ঢাকা ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্বকাপ ইস্যুতে ট্রাম্পকে ইরানের কড়া জবাব পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরম হতাশায় কৃষকরা পাবনায় পেঁয়াজের বাজার ধস, কৃষকেরা এক্ষুণি লোকসানে বেনাপোলে বিজিবির অভিযানে চোরাচালান পণ্য আটক এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসের  শয্যাপাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৮ মাসে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ৩,১০০ সহিংসতার তথ্য ভারতের রাজ্যসভায় স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার: রেলমন্ত্রী জামায়াতের শফিকুর রহমান বিরোধী দলীয় নেতা, তাহের উপনেতা মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: ৫ বাংলাদেশি নিহত, আশঙ্কাজনক আরও ২ তুরস্কে ন্যাটোর ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা: যা জানা গেছে

কোভ্যাক্সের টিকা কর্মসূচি সচল রাখতে ৪৫০০ কোটি ডলার দরকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মে ২০২১ ২৫৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ন্যায্যতার ভিত্তিতে ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোয় করোনার টিকা সরবরাহ নিশ্চিতে গঠিত কোভ্যাক্স উদ্যোগ সচল রাখতে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার মার্কিন ডলার প্রয়োজন। আগামী বছর পর্যন্ত এই টিকা কর্মসূচি সচলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস এ তথ্য জানিয়েছেন।

জানা গেছে, কোভ্যাক্স (কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনস গ্লোবাল অ্যাকসেস ফ্যাসিলিটি) উদ্যোগের যৌথ নেতৃত্বে রয়েছে ডব্লিউএইচও, স্বল্পমূল্যে টিকা দেওয়ার বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্যাভি, সংক্রামক রোগের টিকা তৈরির জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতামূলক সংস্থা (সিইপিআই), জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফসহ আরও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান।

মহামারি ভাইরাসটিতে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন বিশ্বের ১৫ কোটি ৪২ লাখের বেশি মানুষ। করোনার তথ্য সরবরাহকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য অনুসারে, এই মহামারিতে মারা গেছেন ৩২ লাখের বেশি মানুষ। সুস্থ হয়ে ওঠেছেন প্রায় ১৩ কোটি ১৬ লাখ। মহামারি ঠেকাতে কোভ্যাক্স কর্মসূচি দৃশ্যমান হয় গত ফেব্রুয়ারিতে। তখন ঘানায় প্রথম টিকা সরবরাহ করা হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন দেশে টিকা সরবরাহ করছে তারা।

কোভ্যাক্সের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৪ কোটি ৯০ লাখ ডোজ টিকা বিভিন্ন দেশে সরবরাহ করা হয়েছে। তবে ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে টিকাপ্রাপ্তির যে বিশাল ব্যবধান, তা এখনো বিদ্যমান। মহামারি ঠেকাতে ধনী দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুসসহ বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস : ছবি সংগ্রহ

ধনী দেশগুলো এগিয়ে না আসায় তাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ধনী দেশগুলো কোভ্যাক্স কর্মসূচিকে উপেক্ষা করছে। তারা দ্রুত সব টিকা নিয়ে নিচ্ছে। যে পরিমাণ টিকা দরকার, তার চেয়ে বেশি টিকার ক্রয়াদেশও দিচ্ছে তারা।

তেদরোস আধানোম বলেন, বিশ্বজুড়ে নিম্ন আয়ের দেশগুলোর নাগরিকদের মধ্যে মাত্র শূন্য দশমিক ৩ শতাংশকে টিকা দেওয়া হয়েছে গত এপ্রিলে। টিকার যে সংকট, তা কাটিয়ে উঠতে আগামী জুন নাগাদ দুই কোটি ডোজ টিকা দরকার কোভ্যাক্সের।

বিশ্বজুড়ে করোনা ঠেকাতে পাঁচটি টিকার অনুমোদন দিয়েছে ডব্লিউএইচও। তবে সব টিকা পাচ্ছে না কোভ্যাক্স। শুধু ফাইজার ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা সরবরাহ করছে কোভ্যাক্স। তবে মডার্না জানিয়েছে, কম দামে তারা কোভ্যাক্সকে ৫০ কোটি ডোজ টিকা দেবে।

