ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন

জলবায়ু তহবিল ছাড়ে উন্নত দেশগুলোকে শেখ হাসিনার আহ্বান 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই ২০২১ ২৮৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জলবায়ু ক্ষতি কাটাতে অর্থায়নে প্রতিশ্রুত তহবিল ছাড় করতে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার ‘ভি২০ ক্লাইমেট ভালনারেবল ফাইন্যান্স সামিট’ উদ্বোধন করে এই আহ্বান জানান।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীরা ভার্চুয়াল এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছে।

কার্বন নির্গমন উল্লেখযোগ্য হারে কমাতে উন্নত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “জলবায়ু অর্থায়নের জন্য প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার দিতে যে ঐকমত্য এসেছিল, তা ছাড় করার উপর আমরা নির্ভর করছি। একই সাথে ঢাকা-গ্লাসগো ঘোষণা অনুযায়ী কপ ২৬ ও সিভিএফের একটি যৌথ প্রকল্প নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিভিএফ-ভি টুয়েন্টি গ্রুপের ৪৮ সদস্য রাষ্ট্রের মাধ্যমে বৈশ্বিক নিঃসরণের মাত্র ৫ শতাংশ নির্গত হয়, কিন্তু তারাই এই মনুষ্য সৃষ্ট দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত।করোনা মহামারি পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, তার ওপর লাখ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকাকে ক্ষতিগ্রস্থ করার মাধ্যমে চলমান কোভিড-১৯ মহামারি নতুন করে মানুষের জীবনে দুঃখ কষ্ট যোগ করেছে। চলমান ও ভবিষ্যতের সংকট মোকাবিলায় আমাদের অবশ্যই ঐক্য গড়ে তুলতে হবে এবং সহযোগিতা বাড়াতে হবে।

সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী পাঁচ দফা প্রস্তাব রাখেন। প্রথম প্রস্তাবে শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের নিচে রাখতে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন রোধে প্রতিটি দেশকে উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য অনুসরণ করতে হবে।

দ্বিতীয় প্রস্তাবে তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলির উচিত সিভিএফ-ভি ২০ দেশের সবুজ পুনরুদ্ধারের সুবিধার্থে এবং মূলধনের ব্যয় হ্রাস করার জন্য এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার জন্য নিবেদিত সমর্থন করা।

তৃতীয়ত প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তহবিলের প্রবাহ অবশ্যই অনুমানযোগ্য, ভারসাম্যপূর্ণ, উদ্ভাবনী এবং বর্ধনশীল হতে হবে।

চতুর্থ প্রস্তাবে জলবায়ুর ক্ষতির মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর সঙ্গে বিদ্যমান অর্থনৈতিক বৈষম্য কমানোর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সক্রিয়ভাবে ‘মুজিব ক্লাইমেট প্রসপারিটি প্ল্যান’এর মতো ‘ক্লাইমেট প্রসপারিটি প্ল্যান’ গ্রহণ করার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ প্রথম অর্থমন্ত্রীদের জন্য এই সম্মেলনের আয়োজন করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জলবায়ু তহবিল ছাড়ে উন্নত দেশগুলোকে শেখ হাসিনার আহ্বান 

আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই ২০২১

জলবায়ু ক্ষতি কাটাতে অর্থায়নে প্রতিশ্রুত তহবিল ছাড় করতে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার ‘ভি২০ ক্লাইমেট ভালনারেবল ফাইন্যান্স সামিট’ উদ্বোধন করে এই আহ্বান জানান।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীরা ভার্চুয়াল এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছে।

কার্বন নির্গমন উল্লেখযোগ্য হারে কমাতে উন্নত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “জলবায়ু অর্থায়নের জন্য প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার দিতে যে ঐকমত্য এসেছিল, তা ছাড় করার উপর আমরা নির্ভর করছি। একই সাথে ঢাকা-গ্লাসগো ঘোষণা অনুযায়ী কপ ২৬ ও সিভিএফের একটি যৌথ প্রকল্প নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিভিএফ-ভি টুয়েন্টি গ্রুপের ৪৮ সদস্য রাষ্ট্রের মাধ্যমে বৈশ্বিক নিঃসরণের মাত্র ৫ শতাংশ নির্গত হয়, কিন্তু তারাই এই মনুষ্য সৃষ্ট দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত।করোনা মহামারি পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, তার ওপর লাখ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকাকে ক্ষতিগ্রস্থ করার মাধ্যমে চলমান কোভিড-১৯ মহামারি নতুন করে মানুষের জীবনে দুঃখ কষ্ট যোগ করেছে। চলমান ও ভবিষ্যতের সংকট মোকাবিলায় আমাদের অবশ্যই ঐক্য গড়ে তুলতে হবে এবং সহযোগিতা বাড়াতে হবে।

সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী পাঁচ দফা প্রস্তাব রাখেন। প্রথম প্রস্তাবে শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের নিচে রাখতে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন রোধে প্রতিটি দেশকে উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য অনুসরণ করতে হবে।

দ্বিতীয় প্রস্তাবে তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলির উচিত সিভিএফ-ভি ২০ দেশের সবুজ পুনরুদ্ধারের সুবিধার্থে এবং মূলধনের ব্যয় হ্রাস করার জন্য এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার জন্য নিবেদিত সমর্থন করা।

তৃতীয়ত প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তহবিলের প্রবাহ অবশ্যই অনুমানযোগ্য, ভারসাম্যপূর্ণ, উদ্ভাবনী এবং বর্ধনশীল হতে হবে।

চতুর্থ প্রস্তাবে জলবায়ুর ক্ষতির মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর সঙ্গে বিদ্যমান অর্থনৈতিক বৈষম্য কমানোর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সক্রিয়ভাবে ‘মুজিব ক্লাইমেট প্রসপারিটি প্ল্যান’এর মতো ‘ক্লাইমেট প্রসপারিটি প্ল্যান’ গ্রহণ করার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ প্রথম অর্থমন্ত্রীদের জন্য এই সম্মেলনের আয়োজন করে।