ঢাকা ০২:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা নৌবহর: হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ছোট নৌকা যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে গরীবের পুষ্টিতে থাবা: গরম ডিম-সবজির বাজার, পেঁয়াজের হাফ সেঞ্চুরী ঈদুল আজহায় টানা ৭ দিনের ছুটি, ঢাকা ছাড়তে পারেন কোটি মানুষ পর্যটকদের নিরাপত্তায় কক্সবাজার-কুয়াকাটা স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার সূচিতে পরিবর্তন: ২০২৭ সালের এসএসসি শুরু ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুনে বিয়ের সওদা করতে গিয়ে ৪ ভাইয়ের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, অংশীদার হওয়া উচিত : জিনপিং পাট শিল্পে চীনের প্রযুক্তিগত সহায়তা চায় বাংলাদেশ   কোরবানির পশুর চামড়া রক্ষায় সরকারের যুগান্তকারী উদ্যোগ, শক্তিশালী হবে অর্থনীতি নারায়ণগঞ্জে ১০ হত্যা: ট্রাইব্যুনালে বিচার শুরু শামীম ওসমানসহ অভিযুক্তদের

গরীবের পুষ্টিতে থাবা: গরম ডিম-সবজির বাজার, পেঁয়াজের হাফ সেঞ্চুরী

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ১২:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬ ৬০ বার পড়া হয়েছে

সবজি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাজারে নিত্যপণ্যের লাগামহীন দামে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে সবজি, ডিম, পেঁয়াজ ও মসলাজাতীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতিতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর সংসার চালানো কঠিন হয়ে উঠেছে।

বাজারে গিয়ে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা। একদিকে আয় বাড়ছে না, অন্যদিকে প্রতিদিনই বাড়ছে জীবনযাত্রার ব্যয়। ফলে অনেক পরিবারকে এখন এক কেজির জায়গায় আধা কেজি কিনে সংসারের হিসাব মেলাতে হচ্ছে। এতে করে পুষ্টির ঘাটতিও দেখা দিচ্ছে।

শুক্রবার (১৫ মে) ছুটির দিনে রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মালিবাগ, খিলগাঁও ও মিরপুরের বিভিন্ন বাজার প্রায় সব ধরনের সবজি উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে। যা  সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। বাজারে আশি টাকার নিচে কোনো সবজি তেমন পাওয়া যাচ্ছে না।

বৃষ্টি হলেই দাম আরও বেড়ে যাচ্ছে। বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁপে ১০০ টাকা, টমেটো ৮০ থেকে ১০০ টাকা, শসা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁকরোল ১২০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বরবটি ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গরীবের পুষ্টিতে থাবা: গরম ডিম-সবজির বাজার, পেঁয়াজের হাফ সেঞ্চুরী
গরীবের পুষ্টিতে থাবা: গরম ডিম-সবজির বাজার, পেঁয়াজের হাফ সেঞ্চুরী

সবজির পাশাপাশি পেঁয়াজের দামও হাফ সেঞ্চুরী পেরিয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে প্রায় ১০ টাকা বেড়ে বর্তমানে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। আদার দামও বেড়ে ২১০ থেকে ২২০ টাকায় পৌঁছেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ সংকট, বৃষ্টির কারণে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার প্রভাবেই খুচরা বাজারে এমন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আনিস জানান, বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন জেলা থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ সবজি ঢাকায় আসছে না। পরিবহন খরচও বেড়েছে। ফলে পাইকারি বাজারেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। সেই বাড়তি দাম খুচরা বাজারেও প্রভাব ফেলছে।

এদিকে ডিমের বাজারেও অস্বস্তি বেড়েছে। গরিব মানুষের অন্যতম পুষ্টির উৎস হিসেবে পরিচিত ডিম এখন অনেকের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনে প্রায় ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, খামার পর্যায়ে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে।

ডিম বিক্রেতা সোলায়মান বলেন, পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে ডিম কিনতে হচ্ছে। সরবরাহ কম থাকায় খুচরা বাজারেও দাম বাড়ছে। তবে সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, ডিমের দাম বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো।