এই টিকা এখনই পাওয়া যাবে না। টিকা মিলবে ২০২২ সাল নাগাদ। এ ছাড়া ধনী দেশগুলোর মধ্যে সর্বশেষ কোভ্যাক্সকে সহযোগিতা করতে এগিয়ে এসেছে সুইডেন। তারা ১০ লাখ ডোজ টিকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অ্যাস্ট্রাজেনেকার এই টিকা সরবরাহ শুরু হচ্ছে চলতি মে থেকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কোভ্যাক্সের টিকা কর্মসূচি সচল রাখতে ৪৫০০ কোটি ডলার দরকার

আপডেট সময় : ১০:০৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মে ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ন্যায্যতার ভিত্তিতে ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোয় করোনার টিকা সরবরাহ নিশ্চিতে গঠিত কোভ্যাক্স উদ্যোগ সচল রাখতে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার মার্কিন ডলার প্রয়োজন। আগামী বছর পর্যন্ত এই টিকা কর্মসূচি সচলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস এ তথ্য জানিয়েছেন।

জানা গেছে, কোভ্যাক্স (কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনস গ্লোবাল অ্যাকসেস ফ্যাসিলিটি) উদ্যোগের যৌথ নেতৃত্বে রয়েছে ডব্লিউএইচও, স্বল্পমূল্যে টিকা দেওয়ার বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্যাভি, সংক্রামক রোগের টিকা তৈরির জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতামূলক সংস্থা (সিইপিআই), জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফসহ আরও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান।

মহামারি ভাইরাসটিতে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন বিশ্বের ১৫ কোটি ৪২ লাখের বেশি মানুষ। করোনার তথ্য সরবরাহকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য অনুসারে, এই মহামারিতে মারা গেছেন ৩২ লাখের বেশি মানুষ। সুস্থ হয়ে ওঠেছেন প্রায় ১৩ কোটি ১৬ লাখ। মহামারি ঠেকাতে কোভ্যাক্স কর্মসূচি দৃশ্যমান হয় গত ফেব্রুয়ারিতে। তখন ঘানায় প্রথম টিকা সরবরাহ করা হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন দেশে টিকা সরবরাহ করছে তারা।

কোভ্যাক্সের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৪ কোটি ৯০ লাখ ডোজ টিকা বিভিন্ন দেশে সরবরাহ করা হয়েছে। তবে ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে টিকাপ্রাপ্তির যে বিশাল ব্যবধান, তা এখনো বিদ্যমান। মহামারি ঠেকাতে ধনী দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুসসহ বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস : ছবি সংগ্রহ

ধনী দেশগুলো এগিয়ে না আসায় তাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ধনী দেশগুলো কোভ্যাক্স কর্মসূচিকে উপেক্ষা করছে। তারা দ্রুত সব টিকা নিয়ে নিচ্ছে। যে পরিমাণ টিকা দরকার, তার চেয়ে বেশি টিকার ক্রয়াদেশও দিচ্ছে তারা।

তেদরোস আধানোম বলেন, বিশ্বজুড়ে নিম্ন আয়ের দেশগুলোর নাগরিকদের মধ্যে মাত্র শূন্য দশমিক ৩ শতাংশকে টিকা দেওয়া হয়েছে গত এপ্রিলে। টিকার যে সংকট, তা কাটিয়ে উঠতে আগামী জুন নাগাদ দুই কোটি ডোজ টিকা দরকার কোভ্যাক্সের।

বিশ্বজুড়ে করোনা ঠেকাতে পাঁচটি টিকার অনুমোদন দিয়েছে ডব্লিউএইচও। তবে সব টিকা পাচ্ছে না কোভ্যাক্স। শুধু ফাইজার ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা সরবরাহ করছে কোভ্যাক্স। তবে মডার্না জানিয়েছে, কম দামে তারা কোভ্যাক্সকে ৫০ কোটি ডোজ টিকা দেবে।

এই টিকা এখনই পাওয়া যাবে না। টিকা মিলবে ২০২২ সাল নাগাদ। এ ছাড়া ধনী দেশগুলোর মধ্যে সর্বশেষ কোভ্যাক্সকে সহযোগিতা করতে এগিয়ে এসেছে সুইডেন। তারা ১০ লাখ ডোজ টিকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অ্যাস্ট্রাজেনেকার এই টিকা সরবরাহ শুরু হচ্ছে চলতি মে থেকে।