ঢাকা ০৬:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্বকাপ ইস্যুতে ট্রাম্পকে ইরানের কড়া জবাব পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরম হতাশায় কৃষকরা পাবনায় পেঁয়াজের বাজার ধস, কৃষকেরা এক্ষুণি লোকসানে বেনাপোলে বিজিবির অভিযানে চোরাচালান পণ্য আটক এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসের  শয্যাপাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৮ মাসে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ৩,১০০ সহিংসতার তথ্য ভারতের রাজ্যসভায় স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার: রেলমন্ত্রী জামায়াতের শফিকুর রহমান বিরোধী দলীয় নেতা, তাহের উপনেতা মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: ৫ বাংলাদেশি নিহত, আশঙ্কাজনক আরও ২ তুরস্কে ন্যাটোর ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা: যা জানা গেছে

টিকা এখন দর কষাকষির অস্ত্র দেখছেন ড. মোমেন

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১ ২৪৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ড. এ কে আব্দুল মোমেন ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, টিকার দেওয়ার নামে সবাই মুলা দেখাচ্ছে। বড় বড় পণ্ডিতরা টিকার বিষয়ে কত কি বলছে। জি-৭ দেশগুলো কিছুদিন আগে বৈঠক করে বলেছে তারা ১০০ কোটি ডোজ টিকা দরিদ্র দেশগুলোকে দেবে।

এই নিয়ে শুধু গল্পই শুনছি। কিন্তু দেওয়ার জন্য কেউ আগ্রহ দেখাচ্ছে না। মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

এ সময় সাংবাদিক, সাহিত্যিক, গায়ক, ব্যবসায়ী-সবাই টিকার ব্যবসায়ী বলে মন্তব্য করেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, সবাই আমাদের কাছে বিক্রি করার জন্য আসছে। একটা মজার বিষয় ঘটেছে।

আমেরিকার অনেক ব্যক্তিবিশেষ আমাদের জানিয়েছেন, অমুক লোক অনেক টিকা দিতে পারবেন। তারা রাশিয়ান টিকার ডিলারশিপ পেয়েছে কিন্তু রাশিয়া সরকার আমাদের জানিয়েছে তাদের কোনো ডিলারই নাই।

তাহলে কিভাবে বাংলাদেশের টিকা সংকটের সমাধান হবে? জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সবচেয়ে বড় সমাধান হবে যখন আমরা নিজেরা টিকা তৈরি করবো। নিজেরা টিকা তৈরি করলে আর অন্যের দিকে চেয়ে থাকতে হবে না।

ড. মোমেন বলেন, ধনী দেশগুলো টিকা নিয়ে বসে রয়েছে। তাদের যত জনসংখ্যা, তার থেকে তাদের কাছে টিকা বেশি রয়েছে। টিকা এখন দর কষাকষির অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। অনেকে বলে টিকা দেবো কিন্তু কেউ দেয় না। আবার দেওয়ার সময় জিজ্ঞাসা করে যে অমুক জিনিসে আমাকে সমর্থন দেবেন কিনা। এখন দেখা যাচ্ছে, এটিকে একটি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে অন্য ভ্যাকসিনের পাশাপাশি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনও সরবরাহ করবে-এমন আশা প্রকাশ করে বিদেশমন্ত্রী বলেন, উন্নত দেশগুলো প্রয়োজনের বেশি ভ্যাকসিন নিয়ে বসে আছে। সেজন্য তাদের বলেছি যে, বাড়তি ভ্যাকসিন নষ্ট না করে আমাদের দিয়ে সহযোগিতা করতে।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন আগেই চেয়েছি। আমরা আশাবাদী তারা আমাদের এই ভ্যাকসিন দেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

টিকা এখন দর কষাকষির অস্ত্র দেখছেন ড. মোমেন

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১

ড. এ কে আব্দুল মোমেন ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, টিকার দেওয়ার নামে সবাই মুলা দেখাচ্ছে। বড় বড় পণ্ডিতরা টিকার বিষয়ে কত কি বলছে। জি-৭ দেশগুলো কিছুদিন আগে বৈঠক করে বলেছে তারা ১০০ কোটি ডোজ টিকা দরিদ্র দেশগুলোকে দেবে।

এই নিয়ে শুধু গল্পই শুনছি। কিন্তু দেওয়ার জন্য কেউ আগ্রহ দেখাচ্ছে না। মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

এ সময় সাংবাদিক, সাহিত্যিক, গায়ক, ব্যবসায়ী-সবাই টিকার ব্যবসায়ী বলে মন্তব্য করেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, সবাই আমাদের কাছে বিক্রি করার জন্য আসছে। একটা মজার বিষয় ঘটেছে।

আমেরিকার অনেক ব্যক্তিবিশেষ আমাদের জানিয়েছেন, অমুক লোক অনেক টিকা দিতে পারবেন। তারা রাশিয়ান টিকার ডিলারশিপ পেয়েছে কিন্তু রাশিয়া সরকার আমাদের জানিয়েছে তাদের কোনো ডিলারই নাই।

তাহলে কিভাবে বাংলাদেশের টিকা সংকটের সমাধান হবে? জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সবচেয়ে বড় সমাধান হবে যখন আমরা নিজেরা টিকা তৈরি করবো। নিজেরা টিকা তৈরি করলে আর অন্যের দিকে চেয়ে থাকতে হবে না।

ড. মোমেন বলেন, ধনী দেশগুলো টিকা নিয়ে বসে রয়েছে। তাদের যত জনসংখ্যা, তার থেকে তাদের কাছে টিকা বেশি রয়েছে। টিকা এখন দর কষাকষির অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। অনেকে বলে টিকা দেবো কিন্তু কেউ দেয় না। আবার দেওয়ার সময় জিজ্ঞাসা করে যে অমুক জিনিসে আমাকে সমর্থন দেবেন কিনা। এখন দেখা যাচ্ছে, এটিকে একটি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে অন্য ভ্যাকসিনের পাশাপাশি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনও সরবরাহ করবে-এমন আশা প্রকাশ করে বিদেশমন্ত্রী বলেন, উন্নত দেশগুলো প্রয়োজনের বেশি ভ্যাকসিন নিয়ে বসে আছে। সেজন্য তাদের বলেছি যে, বাড়তি ভ্যাকসিন নষ্ট না করে আমাদের দিয়ে সহযোগিতা করতে।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন আগেই চেয়েছি। আমরা আশাবাদী তারা আমাদের এই ভ্যাকসিন দেবে।