ঢাকা ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

একদিনে শনাক্ত ছাড়াল ২৫০০ মৃত্যু ৩৬ জন

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৫:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুন ২০২১ ২৮৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফের করোনার আক্রান্ত উর্ধমুখি। মৃত্যু কমে আসলেও একদিনে আক্রান্ত সংখ্যা ২ হাজার ৫৩৭’র ঘরে। এ সময় মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের।

টানা ৪১ দিন পর গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের সংখ্যা আড়াই হাজার ছাড়ালো।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে এ চিত্র পাওয়া গেলো। সর্বশেষ গত ২৮ এপ্রিল একদিনে আড়াই হাজারের বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছিল। সোমবার ২ হাজার ৩২২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছিল। মৃত্যু হয়েছিল ৪৪ জনের।

এ পর্যন্ত করোনাভাইরাস শনাক্ত মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ১৭ হাজার ৮১৯। মোট মৃত্যু হয়েছে ১২ হাজার ৯৪৯ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৫৬৯ জন।

এদিন ২০ হাজার ৫৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৩৩ শতাংশ। আগের দিন এই হার ছিল ১২ দশমিক ১২ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বোঝার একটি নির্দেশক হলো রোগী শনাক্তের হার। কোনো দেশে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে ধরে নেওয়া যায়।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ দেখা দেয়। পরে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। তারপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। গত বছরের শেষ দিকে এসে সংক্রমণ কমতে থাকে।

এ বছরের মার্চ থেকে করোনা সংক্রমণ আবার বেড়ে যায়। মার্চের প্রথমার্ধেই দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হাজারের ওপরে চলে যায়। বাড়তে থাকে মৃত্যুর সংখ্যাও। গত ২৬ মার্চের বুলেটিনে আগের ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ জনের মৃত্যু খবর দেওয়া হয়, সেখানে ১৯ এপ্রিলের বুলেটিনে আগের ২৪ ঘণ্টায় ১১২ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়। দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর সে দিনই সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

একদিনে শনাক্ত ছাড়াল ২৫০০ মৃত্যু ৩৬ জন

আপডেট সময় : ০৫:৩৫:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুন ২০২১

ফের করোনার আক্রান্ত উর্ধমুখি। মৃত্যু কমে আসলেও একদিনে আক্রান্ত সংখ্যা ২ হাজার ৫৩৭’র ঘরে। এ সময় মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের।

টানা ৪১ দিন পর গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের সংখ্যা আড়াই হাজার ছাড়ালো।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে এ চিত্র পাওয়া গেলো। সর্বশেষ গত ২৮ এপ্রিল একদিনে আড়াই হাজারের বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছিল। সোমবার ২ হাজার ৩২২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছিল। মৃত্যু হয়েছিল ৪৪ জনের।

এ পর্যন্ত করোনাভাইরাস শনাক্ত মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ১৭ হাজার ৮১৯। মোট মৃত্যু হয়েছে ১২ হাজার ৯৪৯ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৫৬৯ জন।

এদিন ২০ হাজার ৫৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৩৩ শতাংশ। আগের দিন এই হার ছিল ১২ দশমিক ১২ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বোঝার একটি নির্দেশক হলো রোগী শনাক্তের হার। কোনো দেশে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে ধরে নেওয়া যায়।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ দেখা দেয়। পরে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। তারপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। গত বছরের শেষ দিকে এসে সংক্রমণ কমতে থাকে।

এ বছরের মার্চ থেকে করোনা সংক্রমণ আবার বেড়ে যায়। মার্চের প্রথমার্ধেই দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হাজারের ওপরে চলে যায়। বাড়তে থাকে মৃত্যুর সংখ্যাও। গত ২৬ মার্চের বুলেটিনে আগের ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ জনের মৃত্যু খবর দেওয়া হয়, সেখানে ১৯ এপ্রিলের বুলেটিনে আগের ২৪ ঘণ্টায় ১১২ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়। দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর সে দিনই সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়।