ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

Azad : মানুষকে পথে বসিয়ে, আত্মসাতের টাকায় বিলাসী জীবন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২ ২৭৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খন্দকার আবুল কালাম আজাদ ছবি: সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক

জনতা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতির নামে সাত হাজারের বেশি গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিলাসী জীবন-যাপনে গা ভাসান তিনি। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, বাড়ি-গাড়ির মালিক তিনি। অবশেষ গ্রাহকের টাকা আত্মসাত করে আত্মগোপনে চলে যান। এক পর্যায়ে পালানোর সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হন।

তার নাম খন্দকার আবুল কালাম আজাদ। ঢাকার উত্তরায় বেশ কয়েকটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ও গাড়ি কেনেন। বিভিন্ন ব্যাংকে হিসাব রয়েছে। এ ছাড়া পোস্ট অফিসে স্ত্রীর নামে ২০ লাখ টাকা স্থায়ী আমানত (ফিক্সড ডিপোজিট) রেখেছেন। মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন।

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিভিন্ন জেলায় ৬০টি মামলার মধ্যে ৩৬টিতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

বুধবার র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, প্রতারক চক্রের সদস্যরা সাধারণ মানুষের প্রায় ৭০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে গা ঢাকা দেয়।

র‌্যাবের ভাষ্য, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার তারাগুনিয়ার বাসিন্দা খন্দকার আবুল কালাম আজাদ। তিনি ২০০৩ সালে দৌলতপুরে জনতা মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি চালু করেন। সেখানে সহজ শর্তে ব্যবসায়ীদের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা ও প্রান্তিক মানুষের জন্য ক্ষুদ্রঋণ বিতরণের কার্যক্রম শুরু করেন। গ্রাহকেরা ‘তফসিলি ব্যাংক’ মনে করে তাতে আমানত রাখতে শুরু করেন।

২০১৩ সালে কুষ্টিয়া, খুলনা, মেহেরপুর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও রাজশাহী জেলায় প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে ‘জনতা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামে যাত্রা শুরু করে। অনেক ব্যবসায়ীকে প্রতিষ্ঠান মোটা অঙ্কের ঋণ দেওয়ায় ব্যবসায়ীরা ঝুঁকে পড়েন। মূলত আজাদ তাঁর স্ত্রী, ছোট ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রী মিলে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতেন। এভাবে অল্প সময়ে প্রচুর অর্থ জামানত হিসেবে গ্রহণ করে আত্মসাৎ করে প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৭ সালে বিভিন্ন জেলা থেকে অফিস গুটিয়ে নেন আজাদ। এরপর তিনিসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা সবাই গা ঢাকা দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Azad : মানুষকে পথে বসিয়ে, আত্মসাতের টাকায় বিলাসী জীবন

আপডেট সময় : ০৯:১০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২

খন্দকার আবুল কালাম আজাদ ছবি: সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক

জনতা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতির নামে সাত হাজারের বেশি গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিলাসী জীবন-যাপনে গা ভাসান তিনি। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, বাড়ি-গাড়ির মালিক তিনি। অবশেষ গ্রাহকের টাকা আত্মসাত করে আত্মগোপনে চলে যান। এক পর্যায়ে পালানোর সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হন।

তার নাম খন্দকার আবুল কালাম আজাদ। ঢাকার উত্তরায় বেশ কয়েকটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ও গাড়ি কেনেন। বিভিন্ন ব্যাংকে হিসাব রয়েছে। এ ছাড়া পোস্ট অফিসে স্ত্রীর নামে ২০ লাখ টাকা স্থায়ী আমানত (ফিক্সড ডিপোজিট) রেখেছেন। মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন।

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিভিন্ন জেলায় ৬০টি মামলার মধ্যে ৩৬টিতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

বুধবার র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, প্রতারক চক্রের সদস্যরা সাধারণ মানুষের প্রায় ৭০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে গা ঢাকা দেয়।

র‌্যাবের ভাষ্য, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার তারাগুনিয়ার বাসিন্দা খন্দকার আবুল কালাম আজাদ। তিনি ২০০৩ সালে দৌলতপুরে জনতা মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি চালু করেন। সেখানে সহজ শর্তে ব্যবসায়ীদের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা ও প্রান্তিক মানুষের জন্য ক্ষুদ্রঋণ বিতরণের কার্যক্রম শুরু করেন। গ্রাহকেরা ‘তফসিলি ব্যাংক’ মনে করে তাতে আমানত রাখতে শুরু করেন।

২০১৩ সালে কুষ্টিয়া, খুলনা, মেহেরপুর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও রাজশাহী জেলায় প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে ‘জনতা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামে যাত্রা শুরু করে। অনেক ব্যবসায়ীকে প্রতিষ্ঠান মোটা অঙ্কের ঋণ দেওয়ায় ব্যবসায়ীরা ঝুঁকে পড়েন। মূলত আজাদ তাঁর স্ত্রী, ছোট ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রী মিলে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতেন। এভাবে অল্প সময়ে প্রচুর অর্থ জামানত হিসেবে গ্রহণ করে আত্মসাৎ করে প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৭ সালে বিভিন্ন জেলা থেকে অফিস গুটিয়ে নেন আজাদ। এরপর তিনিসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা সবাই গা ঢাকা দেন।