গরীবের পুষ্টিতে থাবা: গরম ডিম-সবজির বাজার, পেঁয়াজের হাফ সেঞ্চুরী
গরীবের পুষ্টিতে থাবা: গরম ডিম-সবজির বাজার, পেঁয়াজের হাফ সেঞ্চুরী

বেসরকারি চাকরিজীবী সাব্বির হোসেন বলেন, ছুটির দিনে বড় বাজার করতে এসে এখন অর্ধেক জিনিসও কেনা যাচ্ছে না। আগে যে টাকায় সপ্তাহের বাজার হতো, এখন সেই টাকায় কয়েকদিনের বাজারও হয় না। প্রতিদিন কোনো না কোনো পণ্যের দাম বাড়ছেই।

একই ধরনের হতাশা প্রকাশ করেন গৃহিণী নাসরিন আক্তার। তিনি বলেন, সন্তানদের জন্য ডিম কিনতে গেলেও এখন হিসাব করতে হয়। সবজি কিনতে এসে অনেক কিছু বাদ দিতে হচ্ছে। আয় একই আছে, কিন্তু খরচ দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে কার্যকর মনিটরিংয়ের অভাব এবং অসাধু ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেটের কারণে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে গরিব মানুষের পুষ্টির অন্যতম উৎস ডিম, সবজি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যে সিন্ডিকেটের প্রভাব রয়েছে বলে মনে করছেন তারা। এতে সাধারণ মানুষের খাদ্য তালিকা থেকে ধীরে ধীরে পুষ্টিকর খাবার কমে যাচ্ছে।

গরীবের পুষ্টিতে থাবা: গরম ডিম-সবজির বাজার, পেঁয়াজের হাফ সেঞ্চুরী
বাড়তি মসলার বাজার

তবে মুরগির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কেজিতে প্রায় ১০ টাকা কমেছে। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা, সোনালি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে বলেই দাম কমেছে।

অন্যদিকে চালের বাজারেও সামান্য স্বস্তির আভাস পাওয়া গেছে। নতুন মৌসুমি চাল বাজারে আসায় ব্রি-২৮ ও পাইজাম চালের দাম কেজিতে প্রায় ৫ টাকা কমেছে। বর্তমানে ব্রি-২৮ চাল ৫৫ টাকা এবং পাইজাম চাল ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে অন্যান্য নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে এই স্বস্তি সাধারণ মানুষের কষ্ট খুব বেশি কমাতে পারছে না।

সামগ্রিকভাবে নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে দেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে উঠেছে। সংসারের খরচ সামলাতে গিয়ে অনেকেই এখন প্রয়োজনীয় খাবার কম কিনছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে কঠোর নজরদারি, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গরীবের পুষ্টিতে থাবা: গরম ডিম-সবজির বাজার, পেঁয়াজের হাফ সেঞ্চুরী

আপডেট সময় : ১২:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাজারে নিত্যপণ্যের লাগামহীন দামে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে সবজি, ডিম, পেঁয়াজ ও মসলাজাতীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতিতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর সংসার চালানো কঠিন হয়ে উঠেছে।

বাজারে গিয়ে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা। একদিকে আয় বাড়ছে না, অন্যদিকে প্রতিদিনই বাড়ছে জীবনযাত্রার ব্যয়। ফলে অনেক পরিবারকে এখন এক কেজির জায়গায় আধা কেজি কিনে সংসারের হিসাব মেলাতে হচ্ছে। এতে করে পুষ্টির ঘাটতিও দেখা দিচ্ছে।

শুক্রবার (১৫ মে) ছুটির দিনে রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মালিবাগ, খিলগাঁও ও মিরপুরের বিভিন্ন বাজার প্রায় সব ধরনের সবজি উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে। যা  সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। বাজারে আশি টাকার নিচে কোনো সবজি তেমন পাওয়া যাচ্ছে না।

বৃষ্টি হলেই দাম আরও বেড়ে যাচ্ছে। বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁপে ১০০ টাকা, টমেটো ৮০ থেকে ১০০ টাকা, শসা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁকরোল ১২০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বরবটি ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গরীবের পুষ্টিতে থাবা: গরম ডিম-সবজির বাজার, পেঁয়াজের হাফ সেঞ্চুরী
গরীবের পুষ্টিতে থাবা: গরম ডিম-সবজির বাজার, পেঁয়াজের হাফ সেঞ্চুরী

