জানান  সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

C&F agents strike call : বাংলাদেশের সকল বন্দরে দুই দিনের কর্মবিরতির ডাক

আপডেট সময় : ০২:২০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

কাস্টম এজেন্টস লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২০ ও নিবর্তমূলক আইন বাতিলের দাবিতে বাংলাদেশের সকল বন্দরে ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি  দুই দিনের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট  এসোসিয়েশন।

এসময়  কাস্টমস হাউজ, বন্দরসহ সকল স্থানে পণ্য ওঠানামা বন্ধ থাকবে।

আমদানি রপ্তানি ক্ষেত্রে বিশেষ করে দেশের অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি হিসাবে কাজ করছে কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট ব্যবসায়ীরা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ২০২০ সালের আইন অনুসারে  কোন প্রতিষ্ঠানের স্বাত্তাধিকারীর মৃত্যু সাথে সাথে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও বিলোপ হয়ে যাবে!

সাংবাদিক বৈঠকে ফেডারেশনের মহাসচিব  সুলতান হোসেন খান বলেন,   রাজস্ব বোর্ডের এমন আইনের বিষয়ে বিভিন্ন সময় কর্মবিরতি ছাড়াও নানা ধরণের আলোচনা ,  বৈঠক করেও এর কোন সুফল পাননি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। এ কারণে বাধ্য হয়েই দুই দিনের দর্মঘটের ডাক দিলেন তারা।

রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে এই ধর্মঘটের ঘোষণা করেন ফেডারেমন নেতৃবৃন্দ। চট্টগ্রাম, বেনাপোলসহ সারা বাংলাদেশের কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট ব্যবসায়ীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন। ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাদেরকে হয়রানি এবং   সরকারের রাজস্ব আয়ের গতি কমিয়ে দিতে মৌলিক অধিকার পরিপন্থি আইন প্রবর্তন করেছে।

শুধু তাই নয়, লাইসেন্সিং বিধিমালার কতিফয় বিধির আওতায় কোন আমদানিকারকের শুল্ক বাকী থাকলে তার দায়ও সিএন্ডএফ এজেন্টের ওপর চালিয়ে দিয়ে লাইসেন্স নবায়ন না করা এবং উত্তরাধিকারীর  অনুকুলে লাইসেন্স হস্তান্তর না করা ইত্যাদি স্বার্থবিরোধী আইনের প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করেও কোন সুফল পাননি ব্যবসায়ীরা। ফলে বাধ্য হয়ে ধর্মঘটের ডাক দিতে হয়েছে বলে জানান  সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ীরা।