পাট শিল্পে চীনের প্রযুক্তিগত সহায়তা চায় বাংলাদেশ
- আপডেট সময় : ০১:২১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলোদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের পাট শিল্পের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে চীনের প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রয়োজন।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি-তে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বাংলাদেশ-চীন গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের পাট শিল্প একসময় দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ছিল। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পণ্যের বৈশ্বিক চাহিদা বৃদ্ধির কারণে আবারও পাটের গুরুত্ব বাড়ছে।
তবে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা এবং উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। এ কারণে বাংলাদেশ চীনের কাছ থেকে প্রযুক্তিগত সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চায়।
তিনি আরও বলেন, চীন বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক দিন দিন আরও শক্তিশালী হচ্ছে।
বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেলে নতুন শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে গ্রিন টেক্সটাইল ও পাটভিত্তিক শিল্পে চীনা বিনিয়োগ দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইয়াও ওয়েন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে চীন কাজ করে যাচ্ছে। পরিবেশবান্ধব শিল্প ও গ্রিন টেক্সটাইল খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে চীন আগ্রহী।
চীনের রাষ্ট্রদূত আরও জানান, বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পাট শিল্পের প্রযুক্তিগত উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে চীন।
আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ সহায়তার মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশ-চীন গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপোতে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
আয়োজকরা আশা করছেন, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিল্পখাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে এবং দেশের পাট ও টেক্সটাইল শিল্প নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
















