ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এক বছরে ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি তেল আমদানি মায়ের ছোট্ট অনুরোধে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে শিশুদের ‘খেলা ঘর’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা কক্মাসবাজার তারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যু এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাস ৬২.২৫ শতাংশ নদী মরছে, বিপন্ন হচ্ছে নগরসভ্যতা থেমে গেছে প্রতিদিনের হাঁটা ১১ পলিথিনে খন্ডিত মরদেহ মেলেনি মাথা-পা বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত প্রধানমন্ত্রীর উপহার সিএনজি-রিকশা পেলেন জুলাইযোদ্ধারা

১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা কক্মাসবাজার তারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০২৬ সালের ৯ আগস্ট কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ১,২০০ মেগাওয়াট আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন, ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামী ১০ বছরের জন্য দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের একটি সমন্বিত পরিকল্পনা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নের সমুদ্রসৈকতে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করা হলে দেশের স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, শিল্পকারখানা ও বাসাবাড়িতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে যানবাহনের প্রয়োজনীয় গ্যাসের সরবরাহও নিশ্চিত করা হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময়ে দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত গুটিকয়েক ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছিল। তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল, যা দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।

তারেক রহমান বলেন, ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় জনগণের প্রয়োজন ও দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এখন সেই জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে জনগণের স্বার্থে পরিকল্পিতভাবে সাজাতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আমরা এরই মধ্যে সেই কাজে হাত দিয়েছি। তিনি বলেন, আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশের জ্বালানি পরিকল্পনা কী হবে এবং আগামী ১০ বছরে দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কী হবে, সেই প্রস্তাবনা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। সংসদে পরিকল্পনা উপস্থাপনের মাধ্যমে কাজ শুরু করা হবে।

দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বৃহৎ অবকাঠামো পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।রোববার কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে অবস্থিত ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মাতারবাড়ী আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

একই এলাকায়  প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবিত এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প এবং নতুন রিফাইনারির জন্য নির্ধারিত স্থানটিও ঘুরে দেখেন। পরে তিনি কোল জেটি পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে তিনি মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, এলএনজি টার্মিনাল এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন স্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী নিরাপত্তা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, বিশেষ রাজনৈতিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে দুপুর ১টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়ী ত্যাগ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব অবকাঠামোর পরিকল্পিত ও কার্যকর ব্যবহার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পায়ন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাতারবাড়ী প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য দেশের স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা। বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি কয়লা পরিবহনের বন্দর, সঞ্চালন লাইন, অ্যাকসেস রোডসহ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো এই বৃহৎ প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর আগে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রে অবতরণ করেন। পরে তিনি প্রকল্পের প্রশাসনিক ভবনে যান। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং করেন।

এ সময় প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাঁকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিচালন কার্যক্রম, উৎপাদন সক্ষমতা, জ্বালানি সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা, প্ল্যান্টের পরিচালন দক্ষতা, রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো সম্পর্কে অবহিত করেন। একই সঙ্গে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়।

নিম গাছের চারা রোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী : প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মহেশখালীতে এটিই তাঁর প্রথম সফর। এ সময় প্রকল্প এলাকায় প্রধানমন্ত্রী একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন।

মাতারবাড়ীকে ঘিরে গভীর সমুদ্রবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পাঞ্চল, জ্বালানি অবকাঠামোসহ একাধিক বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে মহেশখালীকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজার তথা দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বড় জাহাজে পণ্য পরিবহন এবং শিল্প ও লজিস্টিকস খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা কক্মাসবাজার তারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:০৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

আগামী ১০ বছরের জন্য দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের একটি সমন্বিত পরিকল্পনা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নের সমুদ্রসৈকতে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করা হলে দেশের স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, শিল্পকারখানা ও বাসাবাড়িতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে যানবাহনের প্রয়োজনীয় গ্যাসের সরবরাহও নিশ্চিত করা হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময়ে দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত গুটিকয়েক ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছিল। তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল, যা দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।

তারেক রহমান বলেন, ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় জনগণের প্রয়োজন ও দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এখন সেই জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে জনগণের স্বার্থে পরিকল্পিতভাবে সাজাতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আমরা এরই মধ্যে সেই কাজে হাত দিয়েছি। তিনি বলেন, আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশের জ্বালানি পরিকল্পনা কী হবে এবং আগামী ১০ বছরে দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কী হবে, সেই প্রস্তাবনা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। সংসদে পরিকল্পনা উপস্থাপনের মাধ্যমে কাজ শুরু করা হবে।

দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বৃহৎ অবকাঠামো পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।রোববার কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে অবস্থিত ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মাতারবাড়ী আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

একই এলাকায়  প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবিত এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প এবং নতুন রিফাইনারির জন্য নির্ধারিত স্থানটিও ঘুরে দেখেন। পরে তিনি কোল জেটি পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে তিনি মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, এলএনজি টার্মিনাল এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন স্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী নিরাপত্তা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, বিশেষ রাজনৈতিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে দুপুর ১টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়ী ত্যাগ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব অবকাঠামোর পরিকল্পিত ও কার্যকর ব্যবহার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পায়ন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাতারবাড়ী প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য দেশের স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা। বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি কয়লা পরিবহনের বন্দর, সঞ্চালন লাইন, অ্যাকসেস রোডসহ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো এই বৃহৎ প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর আগে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রে অবতরণ করেন। পরে তিনি প্রকল্পের প্রশাসনিক ভবনে যান। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং করেন।

এ সময় প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাঁকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিচালন কার্যক্রম, উৎপাদন সক্ষমতা, জ্বালানি সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা, প্ল্যান্টের পরিচালন দক্ষতা, রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো সম্পর্কে অবহিত করেন। একই সঙ্গে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়।

নিম গাছের চারা রোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী : প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মহেশখালীতে এটিই তাঁর প্রথম সফর। এ সময় প্রকল্প এলাকায় প্রধানমন্ত্রী একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন।

মাতারবাড়ীকে ঘিরে গভীর সমুদ্রবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পাঞ্চল, জ্বালানি অবকাঠামোসহ একাধিক বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে মহেশখালীকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজার তথা দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বড় জাহাজে পণ্য পরিবহন এবং শিল্প ও লজিস্টিকস খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।