ঢাকা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

করোনা সামাল দিতে ৫ স্থানে ফিল্ড হাসপাতাল হচ্ছে

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:০৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জুলাই ২০২১ ৪০১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রতীকী ছবি। ছবি: সংগৃহীত

ষোল হাজারের ঘর পূর্ণ করল করোনায় মৃত্যু সংখ্যা। আর সআক্রান্তর সংখ্যা টপকালো ১০ লাখ। মৃত্যু যেখানে ১৬ হাজার ৪ জনে পৌঁছালো, পাশাপাশি শক্ত পিলার হয়ে দাঁড়ালো আক্রান্ত সংখ্যা ১০ লাখ ৫৪৩জনে। শুক্রবার ২১২জনের মৃত্যু মধ্য দিয়ে রেকর্ড গড়ে । গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত আরও ১১ হাজার ৩২৪ জন।

গত ১৩ দিন ধরে করোনায় শতাধিক মৃত্যু দেখছে বাংলাদেশ। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোয় সব ধরনের শয্যার সংকট দেখা দিয়েছে। তাই দেশে করোনাভাইরাসের বিস্তার বিপজ্জনক রূপ নেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে

রাজধানীতে পাঁচটি ফিল্ড হাসপাতাল করার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য সচিব লোকমান হোসেন মিয়া। শুক্রবার বিকালে বঙ্গবনন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেশন সেন্টার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

সচিব বলেন, করোনাআক্রান্ত রোগীর সেবা নিশ্চিতে আমরা সরকারির পাশাপাশি বেসরকার পর্যায়ে অনেক শয্যা বৃদ্ধি করেছি। ঢাকার বেসরকারি ১০টি হাসপাতালে ১ হাজার ৫০১ শয্যা বাড়ানো হয়েছে। ঢাকার ডিএসসিসি মার্কেটে

সবচেয়ে বড় করোনা হাসপতাল তৈরি করা হয়েছে। এখানে আইসিইউ ১২০০ শয্যা রাখা হয়েছে। ফিল্ড হাসপাতাল আমরা বড় আকারে শুরু করব। শুরু হলেই আপনার দেখতে পারবেন। আশা করি স্বল্প সময়ে মধ্যে এই হাসপাতালগুলো চালু হবে।

করোনার প্রথম ঢেউয়ে সিংহভাগ রোগী ছিল ঢাকায়। মৃত্যুরও বেশিরভাগই হয়েছে রাজধানীতে। সে সময় একটি ফিল্ড হাসপাতাল করা হয়। তবে দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার পর রোগীর ৫০ শতাংশ এখন গ্রাম এলাকায়। আর মৃত্যুও হচ্ছে রাজধানীর বাইরে বেশি। মফস্বলের হাসপাতালগুলোতে রোগীর ঠাঁই না পাওয়ার তথ্যও আসছে গণমাধ্যমে।

এই পরিস্থিতিতে বাইরে না করে ঢাকায় ফিল্ড হাসপাতাল কেন ঢাকায় হচ্ছে- এমন প্রশ্ন ছিল সচিবের কাছে। জবাবে তিনি বলেন, এই মূহুর্তে আমাদের ঢাকাতে এই হাসপাতালে কোনো প্রয়োজন নেই। মানুষিকভাবে রেডি থাকি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

করোনা সামাল দিতে ৫ স্থানে ফিল্ড হাসপাতাল হচ্ছে

আপডেট সময় : ১০:০৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জুলাই ২০২১

প্রতীকী ছবি। ছবি: সংগৃহীত

ষোল হাজারের ঘর পূর্ণ করল করোনায় মৃত্যু সংখ্যা। আর সআক্রান্তর সংখ্যা টপকালো ১০ লাখ। মৃত্যু যেখানে ১৬ হাজার ৪ জনে পৌঁছালো, পাশাপাশি শক্ত পিলার হয়ে দাঁড়ালো আক্রান্ত সংখ্যা ১০ লাখ ৫৪৩জনে। শুক্রবার ২১২জনের মৃত্যু মধ্য দিয়ে রেকর্ড গড়ে । গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত আরও ১১ হাজার ৩২৪ জন।

গত ১৩ দিন ধরে করোনায় শতাধিক মৃত্যু দেখছে বাংলাদেশ। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোয় সব ধরনের শয্যার সংকট দেখা দিয়েছে। তাই দেশে করোনাভাইরাসের বিস্তার বিপজ্জনক রূপ নেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে

রাজধানীতে পাঁচটি ফিল্ড হাসপাতাল করার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য সচিব লোকমান হোসেন মিয়া। শুক্রবার বিকালে বঙ্গবনন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেশন সেন্টার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

সচিব বলেন, করোনাআক্রান্ত রোগীর সেবা নিশ্চিতে আমরা সরকারির পাশাপাশি বেসরকার পর্যায়ে অনেক শয্যা বৃদ্ধি করেছি। ঢাকার বেসরকারি ১০টি হাসপাতালে ১ হাজার ৫০১ শয্যা বাড়ানো হয়েছে। ঢাকার ডিএসসিসি মার্কেটে

সবচেয়ে বড় করোনা হাসপতাল তৈরি করা হয়েছে। এখানে আইসিইউ ১২০০ শয্যা রাখা হয়েছে। ফিল্ড হাসপাতাল আমরা বড় আকারে শুরু করব। শুরু হলেই আপনার দেখতে পারবেন। আশা করি স্বল্প সময়ে মধ্যে এই হাসপাতালগুলো চালু হবে।

করোনার প্রথম ঢেউয়ে সিংহভাগ রোগী ছিল ঢাকায়। মৃত্যুরও বেশিরভাগই হয়েছে রাজধানীতে। সে সময় একটি ফিল্ড হাসপাতাল করা হয়। তবে দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার পর রোগীর ৫০ শতাংশ এখন গ্রাম এলাকায়। আর মৃত্যুও হচ্ছে রাজধানীর বাইরে বেশি। মফস্বলের হাসপাতালগুলোতে রোগীর ঠাঁই না পাওয়ার তথ্যও আসছে গণমাধ্যমে।

এই পরিস্থিতিতে বাইরে না করে ঢাকায় ফিল্ড হাসপাতাল কেন ঢাকায় হচ্ছে- এমন প্রশ্ন ছিল সচিবের কাছে। জবাবে তিনি বলেন, এই মূহুর্তে আমাদের ঢাকাতে এই হাসপাতালে কোনো প্রয়োজন নেই। মানুষিকভাবে রেডি থাকি।