সবজির পাশাপাশি পেঁয়াজের দামও হাফ সেঞ্চুরী পেরিয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে প্রায় ১০ টাকা বেড়ে বর্তমানে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। আদার দামও বেড়ে ২১০ থেকে ২২০ টাকায় পৌঁছেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ সংকট, বৃষ্টির কারণে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার প্রভাবেই খুচরা বাজারে এমন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আনিস জানান, বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন জেলা থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ সবজি ঢাকায় আসছে না। পরিবহন খরচও বেড়েছে। ফলে পাইকারি বাজারেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। সেই বাড়তি দাম খুচরা বাজারেও প্রভাব ফেলছে।

এদিকে ডিমের বাজারেও অস্বস্তি বেড়েছে। গরিব মানুষের অন্যতম পুষ্টির উৎস হিসেবে পরিচিত ডিম এখন অনেকের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনে প্রায় ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, খামার পর্যায়ে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে।

ডিম বিক্রেতা সোলায়মান বলেন, পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে ডিম কিনতে হচ্ছে। সরবরাহ কম থাকায় খুচরা বাজারেও দাম বাড়ছে। তবে সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, ডিমের দাম বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো।

গরীবের পুষ্টিতে থাবা: গরম ডিম-সবজির বাজার, পেঁয়াজের হাফ সেঞ্চুরী
গরীবের পুষ্টিতে থাবা: গরম ডিম-সবজির বাজার, পেঁয়াজের হাফ সেঞ্চুরী

বেসরকারি চাকরিজীবী সাব্বির হোসেন বলেন, ছুটির দিনে বড় বাজার করতে এসে এখন অর্ধেক জিনিসও কেনা যাচ্ছে না। আগে যে টাকায় সপ্তাহের বাজার হতো, এখন সেই টাকায় কয়েকদিনের বাজারও হয় না। প্রতিদিন কোনো না কোনো পণ্যের দাম বাড়ছেই।

একই ধরনের হতাশা প্রকাশ করেন গৃহিণী নাসরিন আক্তার। তিনি বলেন, সন্তানদের জন্য ডিম কিনতে গেলেও এখন হিসাব করতে হয়। সবজি কিনতে এসে অনেক কিছু বাদ দিতে হচ্ছে। আয় একই আছে, কিন্তু খরচ দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে কার্যকর মনিটরিংয়ের অভাব এবং অসাধু ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেটের কারণে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে গরিব মানুষের পুষ্টির অন্যতম উৎস ডিম, সবজি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যে সিন্ডিকেটের প্রভাব রয়েছে বলে মনে করছেন তারা। এতে সাধারণ মানুষের খাদ্য তালিকা থেকে ধীরে ধীরে পুষ্টিকর খাবার কমে যাচ্ছে।

গরীবের পুষ্টিতে থাবা: গরম ডিম-সবজির বাজার, পেঁয়াজের হাফ সেঞ্চুরী
বাড়তি মসলার বাজার

তবে মুরগির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কেজিতে প্রায় ১০ টাকা কমেছে। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা, সোনালি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে বলেই দাম কমেছে।

অন্যদিকে চালের বাজারেও সামান্য স্বস্তির আভাস পাওয়া গেছে। নতুন মৌসুমি চাল বাজারে আসায় ব্রি-২৮ ও পাইজাম চালের দাম কেজিতে প্রায় ৫ টাকা কমেছে। বর্তমানে ব্রি-২৮ চাল ৫৫ টাকা এবং পাইজাম চাল ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে অন্যান্য নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে এই স্বস্তি সাধারণ মানুষের কষ্ট খুব বেশি কমাতে পারছে না।

সামগ্রিকভাবে নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে দেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে উঠেছে। সংসারের খরচ সামলাতে গিয়ে অনেকেই এখন প্রয়োজনীয় খাবার কম কিনছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে কঠোর নজরদারি, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।