ঢাকা ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

দ্রুততম সময়ে বিচার সম্পন্ন করেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণ সম্ভব : প্রধান বিচারপতি

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১১:৩০:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুন ২০২১ ২৬৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

বিচারের নামে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে লক্ষ্য রাখাও বিচারকদের দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে আমাদের সবসময় সচেষ্ট থাকতে হবে।

দ্রুততম সময়ে বিচার সম্পন্ন করেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণ সম্ভব  বলে মত প্রকাশ করেছেন, বাংলাদেশের  প্রধান বিচারপতি বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। তিনি বলেছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে যদি বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে ন্যায় বিচার দেওয়া যায় তাহলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণ হবে।

প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচারের নামে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে লক্ষ্য রাখাও বিচারকদের দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে আমাদের সবসময় সচেষ্ট থাকতে হবে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসাবে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আয়োজিত বিশেষ ফুলকোর্ট সভায় সভাপতির বক্তব্যে প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে আয়োজিত এই ফুল কোর্ট সভায় আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিগণ অংশ নেন। বিকাল তিনটায় শুরু হওয়া ফুল কোর্ট বৈঠক চলে তিনঘন্টা সময় ধরে।

প্রধান বিচারপতি বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমাদেরকে সংবিধান উপহার দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু। যা বিশ্বে বিরল। বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা সবসময় বঙ্গবন্ধুকে পীড়া দিত। সেজন্য মানুষ যাতে সহজে বিচার পায় সেদিকে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে।

সভায় আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিগণ তাদের মতামত তুলে ধরেন। সেই মতামতে বিচার ব্যবস্থার নানা দিক উঠে আসে। বিচারপতিরা বলেন, সাধারণ মানুষের দোড়গোরায় দ্রুততার সঙ্গে কিভাবে বিচার পাইয়ে দেওয়া যায়, সেদিকটা নিয়ে আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে।

মামলা দায়েরের পর বছরের পর বছর চলে যায় কিন্তু বিচারপ্রার্থীরা বিচারের আশায় ঘুরে বেড়ায়। কিভাবে এই অবস্থার পরিবর্তন আনা যায় সেদিকটা গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দ্রুততম সময়ে বিচার সম্পন্ন করেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণ সম্ভব : প্রধান বিচারপতি

আপডেট সময় : ১১:৩০:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুন ২০২১

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

বিচারের নামে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে লক্ষ্য রাখাও বিচারকদের দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে আমাদের সবসময় সচেষ্ট থাকতে হবে।

দ্রুততম সময়ে বিচার সম্পন্ন করেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণ সম্ভব  বলে মত প্রকাশ করেছেন, বাংলাদেশের  প্রধান বিচারপতি বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। তিনি বলেছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে যদি বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে ন্যায় বিচার দেওয়া যায় তাহলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণ হবে।

প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচারের নামে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে লক্ষ্য রাখাও বিচারকদের দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে আমাদের সবসময় সচেষ্ট থাকতে হবে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসাবে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আয়োজিত বিশেষ ফুলকোর্ট সভায় সভাপতির বক্তব্যে প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে আয়োজিত এই ফুল কোর্ট সভায় আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিগণ অংশ নেন। বিকাল তিনটায় শুরু হওয়া ফুল কোর্ট বৈঠক চলে তিনঘন্টা সময় ধরে।

প্রধান বিচারপতি বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমাদেরকে সংবিধান উপহার দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু। যা বিশ্বে বিরল। বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা সবসময় বঙ্গবন্ধুকে পীড়া দিত। সেজন্য মানুষ যাতে সহজে বিচার পায় সেদিকে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে।

সভায় আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিগণ তাদের মতামত তুলে ধরেন। সেই মতামতে বিচার ব্যবস্থার নানা দিক উঠে আসে। বিচারপতিরা বলেন, সাধারণ মানুষের দোড়গোরায় দ্রুততার সঙ্গে কিভাবে বিচার পাইয়ে দেওয়া যায়, সেদিকটা নিয়ে আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে।

মামলা দায়েরের পর বছরের পর বছর চলে যায় কিন্তু বিচারপ্রার্থীরা বিচারের আশায় ঘুরে বেড়ায়। কিভাবে এই অবস্থার পরিবর্তন আনা যায় সেদিকটা গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে।